,

AD
নববার্তা.কম এর সংবাদ পড়তে লাইক দিন নববার্তা এর ফেসবুক ফান পেজে

১৩ মন স্বর্ণ এবং ৪২৭ গ্রাম হীরার বৈধ কাগজ নেই আপন জুয়েলার্সের

লাইক এবং শেয়ার করুন

বনানী দু’জন ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে মামলায় প্রধান অভিযুক্ত সাফাত আহমেদের বাবা দিলদার আহমেদ এবং তার দুই ভাই আপন জুয়েলার্স এর মালিক। তারা তিন ভাই তলবের কারণে আজ (বুধবার) শুল্ক অধিদপ্তরে গিয়েছিলেন। বাংলাদেশের শুল্ক গোয়েন্দারা বলছেন আপন জুয়েলার্সের কর্ণধাররা জব্দকৃত সাড়ে ১৩ মন স্বর্ণ এবং ৪২৭ গ্রাম হীরার বৈধ কাগজ দেখাতে পারেননি। শুল্ক গোয়েন্দা অধিদপ্তর গত কয়েকদিনে দু’দফায় অভিযান চালিয়ে বনানী ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামীর পরিবারের মালিকানাধীন আপন জুয়েলার্স এর পাঁচটি বিক্রয় কেন্দ্র বন্ধ করে দেয়। সেগুলো থেকে অবৈধ সন্দেহে এসব অবৈধ স্বর্ণ এবং হীরা উদ্ধার করার কথা বলা হয়েছিলো। বৈধ কাগজ দেখানো এবং জিজ্ঞাসাবাদের জন্য মালিকপক্ষকে তলব করা হয়েছিল।

একইসাথে শুল্ক অধিদপ্তর বলেছে, সাড়ে ১৩ মণ স্বর্ণের মধ্যে খুব বেশি হলে দশ কেজির মতো স্বর্ণ কিছু গ্রাহকের হতে পারে- এটা মালিকরা জিজ্ঞাসাবাদে বলেছে।ফলে গ্রাহকদের স্বর্ণ বাছাই করে তা ফেরত দেয়ার ব্যবস্থাও নেয়া হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখি হওয়ার পর বেরিয়ে সাংবাদিকদের মুখে পড়েন দিলদার আহমেদসহ আপন জুয়েলার্স এর তিন মালিক। সেখানে সাংবাদিকদের প্রশ্নে দিলদার আহমেদ দাবি করেছেন, “তিনি বৈধভাবে ব্যবসা করেন। তার মতই একইভাবে সারাদেশে অন্য স্বর্ণ ব্যবসায়ীরাও ব্যবসা করেন। তিনি প্রশ্ন করেন — শুধু তার দোকান কেন বন্ধ করা হলো? সারাদেশের সব দোকান বন্ধ করা উচিত”।

শুল্ক গোয়েন্দা অধিদপ্তরের প্রধান ড: মইনুল খান বলেছেন, তাদের অভিযানে উদ্ধার করা আড়াইশ কোটি টাকা মূল্যের ৪৯৮ কেজি স্বর্ণ এবং ৪২৭গ্রাম হীরার ব্যাপারে মালিকপক্ষ কোন বৈধ কাগজ দেখাতে পারেনি। এরপরও আরও নিশ্চিত হওয়ার জন্য এই মালিকদের বৈধ কাগজ দেখানোর জন্য ২৩শে মে পর্যন্ত সময় দেয়া হয়েছে। সেদিন তারা বৈধতার প্রমাণ দিতে পারলে আটক স্বর্ণ ছাড়া পাবে।তা নাহলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে তিনি উল্লেখ করেছেন। বৈধ কাগজ না থাকলে স্বর্ণ পাচারের অভিযোগে এবং শুল্ক আইনে মামলা হতে পারে বলেও বলা হয়েছে।


লাইক এবং শেয়ার করুন
শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Leave a Reply

আরও অন্যান্য সংবাদ