,

AD
নববার্তা.কম এর সংবাদ পড়তে লাইক দিন নববার্তা এর ফেসবুক ফান পেজে

হান্নানের ফাঁসি কার্যকরের প্রস্তুতি চলছে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

লাইক এবং শেয়ার করুন

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল জানিয়েছেন, হরকাতুল জিহাদের নেতা মুফতি হান্নানের মৃত্যুদণ্ড যত তাড়াতাড়ি সম্ভব কার্যকর করার প্রস্তুতি চলছে। রবিবার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা জানান। তিনি বলেন, কারাবিধি অনুসারে আমরা মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের প্রস্তুতি নিচ্ছি। জানা যায়, এক প্রশ্নের উত্তরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, মুফতি হান্নানের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার সঙ্গে কোনো জঙ্গি হামলার হুমকি নেই। প্রাণভিক্ষা চেয়ে মুফতি হান্নানের করা আবেদন খারিজ করে দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ। এখন জেল কোড অনুযায়ী তার ফাঁসি কার্যকরের পরবর্তী ব্যবস্থা নেয়া হবে।

নববর্ষের নিরাপত্তাব্যবস্থা নিয়ে এক প্রশ্নের উত্তরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরো বলেন, পুলিশ ও র‍্যাবসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কয়েক হাজার সদস্য পয়লা বৈশাখে দেশে নিরাপত্তার দায়িত্বপালন করবে। ইতোমধ্যে তিনজনের ফাঁসি কার্যকরের প্রস্তুতি শুরু করেছে কাশিমপুর ও সিলেট কারাগার। কাশিমপুর কারা সূত্র জানায়, শনিবার রাতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্যের পরপরই ফাঁসি কার্যকরের প্রস্তুতি শুরু করা হয়েছে। রবিবার জল্লাদদের তালিকা তৈরি করে তাদের ফাঁসির মহড়া দেয়ার কথা রয়েছে।

মুফতি আব্দুল হান্নান ছাড়াও দণ্ডপ্রাপ্ত অন্য আসামিরা হলেন- দেলোয়ার হোসেন রিপন ও শরিফ শাহেদুল। তাদের মধ্যে মুফতি হান্নান ও শরীফ শাহেদুলকে কাশিমপুরের হাইসিকিউরিটি কারাগারে রাখা হয়েছে। রিপন সিলেট কেন্দ্রীয় কারাগারে আছেন। উল্লেখ্য, ২০০৪ সালের ২১ মে সিলেটে হজরত শাহজালাল (রহ.)-এর মাজারে যান ঢাকায় নিযুক্ত তৎকালীন ব্রিটিশ হাইকমিশনার আনোয়ার চৌধুরী। ফেরার পথে ফটকের কাছে গ্রেনেড হামলায় আনোয়ার চৌধুরীসহ বেশ কয়েকজন আহত হন, নিহত হন পুলিশের দুই কর্মকর্তাসহ তিনজন।

এ ঘটনায় করা মামলায় ২০০৮ সালের ২৩ ডিসেম্বর সিলেটের দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল জঙ্গিনেতা মুফতি হান্নান, জঙ্গি শরিফ শাহেদুল ও দেলোয়ারকে মৃত্যুদণ্ড এবং মহিবুল্লাহ ওরফে মফিজুর রহমান ও আবু জান্দালকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন। গত বছরের ফেব্রুয়ারিতে হাইকোর্ট নিম্ন আদালতের রায় বহাল রাখেন। গত ৭ ডিসেম্বর মৃত্যুদণ্ডাদেশ বহাল রেখে হাইকোর্টের দেয়া রায়ের বিরুদ্ধে মুফতি হান্নানসহ তিন জঙ্গির আপিল শুনানি শেষে আপিল বিভাগ খারিজ করেন। গত ১৭ জানুয়ারি আপিল বিভাগের ৬৫ পৃষ্ঠার পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ করা হয়।

উচ্চ আদালতের আপিল শুনানি ও রিভিউ খারিজের পর তাদের ফাঁসি কার্যকরে আর কোনো বাধা ছিল না। মার্চের শেষ সপ্তাহে দুই ধাপে তারা রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণভিক্ষা চেয়ে আবেদন করেন। তবে শনিবার রাতে সেই আবেদন খারিজ হয়ে যায়।


লাইক এবং শেয়ার করুন
শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Leave a Reply

আরও অন্যান্য সংবাদ