,

AD
নববার্তা.কম এর সংবাদ পড়তে লাইক দিন নববার্তা এর ফেসবুক ফান পেজে

অ্যাঞ্জেলিনা জোলি চমৎকার পড়ান

লাইক এবং শেয়ার করুন

অ্যাঞ্জেলিনা জোলি ভট জনপ্রিয় মার্কিন অভিনেত্রী। তিনবার গোল্ডেন গ্লোব পুরস্কার, দুইবার স্ক্রিন অ্যাক্টরস গিল্ড পুরস্কার এবং একবার একাডেমি পুরস্কার লাভ করেছেন। চলচ্চিত্র জগতের বাইরে ২০০১ সালে তিনি জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থার শুভেচ্ছাদূত মনোনীত হয়েছেন। বিশ্বব্যাপী মানবতার প্রচার, এবং বিশেষ করে শরণার্থীদের নিয়ে কাজ করার জন্য জোলি বিশেষভাবে সমাদৃত। একাধিকবার তিনি ‘বিশ্বের সেরা সুন্দরী’ নির্বাচিত হয়েছেন। রূপালী পর্দার অন্তরালে তার ব্যক্তিগত জীবন প্রায় সময়ই গণমাধ্যমে ব্যাপক প্রচার লাভ করেছে।
 
একেক ছবিতে একেক রকম অবতারে দেখা গেছে অ্যাঞ্জেলিনা জোলিকে। সাফল্যের সঙ্গে পালন করে যাচ্ছেন জাতিসংঘের শুভেচ্ছাদূতের দায়িত্বও। পাশাপাশি ছয় সন্তানের লালন-পালন তো করেই যাচ্ছেন। আর কী করা বাকি আছে এই হলিউড তারকার বলুন তো? এখন আবার শুরু করেছেন শিক্ষকতা। গত মঙ্গলবার অধ্যক্ষ হিসেবে প্রথম ক্লাস নেন জোলি। ক্লাস শুরুর আগে লন্ডন ইভিনিং স্ট্যান্ডার্ড নামের এক পত্রিকাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে জোলি বলেন, ‘আমি একটু নার্ভাস। বুকের মধ্যে যেন পিলপিল করে প্রজাপতি ওড়ার অনুভূতি হচ্ছে। আশা করছি ভালো করব। ভালো করাটা আমার জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ।’
মঙ্গলবার প্রথম ক্লাস শেষে শিক্ষার্থীরা বলেন, জোলি চমৎকার পড়ান। যেহেতু জোলি অনেক দিন ধরে জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক শুভেচ্ছাদূত হিসেবে কাজ করছেন, নানা দেশে গিয়ে কথা বলেছেন মানবাধিকার নিয়ে, তাই শিক্ষার্থীদের পড়ানোটাও তার জন্য ছিল সহজ। গত বছর মে মাসে জোলি লন্ডন স্কুল অব ইকোনমিকসে নারী, শান্তি ও নিরাপত্তা বিষয়ে পড়ানোর জন্য অধ্যক্ষের দায়িত্ব পান। তবে এ জন্য তিনি কোনো পারিশ্রমিক না নেওয়ার কথাও জানান।

হলিউড অভিনেত্রী অ্যাঞ্জেলিনা জোলি স্বামী ব্র্যাড পিটের বিরুদ্ধে বিবাহ বিচ্ছেদের মামলা এনেছেন। কারণ হিসেবে জানান, ব্রাড পিটের অন্য নারীর প্রতি আসক্তির কথা। তাদের বিচ্ছেদের সূত্র ধরে জোলি ও ব্র্যাডের নানা তথ্য এখন আলোচনায়। যার মধ্যে জোলির বৈচিত্র্যময় যৌনজীবন নিয়েও নানা তথ্য ঘুরে বেড়াচ্ছে ওয়েবে। তারই কিছু চুম্বক অংশ তুলে ধরা হলো।

 
২০ বছর বয়স নাগাদ এমন কোনও ড্রাগ বাজারে ছিল না, যা অ্যাঞ্জেলিনা নেননি। কোকেন, এলএসডি, হেরোইন, নেশার তুমুল স্রোতে নিজেকে ভাসিয়ে দেন তিনি। তার প্রথম স্বামী জনি লি মিলার তাকে সেই অবস্থা থেকে উদ্ধার করেন, একথা তিনি আজও মুক্তকণ্ঠে স্বীকার করেন। ১৯৯৬-এ তার সঙ্গে আলাপ হয় মডেল-অভিনেত্রী জেনি শিমিজু-র। তার মধ্যে এক পরিপূর্ণ নারী-কে খুজে পান লারা ক্রফ্টের চরিত্রাভিনেত্রী। শুরু হয় এক তুফানি সমকামী রোম্যান্স।

লাইক এবং শেয়ার করুন
শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

আরও অন্যান্য সংবাদ