,

AD
নববার্তা.কম এর সংবাদ পড়তে লাইক দিন নববার্তা এর ফেসবুক ফান পেজে

পর্নো সাইট নিয়ন্ত্রণ: দুই মন্ত্রীর একই মত

লাইক এবং শেয়ার করুন

দানিয়েল হাবীব নোভা: দেশে পর্নো সাইট একেবারে বন্ধ করা সম্ভব নয়। তবে কিছুটা নিয়ন্ত্রণে আনতে সরকার ইতোমধ্যে কাজ শুরু করেছে। এ বিষয়ে দু’প্রতিমন্ত্রী একই ধরনের মন্তব্য করেছেন। বাংলাদেশ কম্পপিউটার সমিতির শীর্ষ নেতারা বলছেন, পর্নো সাইট নিয়ন্ত্রণ উদ্যোগ নিলে প্রথমে হোয়াটস অ্যাপের মতো সোশ্যাল সাইট বন্ধ করতে হবে। তথ্য ও প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলক এ প্রসঙ্গে জানান, সাইটগুলোর তালিকা করেছে ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়। এ ব্যাপারে তিনি সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে যোগাযোগ করতে পরামর্শ দেন।

পলক স্বীকার করেন, ওই সব সাইট সম্পূর্ণ বন্ধ করা না গেলেও অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব। তবে প্রতিদিনই আইটি সেক্টরে নিত্য নতুন প্রযুক্তি উদ্ভাবন হচ্ছে, তার সঙ্গে পাল্লা দেয়াটা অনেকটাই কঠিন। এ বিষয়ে ডাক ও টেলিযোগাগ প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম বলেন, পর্নো সাইটের একটি তালিকা করে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনে (বিটিআরসি) দেয়া হয়েছে। তারা কাজ শুরু করেছে। তালিকায় কতগুলো সাইটের নাম আছে- এ প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, দেশি-বিদেশি মিলিয়ে ৩শ’রও বেশি নাম রয়েছে।

তারানা হালিমও জুনায়েদ আহমেদ পলকের সঙ্গে একমত পোষন করে বলেন, আসলেই ব্যাপারটা টেকনিক্যালি যথেষ্ট কঠিন। তবে একেবারে বন্ধ করা না গেলেও ওইসব সাইট নিয়ন্ত্রণ করা যাবে। তিনি বলেন, শিশুরা যেনো অবাধে পর্নোগ্রাফি সাইটে যেতে না পারেতার ওপর নজর রাখছে সরকার।
বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) চেয়ারম্যান সুনীল কান্তি বোস যমুনা নিউজ কে বলেন, মন্ত্রণালয়ের তালিকা অনুযায়ি কাজ শুরু করা হয়েছে। তবে ব্যাপারটা সহজ নয়।

বাংলাদেশ কম্পপিউটার সমিতির কেন্দ্রীয় সভাপতি আলী আশরাফ জানান, এসব সাইট বেশির ভাগই অন্য দেশের আইপিও ব্যাবহার করে থাকে। এক জরিপের তথ্য থেকে তিনি বলেন, অ্যাডাল্ট সাইট পর্নোহাবের জরিপে দেখা গেছে যেসব দেশে সবচেয়ে বেশি পর্নো দেখে, তারমধ্যে বাংলাদেশ আছে ২৭ নম্বরে। আশরাফ বলেন, বিকল্প নানা আইপিও, প্রক্সি সার্ভার, ভিএনপি’র মতো কিছু প্রযুক্তি ব্যবহার করে এসব সাইট ব্যবহার করা সম্ভব। তবে এসব প্রযুক্তি সবাই ব্যবহার করতে পারবে না। তিনি বলেন, সরকার পুরোপুরি বন্ধ করতে না পারলেও পর্নো সাইটগুলো অনেকটাই নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।

সমিতির অপর এক কেন্দ্রীয় নেতা জাহাঙ্গীর আলী টিপু- এর সঙ্গে যোগ করে বলেন, সরকার পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে আনলেও বিভিন্ন অ্যাপস ব্যবহার করেও পর্নো সাইট দেখা যায়। তিনি আরো বলেন,এই অ্যাপস বন্ধ করার মত প্রযুক্তি এখনো দেশে নেই। তারপরেও নিত্য নতুন অ্যাপস আসছে বাজারে। যাতে শুধু পর্নো ছবি ও ভিডিও দেখা এবং আদান প্রদান করা যায়।

টিপু আরো বলেন, যে সব ওয়েবসাইট বন্ধ করে দেয়া হয় সেগুলো ভিপিএন বা এই জাতীয় কোনও সার্ভারের মাধ্যমে খুলে তা ফের ব্যবহার করা যায়। এরকম সার্ভারগুলোর কাজই হল ব্লক করা কোনও ওয়েবসাইটকে খুলে দেওয়া। নির্দিষ্ট ওয়েবসাইটে গিয়ে ব্লক করা সাইটের লিঙ্ক দিলেই তা খুলে যাবে। তিনি একটি পরিসংখ্যানের বরাত দিয়ে বলেন, সাম্প্রতিককালে হোয়াটস অ্যাপের মাধ্যমে পর্ণ ক্লিপ বা ছবি সবচেয়ে বেশি আদানপ্রদান হয়। সেক্ষেত্রে সবার আগে হোয়াটস অ্যাপের মত সোশ্যাল সাইট বন্ধ করতে হবে।

— যমুনা নিউজ

লাইক এবং শেয়ার করুন
শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Leave a Reply

আরও অন্যান্য সংবাদ