,

AD
নববার্তা.কম এর সংবাদ পড়তে লাইক দিন নববার্তা এর ফেসবুক ফান পেজে

জাতীয় পার্টির সাংগঠনিক তৎপরতা তৃনমূলে

লাইক এবং শেয়ার করুন

এম নজরুল ইসলাম:


দলের সুবিধাবাদী নেতাদের কেউ জাতীয় পার্টির তৃনমূলে সাংগঠনিক কর্মকান্ডে পাশে নেই। দুঃসময়ে পার্টিকে শক্তভাবে আঁকড়ে ধরেছেন এমন কিছু নেতাকর্মী, যারা পদে পদে বঞ্চিত। তবে বর্তমানে দেশের বিভিন্ন জেলা-উপজেলায় যোগ্য নেতৃত্বে হারানো অবস্থান ফিরে পেতে চলেছে জাতীয় সংসদের প্রধান বিরোধীদল জাতীয় পার্টি (এরশাদ)। রাজনৈতিক অবস্থান শক্ত রাখতে সাংগঠনিক কাঠামোকে আরও শক্তিশালী করার উপর জোর দিয়েছে জাতীয় পার্টি।

হারানো অবস্থান পুন:রুদ্ধারে তৃনমূলে সাংগঠনিক কর্মকান্ড এগিয়ে নিতে মড়িয়া হয়ে উঠেছেন, জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় হুইপ, জাতীয় পার্টির যুগ্ম মহাসচিব ও বগুড়া জেলা জাতীয় পার্টির সাধারন সম্পাদক নুরুল ইসলাম ওমর এমপি। তার যোগ্য নেতৃত্বে বগুড়া-৬ সদর নির্বাচনী এলাকা জাতীয় পার্টির দখলে রয়েছে। নুরুল ইসলাম ওমর এমপি’র প্রচেষ্টায় বিগত দিনের তুলনায় তিনগুন শক্তিশালী হয়েছে বগুড়া জেলা জাতীয় পার্টি। পাশাপাশি বগুড়া-৪ আসনের অস্তিত্ব সংকটে পড়া এলাকায় জোরেসোরেই সাংগঠনিক কার্যক্রমে মাঠে রয়েছেন, জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ও বগুড়া জেলা জাতীয় যুব সংহতির সভাপতি শাহীন মোস্তফা কামাল ফারুক।
এদিকে, গাজীপুর-১ নির্বাচনী এলাকায় তৃনমূলে সাংগঠনিক কার্যক্রম শক্তিশালী করতে মাঠে রয়েছেন, জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য শরীফুল ইসলাম শরীফ ও গাজীপুর-২ নির্বাচনী এলাকায় জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য এড. মাহবুব আলম মামুন।

এছাড়া চাঁদপুর-৫ (হাজীগঞ্জ-শাহরস্তি) নির্বাচনী এলাকায় প্রবাস থেকেই জাতীয় পার্টির মাঠ দখল করে রেখেছেন জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ও সৌদি আরব রিয়াদ শাখার সভাপতি কামরুজ্জামান কাজল।
কুড়িগ্রাম-৪ নির্বাচনী এলাকায় মাঠ চষে বেড়াচ্ছেন, জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ও রাজিবপুর উপজেলা শাখার সভাপতি অধ্যক্ষ ইউনুছ আলী।

পার্টির ও নেতাকর্মীদের দুঃসময়ে সবসময় পাশে রয়েছেন এই ছয় নেতা। যোগ্য নেতৃত্বে তৃনমূলেকে শক্তিশালী করার প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন তারা। দলীয় কর্মসূচি যথাযোগ্যভাবে পালন ও জাতীয় দিবসগুলো পালনে এই ছয় নেতা বেশ সক্রিয়।
সরেজমিনে তথ্য সংগ্রহকালে পার্টির ত্যাগী নেতাকর্মীরা বলেন, নুরুল ইসলাম ওমর এমপি, শাহীন মোস্তফা কামাল ফারুক, শরীফুল ইসলাম শরীফ, এড. মাহবুব আলম মামুন, কামরুজ্জামান কাজল ও অধ্যক্ষ ইউনুছ আলীর যোগ্য নেতৃত্বে এরশাদ প্রেমী নেতাকর্মীরা তৃনমূলেকে শক্তিশালী করার প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। তাদের হাতেই পার্টির মঙ্গল। কর্মীপ্রিয় ও সংগঠন প্রিয় নেতাদেরই মূল্যায়ন করা উচিত বলে মনে করছেন নেতাকর্মীরা।

ত্যাগী নেতাকর্মীরা আরও বলেন, এবার পার্টিতে আর কোনো দুর্নীতিবাজ ও সুবিধাবাদীদের ঠাঁই হবেনা। কেউ পেছন দরজা দিয়ে ঢুকে পড়ার চেষ্টা করলে প্রতিহত করা হবে। কিছু দাপুটে নেতার কারণে পার্টির অনেক ত্যাগী নেতাকর্মী অবমূল্যায়িত হয়ে কোণঠাসা হয়ে পড়েছিল। হাইকমান্ডের আশীর্বাদপুষ্ট দাপুটে নেতাদের কর্মকান্ডে দলের ভাবমূর্তিও ক্ষুন্ন করেছে। মৌসুমী পাখির মতো একসময় ওড়ে এসে জুড়ে বসেছিলেন কিছু নেতা। তাদের দাপটে ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেতাকর্মীরা দলে কোণঠাসা হয়ে পড়েছিলেন। নিজেদের আখের গোছাতে ব্যস্ত সেইসব সুবিধাবাদী নেতাদের কাউকেই এখন পাওয়া যাচ্ছে না। এসব সুবিধাবাদী নেতার জায়গা জাতীয় পার্টিতে কোনোভাবেই বরদাশত করবে না দলের ত্যাগী নেতাকর্মীরা।


লাইক এবং শেয়ার করুন
শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Leave a Reply

আরও অন্যান্য সংবাদ