,

AD
নববার্তা.কম এর সংবাদ পড়তে লাইক দিন নববার্তা এর ফেসবুক ফান পেজে

সুন্দরবনে বিদ্যুৎকেন্দ্র হবে- ভিত্তিহীন তথ্য দিচ্ছে উন্নয়নবিরোধীরা : প্রধানমন্ত্রী

লাইক এবং শেয়ার করুন

রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের কারণে সুন্দরবনের কোনো ক্ষতি হবে না— উন্নয়নবিরোধী একটি মহল মানুষকে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন তথ্য দিয়ে বিভ্রান্ত করছে বলে অভিযোগ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। শনিবার বিকেলে প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপন নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন। শেখ হাসিনা বলেন, দীর্ঘ দিন ধরে রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রের বিরুদ্ধে আন্দোলন চলছে— এতোদিন খোঁজার চেষ্টা করছিলাম এর পেছনে শক্তিটা কোথায়? এতোদিন পরে দেখলাম, খালেদা জিয়া সংবাদ সম্মেলন করে এ অপপ্রচারে সংহতি প্রকাশ করেছেন।

এ সময় রামপালে বিদ্যুনৎ কেন্দ্রটি যে সুন্দরবনের কোনো ক্ষতি করবে না এর ‘প্রমাণ’ দিয়ে প্রকল্পটি সরানোর দাবি প্রত্যাখ্যান করে তিনি বলেন, ‘দেশের উন্নয়নের জন্য- মানুষের কল্যাণের জন্য- যা কিছু ভালো মনে হবে আমি সেগুলো করবই। আমার উপর বিশ্বাস রাখুন- আমি বঙ্গবন্ধুর কন্যা। আমি এমন কোনো কাজ আগেও করিনি- ভবিষ্যতেও করব না যাতে দেশের এবং দেশের মানুষের সামান্যতম ক্ষতি করে।’ তিনি আরো বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে গঠিত আওয়ামী লীগ সবসময় উন্নয়নের জন্য সংগ্রাম করেছে এবং জাতির অধিকার প্রতিষ্ঠায় কাজ করেছে। আওয়ামী লীগের লক্ষ্য মানুষের মৌলিক অধিকার প্রতিষ্ঠিত করা। সরকার জনগণের সেবক- এটা আওয়ামী লীগই কাজের মধ্য দিয়ে প্রতিষ্ঠিত করেছে।

সম্মেলনে উপস্থিত রয়েছেন পরিবেশমন্ত্রী আনোয়ার হোসেন মঞ্জু, তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিপু, বিদ্যুৎ সচিব মনোয়ার ইসলাম। এর আগে সংবাদ সম্মেলনে শুরুতেই সংক্ষিপ্ত বক্তৃতা করেন প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিপু। তারপর রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্র নিয়ে একটি তথ্যচিত্র উপস্থাপন করেন বিদ্যুৎ বিভাগের পাওয়ার সেলের মহাপরিচালক মোহাম্মদ হোসাইন। বাংলাদেশ ও ভারতের যৌথ উদ্যোগে সুন্দরবনের নিকটবর্তী বাগেরহাটের রামপালে নির্মিত হচ্ছে কয়লাভিত্তিক তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্র। প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে ‘বাংলাদেশ-ইন্ডিয়া ফ্রেন্ডশিপ পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেড’।

প্রকল্পে সহায়তা করছে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড ও ভারতের এনটিপিসি লিমিটেড। প্রকল্প ব্যয় ধরা হয়েছে ১৪ হাজার ৫১০ কোটি টাকা। পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, প্রকল্পের জন্য ৪৩০ একর ভূমি উন্নয়ন কাজ শেষ হয়েছে। এছাড়া চলছে প্রাথমিক অবকাঠামোর কাজ। পরিবেশের বিশেষ করে সুন্দরবনের ক্ষতি হতে পারে এমন বক্তব্য সামনে এনে বিভিন্ন সংগঠন রামপালে কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র প্রকল্প নির্মাণের বিরোধিতা করছে। বামপন্থি দলগুলোর এই বিরোধিতার পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াও।


লাইক এবং শেয়ার করুন
শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

আরও অন্যান্য সংবাদ