,

AD
নববার্তা.কম এর সংবাদ পড়তে লাইক দিন নববার্তা এর ফেসবুক ফান পেজে

বিদেশ থেকে মাদক দেশে আসে না দেশের থেকে বিদেশ যাচ্ছে !

লাইক এবং শেয়ার করুন

ইয়াহিয়া ইসলাম,গাজীপুর # নতুন এক অপরাধের বিষয় সামনে আসেছে- প্রবাসীগন এখন দেশের বাহির থেকে না উল্ট আমাদের দেশ থেকে পাঠাছেন – ইয়াবা – ও যৌনকর্মী। আমার কাছে এমন এক ব্যাক্তির সন্ধ্যান এলো ঠিক এই বিষয়ের চক্রদের সাথে তিনিও কাজ করছেন। অনেক সময়ের ও কষ্টের পরে তার সাথে দেখ হল  নাম (হাবিব) থাকেন শাহ জালাল এয়ারপোটের আসে পাশেই ,আমি (সাংবাদিক) পরিচয়ে গোপন রাখে  তার সাথে কথা বলি ও তাকে কথার মাঝে প্রশ্ন করিলাম, যে এই দেশ থেকে প্রবাসে মাদক বা নারী পাঠিয়ে কি লাভ ? আমার জানামতে, বিদেশে এসব মাদক এবং যৌনকর্মীদের  অভাব নেই  ?

হাবিব এ কথার উত্তর দিলেন, প্রবা্সে বলতে দুবাই কাতার, সৌদি আরব, কুয়েত ,ওমান এর আশে পাশের দেশগুলোতে । এসব দেশে মেয়ে ও মাদক (ইয়াবা) পাওয়া এত সহজ নয় আর বাঙ্গালী প্রবাসী মানুষ যারা আছেন তাদের পাওয়া অসম্ভর এর কারণ এসব দেশ গুলো ইসলামিক নিয়ম চলে  । এই দেশ থেকে মাদক ও নারী’দের কে শুধু বাঙ্গালী প্রবাসী ভাইদের জন্যেই প্রথমদিকে পাঠান হত্ত। বর্তমানে সৌদি আরব,দুবাই, কুয়েত ,ওমান বিদেশগুলোর নাগরিকদের ইয়াবা ব্যবহার ও চাহিদার পরিমান  বেরছে । বাংলাদেশ থেকে ইয়াবা ও যৌনকর্মী(নারী) দেরকে  কিছু চক্র প্রবাসে পাঠান।

 এরপরে হাবিবের কাছ থেকে জানা গেল তারা এসব কাজ কি কি ভাবে করে যাচ্ছেন, ইয়াবা  সহজের পাঠাতে পারেন,  প্রবাসী কেউ পরিচিত ছুটিতে দেশে আসলে ফিরতি যাবার সময় তাদের কাছে না জানিয়ে বা জানিয়ে এই ঠিকানা বা উমক মানুষের কাছে পৌছিয়ে দিয়েন বলেন যেমন পিঠা, বিভিন্ন শুঁকন খাদ্য ও আঁচার এর ভিতরে মাদক ঢুকিয়ে দিয়ে দেন এসব চক্র গুলো লোকেরা । সব থেকে আঁচার এর ভিতরে ইয়াবা ঢুকিয়ে দিলে এয়ারপোর্টের চেকিং এর সময় ধরা পড়া অসম্ভব বলেন (হাবিব) সাথে আর ভয়কর এক কথা বলেন , তাদের অনেক ভাই আছেন যারা ফ্রি ভিসায় গিয়েছেন এইসব দেশগুলোতে, এখন প্রবাসে কর্মস্থানে কাজ না করে বেশি অর্থ আয়ের জন্য  গোপনে  প্রবাসেই মাদক ও নারীর ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছেন।

এরা সাথে এখন অনেক বিদেশি নাগরিকরা প্রবাসী বাঙ্গালীদের এই ইয়াবার সেবন ও ব্যবসার জন্য অধিক অর্থের সাহায্য করছে  । কারণ সৌদি আরব ,কাতার, দুবাই, ওমানের মত দেশগুলোতে ইয়াবা প্রবেশর পথ নেই বলেই চলে , কিন্তু বাংলাদেশ থেকে সহজেই প্রবেশ করা যাচ্ছে । প্রতিপিস ইয়াবা এই দেশ থেকে ২০০-২৫০টাকা কিনা হয়ে থাকে আর ঐসব দেশগুলোতে বাংলাদেশ টাকায় ১০০০-১২০০টাকা প্রতিপিস ইয়াবা বিক্রয় করা হয়ে থাকে। একটি আঁচারের ডিবা/ বয়েম ৫০০-৬০০  পিস ইয়াবা ডুকেয়ে দেওয়া যায়। ৩টা আঁচারের বয়েম বা ডিবাতে ১৬০০-২০০০পিস ইয়াবা পাঠায়ে দেয় এইসব  আপরাধ চক্র গুলো। মাসে কম পক্ষে ৩-৪ বার ইয়াবার চালান পাঠিয়ে থাকে প্রতিটি চক্র । আর বাংলাদেশ কিছু যৌনকর্মী আছেন, তারা প্রবাসে ফ্রি ভিসায় থাকেন তারা বড় পরিমানের ইয়াবা চালান নিয়ে যাচ্ছে ,এরপরে নিজেই ইয়াবা বিক্রয় করছে সাথে যৌন ব্যবসা চলছে, প্রবাসে বাঙ্গালী যৌনকর্মীদের অনেক চাহিদা আগের থেকে। এরপর আর কিছু তথ্য হাবিবের কাছ থেকে শুনতে চাওয়া আগে তার কিছু সহযোগী আমাকে সন্দেহ করে ফেলে তাই আমার তারাতারি হাবিবের ও ঐ স্থান থেকে চলে আসতে হয়।

হাবিব কাছ থেকে যেতটুক বিষয়কে জানতে পেরিছিলাম এতে হিসাবে একজন বাঙ্গালী প্রবাসি ইয়াবা এক চালান ,মানে ২০০০পিস ইয়াবা বিক্রয় করে সে নিজে লাভ করে বাংলাদেশের টাকায় ১২.০০০০০টাকা (বার লক্ষ টাকা) । মাসে কম হলেও তারা বাংলাদেশ থেকে ৩-৪ বার ইয়াবার চালান পাঠিয়ে থাকে। এই হিসাবে  ৩৬-৪৮ লক্ষ টাকা লাভ হয় বা ইনকাম করে বাঙ্গালী প্রবাসী ইয়াবা ব্যবসাহি ।


লাইক এবং শেয়ার করুন
শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Leave a Reply

আরও অন্যান্য সংবাদ