,

AD
নববার্তা.কম এর সংবাদ পড়তে লাইক দিন নববার্তা এর ফেসবুক ফান পেজে

৩ লাখেরও বেশি মামলা ৩ মাসে

লাইক এবং শেয়ার করুন

স্টাফ রিপোর্টার : নানা অনিয়মের অভিযোগে গত তিন মাসে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের ট্রাফিক বিভাগ তিন লাখের বেশি মামলা করেছে।

ডিএমপির উপাত্ত মতে, আইন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে গড়ে প্রতিমাসে এক লাখের বেশি মামলা হচ্ছে। গত তিন মাসে জরিমানা করা হয়েছে, ১২ কোটি ৮৫ লাখ ৫২ হাজার ৯৮৭ টাকা। ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের ট্রাফিক বিভাগ থেকে জানা গেছে, চলতি বছরের গত জানুয়ারি মাস থেকে মার্চ মাস পর্যন্ত ট্রাফিক বিভাগ আইন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে হার্ডলাইনে অবস্থান নিয়েছে। আইন অমান্য করলে মামলা ও জরিমানা করা হচ্ছে। অনেক ক্ষেত্রে গাড়ি পাঠিয়ে দেয়া হচ্ছে ড্রাম্পিংয়ে।

ট্রাফিক বিভাগের তথ্যমতে, মাইক্রোবাসে কালো গ্লাস লাগানোর বিরুদ্ধে ৫৬৩টি মামলা, উল্টো পথে গাড়ি চালানোর ঘটনায় ২৭ হাজার ৮১২টি মামলা, বিকট লাইটের কারণে ৯১০টি অভিযোগ, হাইড্রোলিক হর্নের কারণে ৯৪৮৫টি অভিযোগ, মোটরসাইকেলের মোট মামলা ৯২ হাজারেরও বেশি, মোটরসাইকেল আটক ৮৯৪টি। তবে ট্রাফিক বিভাগের কড়াকড়ি আরোপের পরও অনেক স্পটে এখনও ভয়াবহ যানজট সৃষ্টি হচ্ছে। আর যানজট দেখলে ফুটপাট দিয়েও মোটরসাইকেল চলাচল করে। পুলিশ সদস্যদেরও প্রায় সময় এইভাবে ফুটপাত দিয়ে মোটরবাইক চালাতে দেখা যায়। অনেক ক্ষেত্রে ট্রাফিক সাজেন্টরা প্রায় প্রাইভেটকারসহ অন্যান্য যানবাহন তল্লাশির নামে আধিপত্য বিস্তার করে। গাড়ির কাগজপত্র সঠিক থাকলেও নানা অজুহাত ধমকের সুরে কথা বলেন। মানসিক নির্যাতনের লক্ষ্যে নানা ধরনের কথা বলেন।

অভিযোগ রয়েছে, বর্তমান সরকারের ডিজিটাল যুগে অনেক ক্ষেত্রে উন্নতি হলেও রাজধানীর অধিকাংশ ট্রাফিক সিগনাল পয়েন্ট এখনও চলে এনালগ পদ্ধতিতে। সিগনাল বাতি আছে, জ্বলে না। অনেক সময় সিগনাল লাইট জ্বললে ট্রাফিক কনস্টেবলের হাতের ইশরায় ট্রাফিক সিগনালে যানবাহন চলাচল করে। হাত না নাড়ালে গাড়ি চলে না। হাত নাড়ালে বা হাতের লাঠি নাড়লেই গাড়ি ছাড়ে।

এই সম্পর্কে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের ট্রাফিক বিভাগের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, ট্রাফিক আইন মেনে চলার জন্য পুলিশ কাজ করছে। এই লক্ষ্যে ট্রাফিক বিভাগের তৎপরতা জোরদার করা হয়েছে।

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের ট্রাফিক বিভাগের অতিরিক্ত কমিশনার মোসলেহ্ উদ্দিন আহমদ বলেন, ট্রাফিক ব্যবস্থা উন্নত করার জন্য কাজ চলছে। আইন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে মামলা ও জরিমানা করা হচ্ছে। আর পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে কোন সাজেন্ট অনিয়ম করলে তার বিরুদ্ধে তদন্ত করে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে।


লাইক এবং শেয়ার করুন
শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Leave a Reply

আরও অন্যান্য সংবাদ