,

AD
নববার্তা.কম এর সংবাদ পড়তে লাইক দিন নববার্তা এর ফেসবুক ফান পেজে

রিজার্ভ চুরির ঘটনায় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তারা জড়িত

লাইক এবং শেয়ার করুন

রিজার্ভ চুরির ঘটনায় বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তাদের সম্পৃক্তার প্রমাণ পাওয়া গেছে—তদন্ত প্রতিবেদন অর্থমন্ত্রীন আবুল মাল আবদুল মুহিতের কাছে জমা দিয়েছে এ বিষয়ে গঠিত কমিটি। সোমবার তদন্ত কমিটির প্রধান কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ফরাস উদ্দিন অর্থমন্ত্রীর কাছে পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন জমা দেন। এ সময় তিনি বলেন, রিজার্ভ চুরির ঘটনায় সুইফট শুধু এড়াতে পারে না কর্মকর্তারা সমান দায়ী—আগামী বাজেটের পর তা প্রকাশ করা হবে। এর আগে গত ২০ এপ্রিল বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চুরির ঘটনায় সরকার গঠিত তদন্ত কমিটি অন্তর্বর্তীকালীন তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেয়।

নিউইয়র্কের ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংকে থাকা বাংলাদেশ ব্যাংকের অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা চুরির বিষয়ে অন্তবর্তীকালীন প্রতিবেদন জমা দিয়েছে তদন্ত কমিটি। বুধবার সচিবালয়ে এ বিষয়ে বৈঠক চলছে। অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের কাছে এ প্রতিবেদন জমা দেন কমিটির প্রধান বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড. ফরাসউদ্দিন। গত ১৫ মার্চ নিউইয়র্কের ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংকে থাকা বাংলাদেশ ব্যাংকের অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা চুরির ঘটনায় বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড. ফরাসউদ্দিনকে প্রধান করে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়।

কমিটির অন্য দুজন সদস্য হলেন-বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউচার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক মোহাম্মদ কায়কোবাদ এবং অর্থ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব গকুল চাঁদ দাস। ও্ইদিনই মুদ্রা পাচার আইনে মতিঝিল থানায় একটি মামলা দায়ের করে বাংলাদেশ ব্যাংক। বাংলাদেশ ব্যাংকের একাউন্টস অ্যান্ড বাজেটিং ডিপার্টমেন্টের যুগ্ম পরিচালক জোবায়ের বিন হুদা মামলাটি দায়ের করেন। মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, মোট পাঁচটি বার্তার মাধ্যমে ১০১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার অবৈধভাবে বিদেশে পাচার হয়।

এতে উল্লেখ করা হয়, কিছু তথ্য হাতে না থাকায় মামলা করতে বাংলাদেশ ব্যাংক কিছুটা সময় নিয়েছে। এদিকে, মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে মামলাটি হওয়ায় এর তদন্ত করছে পুলিশে গোয়েন্দা বিভাগ-সিআইডি। বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ থেকে ১০ কোটি ১০ লাখ ডলার চুরির ঘটনায়, মার্চের ১৫ তারিখে ড. ফরাসউদ্দিনের নেতৃত্বে একটি তদন্ত কমিটি করে সরকার। ঘটনার রহস্য উদঘাটনে এ তদন্ত কমিটিকে এক মাসের মধ্যে অন্তর্বর্তীকালীন প্রতিবেদন এবং আড়াই মাসের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন দেওয়ার নির্দেশনা দেয় অর্থ মন্ত্রণালয়।


লাইক এবং শেয়ার করুন
শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

আরও অন্যান্য সংবাদ