,

AD
নববার্তা.কম এর সংবাদ পড়তে লাইক দিন নববার্তা এর ফেসবুক ফান পেজে

মাইলস্টোন ম্যাচে তামিমের সেঞ্চুরি

লাইক এবং শেয়ার করুন

ম্যাচের মাত্র তৃতীয় বলেও কাঙ্খিত রানটা হয়ে গেল। এক দরকার ছিল। নিলেন দুই। ৯৯৯৯ রান ছিল। প্রথম বাংলাদেশি ক্রিকেটার হিসেবে তামিম ইকবাল পেরিয়ে গেলেন তিন সংস্করণ মিলে দশ হাজার রানের মাইলফলক। প্রথম বাংলাদেশি ক্রিকেটার হিসেবে। আর ডাম্বুলায় শনিবার টস হেরে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ব্যাট করছে বাংলাদেশ। তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজের প্রথমটিতেই সেঞ্চুরি করে ফেলেছেন তামিম। এই রিপোর্ট লেখার সময় লঙ্কানদের বিপক্ষে ৪২ ওভারে ৩ উইকেটে ২৩১ রান টাইগারদের। তামিম ১২৭ বলে ১০০ রানে ব্যাট করছেন। তার বন্ধু সাকিব আল হাসান আছেন ৪৭ রানে।

টস হেরে প্রথমে ব্যাটিংয়ে নেমে ২৯ রানের মাথায়ই সৌম্য সরকারকে হারিয়ে বসে বাংলাদেশ। তবে ডাম্বুলায় সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে তামিম-সাব্বির জুটির আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ শুরুর সেই ধাক্কা শুধু সামলেও উঠে। ২১.২ ওভারেই করে ফেলে ১১৯ রান। কিন্তু ক্যারিয়ারের চতুর্থ হাফসেঞ্চুরি পূর্ণ করার পরপরই প্যাভিলিয়নে ফিরে যান সাব্বির। ঠিক পরের ওভারে আউট হয়ে গেছেন মুশফিকুর রহীমও। ফলে ১ উইকেটে ১১৮ রান থেকে বাংলাদেশ মুহূর্তেই পরিণত ৩ উইকেটে ১২০ রানের দলে।

দিনের শুরুটা হয়েছিল তামিম ইকবালের ‌১০ হাজার রানের মাইফলফলক স্পর্শের মধ্যদিয়ে। ডাম্বুলার এই ম্যাচের আগে তিন সংস্করণের ক্রিকেট মিলিয়ে তামিমের রান ছিল ৯৯৯৯ রান। ১০ হাজারী ক্লাবে ঢুকতে দরকার ছিল মাত্রই ১ রান। লাকমলের করা প্রথম ওভারের তৃতীয় বলেই সেই মাইলফলক ছুঁয়ে ফেলেন তামিম। লাকমলের লেগ স্টাম্পের বাইরের বলটি স্কয়ার লেগে পাঠিয়ে দিয়ে তামিম নেন ২ রান। বাংলাদেশ খুলে রানের খাতা। তামিম ভাসেন ওই মাইলফলক স্পর্শের আনন্দে।

ইনিংসের শুরুতেই বাংলাদেশের প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে তামিমের ১০ হাজার আন্তর্জাতিক রান পূর্ণ করার আনন্দের রেশ না কাটতেই ফিরে যান সৌম্য। তার বিদায়ের পর নেমেই পাল্টা আক্রমণের পথ বেছে নেন সাব্বির। তিনি নিজের রানের খাতাই খুলেন লাকমলকে চার মেরে। থিসারা পরের পরের ওভারে হাঁকান পরপর তিনটি চার! ব্যাটে সেই আগ্রাসন ধরে রেখেই ক্যারিয়ারের চতুর্থ হাফসেঞ্চুরি পূর্ণ করা সাব্বির ৫৪ রান করেছেন।  ৫৬ বলের ইনিংসে চার মেরেছেন ১০টি! তুলনায় তামিম অনেকটাই ধৈর্যশীল। ৯০ রানের জুটি গড়েছেন তারা।

বাংলাদেশ এই ম্যাচের আগ পর্যন্ত খেলেছে ৩২১টি ওয়ানডে ম্যাচ। শুরুটা ১৯৮৬ সালে। দীর্ঘ পথযাত্রায় তারা ১০১টি ম্যাচ জিতেছে। হেরেছে ২১৬টিতে। ফল হয়নি ৪টির। দলীয় সর্বোচ্চ রান ৩২৯। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে টাইগাররা খেলেছে মোট ৩৮টি ম্যাচ। ম্যাচের হিসেবে অনেক হলেও জয় মাত্র ৪টিতে। বাকি ৩৩ ম্যাচে হার, ১টিতে ফল নেই। শেষ ৫ ম্যাচেই বাংলাদেশের হার। কিন্তু ২০১৩ সালে লঙ্কার হাম্বানটোটায় ৩ উইকেটে ম্যাচ জিতে সিরিজ ১-১ এ ড্র করেছিল টাইগাররা। শ্রীলঙ্কায় শেষ ম্যাচে জয়ের সাথে আছে মাত্র কদিন আগে শ্রীলঙ্কার মাটিতে শ্রীলঙ্কাকে টেস্টে হারানোর প্রেরণাও।

বাংলাদেশ একাদশ :

তামিম ইকবাল, সৌম্য সরকার, সাব্বির রহমান, মুশফিকুর রহীম, সাকিব আল হাসান, মাহমুদউল্লাহ, মোসাদ্দেক হোসেন, মেহেদী হাসান মিরাজ, মাশরাফি বিন মুর্তজা (অধিনায়ক), তাসকিন আহমেদ, মোস্তাফিজুর রহমান।

শ্রীলঙ্কা একাদশ :

দাসুনকা গুনাথিলাকা, উপুল থারাঙ্গা (অধিনায়ক), কুশল মেন্ডিস, দিনেশ চান্ডিমাল (উইকেটকিপার), আসেলা গুনারত্নে, মিলিন্দা সিরিওয়ার্দানে, সাচিথ পাথিরানা, থিসারা পেরেরা, সুরঙ্গা লাকমল, লক্ষ্মণ সান্দাকান ও লাহিরু কুমারা।


লাইক এবং শেয়ার করুন
শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Leave a Reply

আরও অন্যান্য সংবাদ