,

AD
নববার্তা.কম এর সংবাদ পড়তে লাইক দিন নববার্তা এর ফেসবুক ফান পেজে

অবশেষে দ্যা ফিজ’রাই আইপিএল- ২০১৬ চ্যাম্পিয়ন

লাইক এবং শেয়ার করুন

টস জিতেও সানরাইজার্স হায়দারাবাদ অধিনায়ক ডেভিড ওয়ার্নার ব্যাটিং নিয়েছিলেন বোলারদের ওপর আস্থা রেখে। ২০৯ রানের টার্গেট বেধে দেয়ার পর চ্যাম্পিয়নশিপটাও যেন নিজেদের করে নিয়েছিল মুস্তাফিজরা। রয়েল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালুরুর ব্যাটসম্যানরাও জবাব দিয়েছিল বেশ। তবে শেষ পর্যন্ত সেই বোলারদের নৈপুন্যেই আইপিএল নবম আসরের শিরোপা জিতে নিল মুস্তাফিজুর রহমানের সানরাইজার্স হায়দারাবাদ। রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স  ব্যাঙ্গালারুরের পাড়ায় গিয়ে ওয়ার্নার দেখালেন, তিনি এমন নেতা যে, তিনি যেখানে যাবেন, সেটাই তার পাড়া হবে। তাই আইপিএল ফাইনালেও বিধ্বংসী ফর্মে ডেভিড ওয়ার্নার। যেমন ব্যাটিংয়ে তেমনই নেতৃত্বে। 
Sunrisers Hyderabadভারতের জাতীয় দলে ঢোকার মাপকাঠি এখন হয়ে গিয়েছে আইপিএল। এখানে ভালো খেললেই গায়ে পড়া যায় নীল জার্সি। সেই কথা ভাবলে অস্ট্রেলিয়ার ক্যাপ্টেন্সির ভার এখনই তুলে দেওয়া উচিত ডেভিড ওয়ার্নারের হাতে। এবারের আইপিএল শুরু হওয়ার আগে কেই ভাবেননি চ্যাম্পিয়ন হবে সানরাইজার্স। কিন্তু আইপিএল দেখালো  ব্যাঙ্গালোরের রাতের আকাশেও ঝলমলে সূর্য দেখা গেল! অবশ্যই ওয়ার্নার, কাটিং, মুস্তাফিজুর, যুবরাজ, ভুবনেশ্বরদের সৌজন্যে। প্রথমবার আইপিএল চ্যাম্পিয়ন হওয়ার স্বাদ পেল সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। এর আগে দ্বিতীয় আইপিএল জিতেছিল হায়দরাবাদেরই ডেকান চার্জার্স। কিন্তু সানরাইজার্স হওয়ার পর হায়দরাবাদে এবারই ট্রফি গেল প্রথমবার। ৮ রানে জিতে গেল সানরাইজার্স।

এদিন টস জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেন সানরাইজার্স ক্যাপ্টেন ডেভিড ওয়ার্নার। ৩৮ বলে ৬৯ রানের ঝোড়ো ইনিংস খেলেন তিনি। তার ওপেনিং পার্টনার শিখর ধাওয়ান করেন ২৫ বলে ২৮ রান। মোজেস এনরিকস ৫ বল খেলে ৪ রান করে আউট হয়ে যান। ২৩ বলে ৩৮ রানের ঝোড়ো ইনিংস যুবরাজ সিংয়ের। বয়স হয়েছে। সেই দিন আর নেই। তা হলেও যুবরাজ সিং যে বড় ম্যাচের প্লেয়ার, সেটা আরও একবার প্রমাণ করে গেলেন। এরপর একের পর এক উইকেট পড়তে থাকে সানরাইজার্সের। দীপক হুডা গোটা আইপিএলেই ব্যর্থ। এদিনও করলেন ৬ বল খেলে ৩ রান। নমন ওঝা রান আউট হলেন ৪ বলে ৭ রান করে। আগের ম্যাচে অন্যতম নায়ক বিপুল শর্মা অবশ্য এদিন রান পেলেন না। করলেন ৩ বলে ৫ রান। 
তবে, শেষদিকে সানরাইজার্সের ইনিংস টানলেন বেন কাটিং। তিনি অপরাজিত থাকেন ১৫ বলে ৩৯ রান করে। বেন কাটিং ছাড়া ২০০ রানের উপর করা কিছুতেই সম্ভব ছিল না। সব মিলিয়ে ২০ ওভারে ৭ উইকেটে ২০৮ রান তোলে ডেভিড ওয়ার্নারের দল। রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের হয়ে ৩ উইকেট নিয়েছেন জর্ডন। দুটো উইকেট অরবিন্দের। এবং একটি উইকেট পেয়েছেন যজুবেন্দ্র চাহাল।

জবাবে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা দুর্দান্ত করেন ক্রিস গেইল এবং বিরাট কোহলি। দুজনে প্রথম উইকেটের জুটিতে ১০.৩ ওভারে তুলে ফেলেন ১১৪ রান! ক্রিস গেইল আউট হন ৩৮ বলে ৭৬ রানের দুর্দান্ত ইনিংস খেলে। কম যান না বিরাটও। গেইল আউট হওয়ার পর হাত খোলেন তিনিও। ৩৫ বলে ৫৪ রানের ইনিংস খেলে আউট হন তিনি।আগের ম্যাচের নায়ক এবি ডিভিলিয়ার্স অবশ্য এদিন রান পাননি। ৬ বলে ৫ রান করে আউট হয়ে যান তিনি। ৯ বলে ১১ করে ডাগ আউটে ফেরেন রাহুল। শেন ওয়াটসনের অবদানও তাই। ৯ বলে ১১ রান। ৭ বলে ৯ করে আউট হয়ে যান স্টুয়ার্ট বিনি। শেষ ওভারে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের জেতার জন্য দরকার ছিল ১৮ রান! ক্রিজে ছিলেন শচিন বেবি এবং জর্ডন। কিন্তু তাদের পক্ষে এই রান তোলা সম্ভব ছিল না। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ৭ উইকেটে ২০০ তোলে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর। এই নিয়ে তিনবার আইপিএল ফাইনালে হারলো য়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরআরসিবি।


লাইক এবং শেয়ার করুন
শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Leave a Reply

আরও অন্যান্য সংবাদ