,

AD
নববার্তা.কম এর সংবাদ পড়তে লাইক দিন নববার্তা এর ফেসবুক ফান পেজে

নিজের ওপর যথেষ্ট আস্থা আনুশকা শেঠির

লাইক এবং শেয়ার করুন

ভারতের দক্ষিণী সিনেমার জনপ্রিয়তার শীর্ষে অবস্থান করছেন অভিনেত্রী আনুশকা শেঠি। ইতোমধ্যে তামিল ও তেলেগু ভাষার একজন প্রতিষ্ঠিত অভিনেত্রী হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠা করেছেন। নিজের আবেদনময়ী শরীরী ভাষা ও অভিনয় দক্ষতাকে সঙ্গী করে ভারতের দক্ষিণী ছবির জগৎকে কয়েক বছর ধরে রীতিমতো শাসন করে চলেছেন তিনি। আজ তাবড় অভিনেতারা চাইছেন, তার বিপরীতে অন্তত একবার অভিনয় করতে। আনুশকা চরিত্রের প্রয়োজনে নিজেকে অসংখ্যবার ভেঙেছেন। তার রূপের জৌলুস আর অভিনয় দক্ষতায় মুগ্ধ হয়েছেন দর্শক। অসাধারণ অভিনয়ের জন্য তিনি পেয়েছেন অসংখ্য পুরস্কার।

রূপবতী এই নায়িকা সম্পর্কে তেমন কিছু অজানা তথ্য:
১৯৮১ সালের ৭ নভেম্বর ভারতের কর্ণাটকের ম্যাঙ্গালোরে জন্মগ্রহণ করেন আনুশকা শেঠি। স্কুল জীবন কাটিয়েছেন ব্যাঙ্গালুরুতে। মাউন্ট কারমেল কলেজ থেকে কম্পিউটার অ্যাপ্লিকেশন বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রি লাভ করেন। ভারত ঠাকুর থেকে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত একজন যোগ প্রশিক্ষকও ছিলেন এই অভিনেত্রী।

২০০৫ সালে সুপার শিরোনামের তেলেগু সিনেমায় এবং ২০০৬ সালে রেন্ডু সিনেমার মাধ্যমে তামিল ভাষার চলচ্চিত্রে পা রাখেন আনুশকা শেঠি। ভেদম সিনেমায় সারোজা চরিত্রে অভিনয় করে অনেক প্রশংসাও কুড়ান তিনি। অরুন্ধতি’র মতো অসংখ্য তামিল তেলেগু ভাষার সিনেমায় অভিনয় করেছেন। ২০০৯ সালে সেরা অভিনেত্রী হিসেবে ফিল্ম ফেয়ার পুরস্কার জেতেন এই অভিনেত্রী।

উল্লেখ্য, আনুশকা অভিনীত উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্র হলো- সুপার, নন্দিনী, ভিক্রমারকুডু, রেন্ডু, আস্ট্রাম, অরুন্ধতি, ডন, বাহুবলি : দ্য বিগিনিং প্রভৃতি। বর্তমানে তিনি বাহুবলি : দ্য কনক্লুশন সিনেমার কাজ নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন। নিজের ওপর যথেষ্ট আস্থা রয়েছে আনুশকার। বললেন, ‘অভিনয় জগতে অনেকটা পথ পেরিয়ে এসেছি। আগামী পাঁচ বছরে এক নম্বর হওয়ার কোনো ইচ্ছাও নেই। তবে দক্ষিণী ছবি কিংবা বলিউডি ছবি সব ক্ষেত্রেই সেরা ছবিগুলো আমার কাছে থাকুক, সেটাই চাইব।’


লাইক এবং শেয়ার করুন
শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

আরও অন্যান্য সংবাদ