,

AD
নববার্তা.কম এর সংবাদ পড়তে লাইক দিন নববার্তা এর ফেসবুক ফান পেজে

হার্ডওয়্যার রপ্তানিকারক দেশ হতে চায় বাংলাদেশ : পলক

লাইক এবং শেয়ার করুন

‘২০২১ সালের মধ্যে বাংলাদেশ হার্ডওয়্যার শিল্পে রপ্তানিকারক দেশ হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করতে প্রয়োজনীয় পলিসি প্রণয়ন করা হচ্ছে। এজন্য প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নিচ্ছে সরকার। বুধবার আগারগাঁওয়ের আইসিটি টাওয়ারের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের আওতাধীন বাংলাদেশ হাইটেক পার্ক কর্তৃপক্ষ ও বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতির (বিসিএস) যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত ‘বাংলাদেশ আইসিটি এক্সপো ২০১৭’ এর সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তথ্য যোগাযোগ ও প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।

তিনি বলেন, ‘এই মুহূর্তে আমাদের হার্ডওয়্যার পণ্যের এক্সপোর্ট হয়তো জিরো। কিন্তু সেই দিন খুব বেশি দূরে নয় আগামী কয়েক বছরের মধ্যেই আমাদের হার্ডওয়্যার পণ্যের এক্সপোর্ট শুরু করেবো। ইতোমধ্যেই কিছু শুরু করেছে ওয়ালটন। নেপাল, পূর্ব তৈমুরসহ কয়েকটি দেশে। তবে সেটার সংখ্যা খুব অল্প।’ পলক বলেন, ‘আমার দৃঢ় বিশ্বাস আগামী তিন বছরের মধ্যে আমাদের হার্ডওয়্যার শিল্পকে সারা বিশ্বের কাছে পরিচিত করতে পারবো যে বাংলাদেশ ম্যানুফ্যাকচারিংয়ে কতটা সফল। মেক ইন বাংলাদেশ তখন আর স্লোগান হিসেবে থাকবে না। ডিজিটাল বাংলাদেশ এখন যেমন রিয়েলিটিতে পরিণত হয়েছে, তেমনি মেক ইন বাংলাদেশও তখন রিয়েলিটিতে পরিণত হবে।’

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘এবারের বাজেট দেশীয় হার্ডওয়্যার শিল্প বিকাশের বাজেট। মোবাইল ফোন, কম্পিউটার, ল্যাপটপ, ট্যাব ইত্যাদি উৎপাদন, সংযোজনে ব্যবহৃত হয় এমন কাঁচামাল ও যন্ত্রাংশে বিদ্যমান শুল্ক কমানো হয়েছে। ৯৪ ধরনের কাঁচামাল ও যন্ত্রাংশে আগের সর্বোচ্চ ২৫ শতাংশ শুল্ক এখন মাত্র ১ শতাংশ করা হয়েছে।’ দেশি-বিদেশি প্রতিষ্ঠানগুলো কারখানা স্থাপনে আগ্রহী হয়েছে উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘দেশে স্যামস্যাং যেমন কনজ্যুামার ইলেকট্রনিক্স কারখানা স্থাপন করেছে তেমনিভাবে দেশীয় প্রতিষ্ঠান ওয়ালটনও তাদের মোবাইল সংযোজন কারখানার যাত্রা শুরু করেছে।’

তিনি বলেন, ‘এছাড়া মোবাইল ফোন ও ল্যাপটপ উৎপাদন ও সংযোজন কারখানা স্থাপনের জন্য কার্যক্রম শুরু করেছে দেশীয় প্রতিষ্ঠান সিম্ফনি ও আমরা টেকনোলজিস এবং বিদেশি প্রতিষ্ঠান এলজি ও হুয়াওয়ে।’ বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতি (বিসিএস) এর সভাপতি আলী আশফাকের সভাপতিত্বে সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সচিব সুবীর কিশোর চৌধুরী, বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষের ব্যবস্থাপনা পরিচালক হোসনে আরা বেগম এনডিসি, বিসিএস মহাসচিব ইঞ্জিনিয়ার সুব্রত সরকার, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, বিসিএর সদস্য এবং স্পন্সর প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা।


লাইক এবং শেয়ার করুন
শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Leave a Reply

আরও অন্যান্য সংবাদ