,

AD
নববার্তা.কম এর সংবাদ পড়তে লাইক দিন নববার্তা এর ফেসবুক ফান পেজে

নতুন সিইসির দায়িত্বে সাবেক সচিব কে এম নুরুল হুদা

লাইক এবং শেয়ার করুন

দেশের ১২তম নির্বাচন কমিশনের নেতৃত্বে রণাঙ্গনের মুক্তিযোদ্ধা ও সাবেক সচিব কে এম নুরুল হুদাকেই বেছে নিলেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ। সোমবার রাত নয়টার পর এক সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম এ তথ্য জানান। নির্বাচন কমিশন পুর্নগঠনে গঠিত সার্চ কমিটি প্রধান নির্বাচন কমিশনার পদে সাবেক সচিব নুরুল হুদা এবং আলী ইমাম মজুমদারের নাম সুপারিশ করে। আলী ইমামের নাম অবশ্য ২০১২ সালে ১১তম কমিশন পুনর্গঠনের সময়েও সুপারিশ করা হয়েছিল।
 
চারজন কমিশনারসহ প্রধান নির্বাচন কমিশনারের নিয়োগ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন আজ রাত বা আগামীকালই জারি করা হতে পারে। তারা আগামী বুধবার শপথ নিতে পারেন। নুরুল হুদা ১৯৭৩ সালে মুক্তিযোদ্ধা হিসাবে সরকারি কর্মকমিশনের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে ওই বছরের ৩০ জুলাই প্রশাসন ক্যাডারে যোগ দেন। কে এম নুরুল হুদা চাকরিজীবনে ফরিদপুর ও কুমিল্লার জেলা প্রশাসক ছাড়াও কিছু মন্ত্রণালয়ের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন। কুমিল্লার জেলা প্রশাসক থাকার সময়ে বিএনপি সরকার নিয়োগকৃত ডিসি হিসাবে ১৯৯৬ সালের ১৫ ফেরুয়ারি ও তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনের ১২ জুলাই নির্বাচনে রিটার্নিং কর্মকর্তার দায়িত্ব পালন করেন। এ ছাড়া তিনি ১৯৮৫ সালে উপজেলা নির্বাচন ও ১৯৮৬ সালের সংসদ নির্বাচনেও নির্বাচনী দায়িত্ব পালন করেন।
 
২০০১ সালের ২৪ জুলাই বিএনপি ক্ষমতায় এসে তাকে অন্যান্য কিছু কর্মকর্তার সঙ্গে বাধ্যতামূলক অবসর দেয়। সর্বোচ্চ আদালত অবশ্য বিএনপি সরকারের ওই আদেশ বেআইনি ঘোষণা করেন। পরে ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে তিনি ভূতাপেক্ষা পদোন্নতি পেয়ে সচিব হন এবং সকল ধরনের আর্থিক সুযোগ সুবিধা লাভ করেন। সর্বশেষ তিনি বাংলাদেশ মিউনিসিপাল ডেভেলপমেন্ট ফান্ডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ছিলেন।
 
রাষ্ট্রপতি নাম চূড়ান্ত করার পর তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়াতে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নুরুল হুদা বলেছেন, আমাদের প্রধান দায়িত্ব হলো নিরপেক্ষ নির্বাচন করা। সোমবার রাতে নুরুল হুদা বলেন, মাত্র কয়েক ঘণ্টা আগে জানলাম যে সিইসি হয়েছি। আমাদের টার্গেট হলো নিরপেক্ষ নির্বাচন করা, কনস্টিটিউশনকে অ্যাপ্লাই করা, সব দলের অংশগ্রহণে নির্বাচনের আয়োজন করা। সব কথা এখনই বলার সময় হয়নি। সামনে কী চ্যালেঞ্জ আছে, সেটা তো এখনও জানি না। ইমিডিয়েট চ্যালেঞ্জ কী, সেটাও জানি না।

তিনি আরও বলেন,আমার ওপর দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, এটা অনেক বড় দায়িত্ব। এই দায়িত্ব পালনের চেষ্টা করবো। ভবিষ্যত পরিকল্পনা বিষয়ে তিনি বলেন, পরিকল্পনার কথা বলার সময় এখনও হয়নি, এটা তো সাংবিধানিক পথ। আগে শপথ নেই, তারপর সহকর্মীদের সঙ্গে বসবো, কমিশনে যারা স্টাফ আছে তাদের সঙ্গে বসতে হবে। তারপরে কী কাজ আছে, সেটি অ্যাসেসমেন্ট করে বোঝা যাবে। এজন্য নিশ্চয়ই কিছু সময় লাগবে।


লাইক এবং শেয়ার করুন
শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

আরও অন্যান্য সংবাদ