,

AD
নববার্তা.কম এর সংবাদ পড়তে লাইক দিন নববার্তা এর ফেসবুক ফান পেজে

আপার সম্ভাবনার ঝালকাঠির ছইলারচর!

লাইক এবং শেয়ার করুন

অহিদ সাইফুল # তবু তোমাকে ভালোবেসে মুহূর্তের মধ্যে ফিরে এসে বুঝেছি অকূলে  জেগে রয় ঘড়ির সময়ে আর মহাকালে  যেখানেই রাখি এ হৃদয়,সে আমাদের বাংলাদেশ,জীবনানন্দ দাশের শ্রেষ্ঠ্য কবিতা। ঝালকাঠির দখিন জনপদ বঙ্গপসাগর  থেকে মাত্র শত কিলোমিটার নিকটবর্তী বিশখালি নদীর চরে এমন প্রকৃতির নৈসর্গ সাজিয়েছে ছইলার চর। পর্যটনের ব্যপক সম্ভাবনা থাকলেও রয়েছে নানা সংকট। তবু সেই সংকট উপেক্ষা করেই প্রকৃতির নয়নাভিরাম এই ছইলার চর পর্যাটকের মিলনা মেলায় পরিনত হচ্ছে। ঝালকাঠির কাঁঠালিয়া উপজেলার সদর ইউনিয়নের  হেতালবুনিয়া  মৌজায় বিশখালি নদীতে ৪১ একর জমি নিয়ে  জেগে উঠেছে এক বিশাল চর। 

যেখানে রয়েছে লক্ষাধিক ছইলা গাছ। আর ছইলা গাছের নাম  থেকেই  জেগে ওঠা এ নদী চরের নামকরণ করা হয়েছে ছইলার চর। বর্ষায়  জোয়ারের পানিতে পুরো চর ডুবে যায়। ভাটায়  নেমে যায় পানি। ম্যানগ্রোভ বনাঞ্চলের মত। লাখ ছইলা গাছে  বেঁধেছে পাখিরা নীড়। শালিক, ডাহুক আর বকের সারি। ছইলা ছাড়াও এখানে  কেয়া,  হোগল, রানা, এলি, মাদার, আরগুজি সহ বিভিন্ন প্রজাতির গাছে  ঘেরা। তাই পাখির কিচিরমিচির ডাক সব সময়। কাঁঠালিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ডা. শরীফ মুহম্মদ ফয়েজুল আলম বলেন, ২০১৫ সালে ছইলারচর স্থানটি পর্যটন স্পট হিসেবে চি‎হ্নিত করা হয়েছে। এখানে পর্যাটকদের জন্য বাথরুম, বিশুদ্ধ পানির জন্য একটি গভীর নলকূক এবং ছোট্ট পরিসরে একটি পাকা একটি   খোলা কক্ষ নির্মান করা হয়েছে।

কাঁঠালিয়া  প্রেস ক্লাবের সিনিয়র সহ-সভাপতি উপজেলা সুজন সম্পাদক ফারুক  হোসেন খান বলেন, পর্যটন স্পট ছইলারচরটি অপার সম্ভাবনাময় একটি পর্যটন  কেন্দ্রে পরিনত হচ্ছে। প্রতি বছর শীতের সময় পর্যটকদের ভীরে মুখরিত থাকে এ স্থানটি। দূর-দূরান্ত  থেকে এ  মৌসুমে এখানে ৩/৪টি করে পিকনিকের দল আসে। কিন্তু সু- যোগাযোগ এখনও তৈরি হয় নি। ট্রলার বা  নৌকা ছাড়া এখানে আসার উপায়  নেই। তৈরি করা হয়নি স্থায়ীঘাট। তবে সরকারের পৃষ্টপোশকতা  পেলে এ স্পটটি দক্ষিণাঞ্চলে মধ্যে অন্যতম একটি দর্শনীয় স্থান হতে পারে,সম্প্রতি এ ছইলা চরে স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীদের নিয়ে পিকনিকে আসা শিক্ষক এনামুল  হোসেন বলেন, হৈ হুল্লা ও নাচ গানে বনভোজনের প্রকৃত সাধ  পেলাম এখানে।

এত মনোরম পরিবেশে পর্যাটনের জন্য এই অঞ্চলে আর ভাল স্থান হয় না। কিন্তু স্পটটি নিয়ে মাথা ব্যথা নেই সরকারি বা  বেসরকারি  কোন সংস্থার। নদী  থেকে উঠা নামার সিড়ি কিংবা ঘাট, বিদ্যুৎ, টলঘর,  রেষ্ট হাউজ,  দোকানপাট এবং সড়ক  যোগাযোগ সুগম করলে এটি পর্যাটন আয়ের উৎস হতে পারে, বলেন ওই শিক্ষক। ঝালকাঠি  জেলা প্রশাসক  মো. মিজানুল হক  চৌধুরী বলেন, ছইলার চরটি পর্যাটন সম্ভাবনার হাতছনি। এখানে পর্যাটকদের জন্য বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা তৈরি করতে ইতোমধ্যেই পর্যাটন মন্ত্রনালয়ে চিঠি দিয়ে আবেদন জানানো হয়েছে।


লাইক এবং শেয়ার করুন
শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Leave a Reply

আরও অন্যান্য সংবাদ