,

AD
নববার্তা.কম এর সংবাদ পড়তে লাইক দিন নববার্তা এর ফেসবুক ফান পেজে

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা বিএনপিতে হ য ব র ল অবস্থা

লাইক এবং শেয়ার করুন

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর = সদর উপজেলা বিএনপির কিমিটি গঠিত হয়েছে আগস্ট ১৪, ৮ সদস্যের আংশিক কমিটি অদ্যাবধি সদর উপজেলা পুরনাঙ্গ কমিটি গঠনের কাজ শেষ হয়নি বার বার জেলা নেতাদের একাধিক বার  তাগাদা প্রদানের পর। আংশিক কমিটি গঠন হয়েছে প্রায় ১ বছর ১০ বছর মাস হয়েছে কেন পুরনাঙ্গ কমিটি হয়নি। নাম প্রকাশে ইচ্ছুক একাধিক সুত্র বলেন সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি জেলা বিএনপির সিনিয়র সহ সভাপত। এ ব্যাপারে আমাদের প্রতিবেদক সদর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোঃ আলী আজম কে কমিটি গঠনের ব্যাপারে জানতে চাইলে, জবাবে আলী আজম বলেন কমিটি গঠন চূড়ান্ত যে কোন দিন ঘোষণা করা হবে।

উল্লেখ্য সদর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও জেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আলী আজম দীর্ঘ দিন কারারুদ্ধ ছিলেন। তাই কমিটি গঠনে একটু সময় লাগছে। খুব দ্রুততম সময়ের মধ্যে কমিটি ঘোষণা করা হবে। গত ইউপি নির্বাচনে ব্যর্থতার জন্য উপজেলা কমিটির ব্যর্থতাকে দায়ী করে। পদ পদবী হারানোর ভয়ে বা নতুন করে পদায়ন না হওয়ার ভয়ে কেউ মুখ খুলছে না কেউ? এ সব অভিযোগ অস্বীকার করেন সদর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোঃ আলী আজম।

পৌর বিএনপি = সভাপতি এডভোকেট সফিকুল ইসলাম আন্দোলন সংগ্রামে সক্রিয় কিন্তু সাধারণ সম্পাদক মোঃ আলী আজমকে আন্দোলন সংগ্রামে দেখা যায়নি। এডভোকেট সফিকুল ইসলাম আন্দোলনের প্রথম দিন রাজপথ থেকে গ্রেফতার হন। দীর্ঘ দিন কারারুদ্ধ ছিলেন তাই দল গুছাতে সময় লেগেছে। এবারের পৌর নির্বাচনের সময় আধিকাংশ ওয়ার্ড বিএনপির নেতাকে গ্রেফতার করেছে। অনেকে আওয়ামীলীগের সাথে আতাত করে কারাগার থেকে বাহির হয়েছে। চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা ও জেলা বিএনপির সভাপতির একান্ত আস্থা ভাজন পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোঃ আজিমকে আন্দোলনের মাঠে দেখা যায়নি।

এ ব্যাপারে মোঃ আজিমের বক্তব্য ছিল তার বাবা মারা গেছে আন্দোলনের সময় তাই তিনি ৪০ দিন নিজ বাসায় ছিলেন। এখন তিনি জেলা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক প্রার্থী। চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা মুশফিকুর রহমান, জেলা বিএনপির সভাপতি হাফিজুর রহমান মোল্লা কচি ও জেলা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক আনিছুর রহমান মঞ্জুর সাথে অনৈতিক লেনদেনের কারনে। পৌর নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য সচিব ছিলেন তিনি তার কেন্দ্র সকাল ১০ টার সময়। আর তার কারনে একজন প্রভাবশালী কাউন্সিলর মোঃ কাউসার সামান্য ভোটে পরাজিত হয়েছে। তার পর ও পৌর বিএনপিতে বেশ কিছু নেতা আছে যারা সুযোগ পেলে কাজ করবে।

বিজয়নগর উপজেলা বিএনপি = বিগত উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে উপজেলা বিএনপি ২ ভাগে ভিবক্ত হয়ে যায়। জেলা বিএনপি মনোনীত প্রার্থী এডভোকেট শরিফুল ইসলাম লিটনের পক্ষে। জেলা বিএনপির নেতারা বারং বার সমযোতার  চেষ্টা করে ব্যর্থ হন। ১৯ শে ২০১৪ নির্বাচনের পর দিন সন্মেলনের মাধ্যমে নির্বাচিত কমিটি ভেঙ্গে দেয়া হয়। আবার ও সাবেক সভাপতি হারুন মুন্সীকে সভাপতি ও এডভোকেট শরিফুল ইসলাম লিটনকে সাধারণ সম্পাদক করে ৫ সদস্যের কমিটি অনুমোদন দেয় জেলা বিএনপি। তাহলে এ কমিটি কেন ভেঙ্গে দেয়া হয়েছিল। এ ব্যাপারে জেলা বিএনপির এক প্রভাবশালী নেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন সাবেক জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যারা প্রার্থী ছিলেন তাদের মতামতকে প্রাধান্য দিয়ে কমিটি করতে হয়। জেলার নেতাদের অনুমোদন দেওয়া ছাড়া কিছু করা যায় না।

এরই মধ্যে বিজয়নগর উপজেলা যুবদলের কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। দীর্ঘ দিনের ত্যাগী কারা নির্যাতিত নেতাদের বাদ দিয়ে নতুন কমিটি করা হয়েছে। যারা বাদ পড়েছে তারা জেলা বিএনপির আশ্বাসে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে জেলা বিএনপি মনোনীত প্রার্থীর পক্ষে করেছে। আর যাদের কমিটিতে রেখেছে বিগত উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচনে যারা বিদ্রোহী প্রার্থী ও আওয়ামীলীগ প্রার্থীর পক্ষে কাজ করেছে হাজী মনির হোসেনের নির্দেশে তাদের কমিটিতে মুল্যায়ন করা হয়েছে। এ নিয়ে বিজয়নগরে নেতাকর্মীদের মধ্যে চরম অসন্তোষ বিরাজ করছে। হাজী মনির সিন্ডিকেটের আশকারায় একের পর এক অপকর্ম করে যাচ্ছে বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব ও কেন্দ্রীয় যুবদলের সভাপতি মোয়েজ্জেম হোসেন আলাল ও কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক কেন্দ্রীয় যুবদলের সিনিয়র সহ সভাপত এডভোকেট আব্দুস সালাম আজাদ এর সাথে গত শুক্রবার বিএনপি অফিসে জানতে চাইলে জবাবে যুবদলের কেন্দ্রীয় ২ নেতা বলেন ম্যাডামের নির্দেশে কেন্দ্রি কমিটির আগে কোন কমিটি দেয়া অবৈধ। বড়াহ্মোণবাড়ীয়া জেলা যুবদল কোন কমিটি এই মুহূর্তে আনুমোদন করতে পারে না।

সরজমিতে অনুসন্ধানে জানা গেছে সাবেক যুগ্ন মহাসচিব মোঃ শাহজাহান, ও শামসুর রমান শিমুল বিশ্বাস ও নির্বাহী কমিটির সদস্য মোঃ বেলাল ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার রাজনীতিতে বরাবরই হস্তক্ষেপ করেন। বেলালের মাধ্যমে অর্থের লেনদেন করে একটি গ্রুপ। আর কাজী আনোয়ার হোসেন এবং মুশফিকুর রহমান কেন্দ্র থেকে একের পর এক টেলিফোন করিয়ে জেলার নেতাদের ব্যতিব্যস্ত রাখেন। আর কখন কাকে ফোন করতে হবে এই সংবাদ কেন্দ্রে পৌঁছানোর দায়িত্ব পালন করেন জেলা বিএনপির সভাপতি হাফিজুর রহমান মোল্লা কচি ও যুগ্ন সম্পাদক আনিছুর রহমান মঞ্জু।

–চলবে ধারাবাহিক ভাবে


লাইক এবং শেয়ার করুন
শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Leave a Reply

আরও অন্যান্য সংবাদ