,

AD
নববার্তা.কম এর সংবাদ পড়তে লাইক দিন নববার্তা এর ফেসবুক ফান পেজে

অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি সৃষ্টির আগেই দায়িত্ব থেকে সরে যান : রিজভী

লাইক এবং শেয়ার করুন

প্রধান নির্বাচন কমিশনার কেএম নুরুল হুদাকে ‘অনাকাঙ্ক্ষিত’ পরিস্থিতি সৃষ্টির আগেই দায়িত্ব থেকে সরে যাওয়ার অনুরোধ জানিয়েছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী আহমেদ। রোববার দুপুরে রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে স্বাধীনতা ফোরামের উদ্যোগে ‘নবগঠিত নির্বাচন কমিশন ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের ভবিষ্যত’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এ অনুরোধ জানান। রিজভী বলেন, ‘যাকে প্রধান নির্বাচন কমিশনার ঘোষণা করা হয়েছে, তাকে অনুরোধ করবো যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত রাজনৈতিক পরিস্থিতি সৃষ্টি হওয়ার আগে আপনি পদত্যাগ করে চলে যান।’

দলীয় আনুগত্যের সাবেক আমলা কে এম নুরুল হুদাকে সিইসি করা হয়েছে উল্লেখ করে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব বলেন, ‘আমরা সার্চ কমিটি নিয়েও আপত্তি তুলেছিলাম। তারা যেটা করেছেন তা আজ স্পষ্ট। আমি মনে করি, রাষ্ট্রপতি বলুন, সরকার বলুন, সার্চ কমিটি বলুন- সব একাকার। একই ঝাঁকের কৈ। প্রধানমন্ত্রী যাকে পছন্দ করেছেন, তাকেই সিইসি নিয়োগ দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি। তাদের কাছ থেকে নিরপেক্ষ কোনো কিছু আবিষ্কার করা বা পাওয়া কোনোভাবেই সম্ভব না। তারা এক ব্যক্তির ইচ্ছারই প্রতিফলন ঘটাচ্ছেন, ঘটাবেন।’

জনতার মঞ্চের লোক হিসেবে সিইসিকে অভিযুক্ত করে তিনি বলেন, কাজী রকিবউদ্দিন মার্কার চাইতেও আরো খারাপ নির্বাচন করার জন্য সরকার তাকে মনোনীত করেছেন, আর রাষ্ট্রপতি তার অনুমোদন দিলেন। এই ধরনের আজ্ঞাবাহী, সেবাদাসমূলক ব্যক্তির অধীনে কখনোই দেশে সুষ্ঠু নির্বাচন হবে না। শেখ হাসিনার সমালোচনা করে রিজভী বলেন, আমরা বাংলাদেশে একজন লেডি ফেরাউনের কর্তৃত্বে বসবাস করছি। সুতরাং তার পরার্মশে কী ধরনের সিইসি হবেন, তার মনোনীত ব্যক্তিই হবেন।

পদ্মা সেতু প্রকল্পে দুর্নীতির ষড়যন্ত্রের অভিযোগ কানাডার আদালতে খারিজ হওয়ার পর প্রধানমন্ত্রীপুত্র সজীব ওয়াজেদ জয়ের দেয়া বক্তব্যের জবাবে রিজভী বলেন, ‘অভিযোগটা বিশ্বব্যাংকের, তাদেরকে বলছেন না কেন?  তারা (বিশ্বব্যাংক) তো দেখছি, তাদের অবস্থান থেকে সরে আসেনি’। পদ্মাসেতু প্রকল্প দুর্নীতি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, দুর্নীতি হচ্ছে এই সরকারের ধ্যান-জ্ঞান, যারা দুর্নীতিবাজ তারা এই সরকারের সবচাইতে আপনজন।

সরকারের উদ্দেশে রিজভী বলেন, অনাচার দিয়ে, বন্দুক দিয়ে, গুম করে চলার দিন শেষ হয়ে আসছে। আপনাদের শুভবুদ্ধির উদয় হোক। নির্বাচনকালীন নিরপেক্ষ সরকার দিয়ে ভালোয় ভালোয় সরে আসুন। নইলে একবার তো ২১ বছর ছিলেন না, এখন বলছেন, ৪২ সাল পর্যন্ত থাকবেন। ৪২ বছর পরে ক্ষমতায় আসতে পারবেন কিনা তা নিয়ে হিসাব-নিকাশ উপলব্ধি করুন।

সংগঠনের সভাপতি আবু নাসের মুহাম্মদ রহমাতুল্লাহ‘র সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য আবদুস সালাম, যুগ্ম-মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন, সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স, নির্বাহী কমিটির সদস্য খালেদা ইয়াসমীন, নিপুণ রায় চৌধুরী প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।


লাইক এবং শেয়ার করুন
শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Leave a Reply

আরও অন্যান্য সংবাদ