,

AD
নববার্তা.কম এর সংবাদ পড়তে লাইক দিন নববার্তা এর ফেসবুক ফান পেজে

আ.লীগে আলোচনায় শমী কায়সার

লাইক এবং শেয়ার করুন

আর মাত্র দুই দিন পর আওয়ামী লীগের ২০তম জাতীয় সম্মেলন। দুই দিনের সম্মেলনের সব প্রস্তুতি শেষ পর‌্যায়ে। সম্মেলন যত এগিয়ে আসছে, তাল মিলিয়ে গুঞ্জনও বাড়ছে ভবিষ্যৎ পদপদবি নিয়ে। এসব গুঞ্জনে যেমন আছেন দলের নবীন-প্রবীণ, সক্রিয়-নিষ্ক্রিয় কিংবা বিগত দুটি সম্মেলনে বঞ্চিত নেতারা, তেমনি আছেন নারী নেতারা। বিশেষ করে জানা যাচ্ছে এবারের সম্মেলনের মাধ্যমে দলের কমিটিতে যোগ হতে পারেন আধা ডজন নারী।

নারীদের নিয়ে জোর গুঞ্জনের পেছনে অবশ্য নির্বাচন কমিশনের বাধ্যবাধকতার একটা বিষয়ও আছে। যদিও সেটি ২০২০ সালের মধ্যে পূরণের প্রতিশ্যুতি রয়েছে রাজনৈতিক দলগুলোর। তবে আওয়ামী লীগ এখনই কিছুটা এগিয়ে রাখতে চায়। ফলে ক্ষমতাসীন দলটির আগামী কমিটিতে নতুন নারীমুখ আসার সম্ভাবনা জোরারো হচ্ছে। রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ২২ ও ২৩ অক্টোবরের সম্মেলন সামনে রেখে যেসব নারীর নাম আলোচনার শীর্ষে রয়েছে, তাদের মধ্যে আছেন শহীদ বুদ্ধিজীবী শহীদুল্লা কায়সারের মেয়ে অভিনেত্রী শমী কায়সার।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে আওয়ামী লীগের একজন কেন্দ্রীয় নেতা বলেন, শমী কায়সার বেশ কয়েক বছর ধরে আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে সক্রিয়। দলীয় সভা-সেমিনারেও প্রায়ই অংশ নেন। আওয়ামী লীগের নীতিনির্ধারণী ফোরামেও শমীকে মূল্যায়ন করা হচ্ছে।

ওই নেতা বলেন, আওয়ামী লীগের নীতিনির্ধারণী ফোরাম যে শমী কায়সারকে মূল্যায়ন করছে তার বড় প্রমাণ গত বছরের শেষের দিকে অনুষ্ঠিত পৌরসভা নির্বাচনে দলীয় প্রার্থীদের পক্ষে আওয়ামী লীগের প্রচারণা দলে তাকে রাখা। এ দলের সদস্য নির্বাচন করা হয়েছে দলের সভাপতি শেখ হাসিনার নির্দেশে। সভাপতির নির্দেশ পালনে শমী কায়সার দেশের উত্তরাঞ্চল চষে বেড়ান। দলীয় প্রার্থীদের প্রচারণায় বিভিন্ন জেলা-উপজেলায় সভা-সমাবেশে বক্তব্য দেন তিনি।

আওয়ামী লীগের আরেক নেতা বলেন, ‘বাংলাদেশের স্বাধীনতাযুদ্ধে শমীর বাবা শহীদুল্লা কায়সারের অবদান অনেক। ১৯৭১ সালের ১৪ ডিসেম্বর তাকে বাসা থেকে ধরে নিয়ে যায় আলবদর বাহিনী। তারপর আর ফিরে আসেননি তিনি। মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্ব দেয়া আওয়ামী লীগ মুক্তিযুদ্ধে অবদান রাখা পরিবারের সদস্যদের সম্মান জানায় সব সময়। ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার শহীদুল্লা কায়সারের স্ত্রী পান্না কায়সার সংসদ সদস্য হয়েছিলেন। এবারের সম্মেলনের মাধ্যমে দলের কার‌্যনির্বাহী পরিষদে স্থান পেতে পারেন তাদের কন্যা শমী কায়সার।’

বর্তমান ৭৩ সদস্যের কেন্দ্রীয় কমিটিতে সভাপতি শেখ হাসিনাসহ নারী নেতা রয়েছেন নয়জন। গঠনতন্ত্র সংশোধনের মাধ্যমে যে বর্ধিত কার্যনির্বাহী সংসদ গঠন করা হবে সম্মেলনে, তাতে সদস্যসংখ্যা হবে ৮১, যেখানে যোগ হচ্ছেন আরও বেশ কজন নারী নেত্রী।২০০৮ সালে নির্বাচন কমিশনে নিবন্ধন চালুর সময় রাজনৈতিক দলগুলো তাদের গঠনতন্ত্রে সংশোধনী এনে বিভিন্ন কমিটির এক-তৃতীয়াংশ পদে নারী সদস্য রাখার শর্ত ২০২০ সালের মধ্যে পূরণের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। অন্য রাজনৈতিক দলগুলোর মতো নির্বাচন কমিশন থেকে নিবন্ধন নিয়েছে আওয়ামী লীগও। তবে এবারের সম্মেলনের মাধ্যমে নির্বাচন কমিশনের সেই শর্ত পূরণ করতে পারবে না দলটি।

সুত্র: ঢাকাটাইমস


লাইক এবং শেয়ার করুন
শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Leave a Reply

আরও অন্যান্য সংবাদ