,

AD
নববার্তা.কম এর সংবাদ পড়তে লাইক দিন নববার্তা এর ফেসবুক ফান পেজে

অবশেষে নয়াপল্টন কার্যালয়ে রিজভী

লাইক এবং শেয়ার করুন

বিশেষ প্রতিবেদক # অবশেষে নয়াপল্টন কার্যালয়ে রিজভী। চার দিন ধরে নয়াপল্টন বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অনুপস্থিত থেকে অবশেষে বৃহস্পতিবার দলটির দফতরের দায়িত্ব পালনকারী সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী আহমেদ কার্যক্রম শুরু করেছেন। এই ক’দিন তিনি নানা ইস্যুতে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখিও হননি। এমনকি বিএনপি চেয়ারপার্সনের ইফতার পার্টিতেও হাজির হননি। তার এই হঠাৎ অনুপস্থিতির কারনও জানাতে পারেননি নয়াপল্টন কার্যালয়ের দায়িত্বশীল কেউ। তবে তার এই অনুপস্থিতি নিয়ে দলের নেতাকর্মীদের মাঝে নানা গুঞ্জন শুরু হয়েছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, তিনি ঢাকাতেই অবস্থান করেছেন। নানা অভিমান আর ক্ষোভ থেকেই তিনি একটু দূরত্ব বজায় রাখছিলেন দলের সাংগঠনিক কর্মকান্ড থেকে। এমনটাই জানিয়েছেন তার কাছের নেতাকর্মীরা। বিগত দিনে এমনকি নব্বই দশকের রাজনীতিতে তার নির্যাতন আর ত্যাগের পাশাপাশি বর্তমান সরকারের আমলে রিমান্ড, কারাগারের সাথে বিএনপির দুঃসময়ের মুখপাত্রের দায়িত্বপালনকারী এই নেতা এখন অনেকটা কোনঠাসা। নিজের চারপার্শে চাটুকর আর মোসাহেবীদের দিয়ে পরিবেষ্টিত থাকার কারনে ইতিমধ্যেই নানা বিতর্কের সাথে নিজের নামটিও জড়িয়ে ফেলেছেন। এসব নিয়ে দলের ভিতর-বাহির নানা আলোচনা-সমালোচনায় তিনি অনেকটাই এখন নির্জীব হয়ে পড়ছেন।

এদিকে নয়াপল্টন কার্যালয়ের একটি সূত্র জানায়, দলের স্থায়ী কমিটির প্রভাবসালী সদস্য ও ঢাকা মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক মির্জা আব্বাস সাম্প্রতিক কর্মকান্ডের জন্য রিজভী আহমেদেকে মৃদু ভর্ত্সনা করেছেন। গত শনিবার দুপুরে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের মহসচিবের রুমে এ ঘটনা ঘটেছে বলে দলের দায়িত্বশীল একটি সূত্র নিশ্চিত করেছেন। এ ঘটনার পর থেকে রিজভী আহমেদকে আর কার্যালয়ে দেখা যাচ্ছে না। এ কারনে প্রতিদিন বিভিন্ন ইস্যুতে সংবাদ সম্মেলনও হচ্ছে না।

এ বিষয়ে দলের সহ দফতর সম্পাদক তাইফুল ইসলাম টিপু জানান, রিজভী আহমেদ গত কয়েকদিন কার্যালয়ে আসেননি। তিনি উত্তরাঞ্চলে সফরে গিয়েছিলেন। সূত্রটি জানায়, শনিবার দুপুরের দিকে মির্জা আব্বাস কার্যালয়ে প্রবেশ করে রজভীকে মহাসচিবের রুমে ডেকে পাঠান। ওই সময়ে জাসাসের সভাপতি এম এ মালেকও সেখানে উপস্থিত ছিলেন। তবে কিছুক্ষন অবস্থান করার পর এম এ মালেক বেরিয়ে আসেন। এরপর দির্ঘ প্রায় এক ঘন্টা একান্তে ওই রুমে অবস্থান করেন মির্জা আব্বাস ও রিজভী আহমেদ।

সূত্র জানায়, এসময়ে মির্জা আব্বাস রিজভীকে বিগত দিনে কমিটি বানিজ্যসহ বিভিন্ন অনিয়ম এবং দলের চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার কাছে সিনিয়র নেতাদের নামে মিথ্যা তথ্য দিয়ে কান ভারী করার বিষয়ে জানতে চান। তিনি রিজভীকে ভবিষ্যতে এ ধরেনর ঘটনার সৃস্টি হলে পল্টন কার্যালয়ে প্রবেশ করতে দিবেন না বলেও শাসান।

অপর একটি সূত্র জানায়, ওই সময়ে মির্জা আব্বাস রিজবীকে অকথ্য ভাষায় ধামকি দিতে থাকেন। তবে এ সময়ে রিজভী কোন উচ্চবাচ্য করেননি। এ ঘটনায় মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে দলের মধ্যে। কেউ রিজভীর প্রতি সহানুভুতিশীল হলেও অনেকে খুশি হয়েছেন।দীর্ঘ দিন যাবতই মহাসচিবকে দায়িত্ব বুঝিয়ে দিচ্ছেন না। তিনি নিজেই ৪২ সদস্যের কমিটি ঘোষণা করেছেন।


লাইক এবং শেয়ার করুন
শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Leave a Reply

আরও অন্যান্য সংবাদ