,

AD
নববার্তা.কম এর সংবাদ পড়তে লাইক দিন নববার্তা এর ফেসবুক ফান পেজে

রাষ্ট্রপতির নিকট প্রাণভিক্ষা চেয়ে লিখিত আবেদন করেছে সাকা-মুজাহিদ

লাইক এবং শেয়ার করুন

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত জামায়াত নেতা আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদ ও বিএনপি নেতা সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী প্রেসিডেন্টের কাছে প্রাণভিক্ষার লিখিত আবেদন করেছেন। আজ (শনিবার) দুপুরে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের জ্যেষ্ঠ জেল সুপার জাহাঙ্গীর কবির জানান,  সাকা চৌধুরী ও মুজাহিদ প্রাণিভক্ষা চেয়ে প্রেসিডেন্টের কাছে লিখিতভাবে আবেদন করেছেন। এর আগে সকাল সাড়ে ১০টার দিকে সালাউদ্দিন কাদের (সাকা) চৌধুরী ও আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদের প্রাণভিক্ষার বিষয়ে জানতে কারাগারে যান নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট দু’জন হলেন- আশরাফ হোসেন ও তানভীর আহমেদ। তাদের কাছেই মুজাহিদ ও সালাউদ্দিন প্রাণভিক্ষার আবেদন করেন বলে কারা সূত্র জানিয়েছে।

এর আগে গুলশান কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর রায় বলেন, প্রেসিডেন্টের কাছে প্রাণভিক্ষা চাইবেন না সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী। এ ব্যাপারে সালাহউদ্দিন কাদের চৌধুরী ব্যক্তিগতভাবে ক্ষমা চাইবেন কিনা তা জানতে চাওয়া হলে তা তিনি ‘না’ করে দিয়েছেন। পরিবারও প্রেসিডেন্টের কাছে ক্ষমা চাইবে না। এসময় সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর স্ত্রী ফারহাত কাদের চৌধুরী বলেন, প্রেসিডেন্টের কাছে ক্ষমা চাওয়ার বিষয়ে তার স্বামী আইনজীবীদের সঙ্গে কথা বলে সিদ্ধান্ত নেবেন।

এদিকে, ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত জামায়াত নেতা আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদের স্ত্রী তামান্না-ই জাহান বলেছেন, ‘রাষ্ট্রপতি আব্দুল হামিদকে সাংবিধানিক অভিভাবক মনে করেন আমার স্বামী। তার কাছেই সুবিচারই পাওয়া যাবে বলে আমরা প্রত্যাশা করছি।’ আজ শনিবার দুপুরে সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির মিলনায়তনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলন করে এ কথা বলেন তিনি।  এ সময় মুজাহিদের স্ত্রী বিশেষ ট্রাইব্যুনালে মামলা চলমান থাকা অবস্থায় যদি অন্য কোনো মামলায় মুজাহিদের দণ্ড কার্যকর হয় তাহলে তা নাগরিক অধিকারের লঙ্ঘন হবে বলে যুক্তি দেখান।

সংবাদ সম্মেলনে আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদের স্ত্রী তামান্না-ই জাহান বলেন, ২১ আগস্ট গ্রেনেড হত্যা মামলাটির সাক্ষ্যগ্রহণ এখন শেষ পর্যায়ে। এ অবস্থায় আলী আহসান মুজাহিদের বাংলাদেশের একজন নাগরিক  হিসেবে মামলাটিতে শেষ পর্যন্ত আইনি লড়াই চালিয়ে  যাওয়ার অধিকার রয়েছে।
মুজাহিদের স্ত্রী জানান, গত ১৯ নভেম্বর পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাতের সময় মুজাহিদ জানিয়েছেন, আপিল বিভাগের রায়ের কপি আসলে তিনি রাষ্ট্রপতির কাছে আইনি বিষয়ে লিখিতভাবে জানতে চাইবেন যে, ২১ আগস্ট মামলায় তার অবস্থান কী হবে।

লিখিত বক্তব্যে তামান্না-ই জাহান বলেন, বিশেষ ট্রাইব্যুনালে মামলা চলমান থাকাবস্থায় যদি অন্য কোন মামলায় কারো দণ্ড কার্যকর করা হলে সেটি হবে নাগরিকের অধিকার লংঘন। যেহেতু আলী আহসান মোহাম্মাদ মুজাহিদ রাষ্ট্রপতিকে তাঁর সাংবিধানিক অভিভাবক মনে করেন। তাছাড়া রাষ্ট্রপতি নিজেই একজন আইনজীবী। তাই মুজাহিদের আইন ও সংবিধানিক অধিকার পেতে তিনি কার্যকর ব্যবস্থা নেবেন বলে আশা প্রকাশ করেছেন তিনি।

এদিকে, অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম বলেছেন, তার (মুজাহিদের স্ত্রী) এ বক্তব্যের কোনো ভিত্তি নেই। এক মামলায় দণ্ড কার্যকর হলে তার বিরুদ্ধে আর যে কয়টা মামলাই থাকুক না কেন সেগুলো অকার্যকর হবে। মৃত ব্যক্তির বিরুদ্ধে আদালতে কোনো প্রকার সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয় না। তাদের বিরুদ্ধে বিচারও চলে না।


লাইক এবং শেয়ার করুন
শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Leave a Reply

আরও অন্যান্য সংবাদ