,

AD
নববার্তা.কম এর সংবাদ পড়তে লাইক দিন নববার্তা এর ফেসবুক ফান পেজে

ধর্ষক নাঈমের সাথে অভিনেত্রী রাহার সম্পর্কের কথা অস্বীকার

লাইক এবং শেয়ার করুন

নিজস্ব প্রতিবেদক :

বনানীর চাঞ্চল্যকর দুই তরুণী ধর্ষণ মামলার আসামি নাঈম আশরাফের সাথে সম্পর্কের কথা অস্বীকার করলেন মডেল-অভিনেত্রী রাহা তানহা খান। রাহা বলেন, আসামি নাঈম আশরাফের সঙ্গে আমার কোনো রকম সম্পর্ক নেই, তাকে চিনতামও না।

রবিবার সন্ধ্যায় গণমাধ্যমের কাছে অস্বীকার করেন তিনি। শনিবার রাত থেকে রাহার সঙ্গে ধর্ষক নাঈম আশরাফের একটি সেলফি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে। ছবির ক্যাপশনে লেখা ছিল ওইদিনের ঘটনায় রাহাও ধর্ষিত হয়েছেন। কিন্তু এটা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও অনুমান নির্ভর কথা বলে জানান রাহা।

রাহা বলেন, বন্ধুরা মিলে একটি রেস্টুরেন্টে খেতে গিয়েছিলাম। সেখানে আশরাফ আমার কাছে এসে বলে যে সে আমাকে নেহা কক্করের একটি অনুষ্ঠানে ড্যান্স করার জন্য ফোন দিয়েছিল। কিন্তু আমি রেসপন্স করিনি। ওইদিনই আলাপের একপর্যায়ে সে আমার সঙ্গে ছবি তুলতে চায়। প্রকাশিত ছবিটি সেসময়েই তোলা। আমি মিডিয়াতে কাজ করি। অনেকেই দেখা হলে আমার সঙ্গে ছবি তোলেন। তাদের মধ্যে কে ভালো কে মন্দ এটা তো বোঝার উপায় নেই।

তিনি আরো বলেন, ছবিটি প্রকাশের পর আমি সামাজিকভাবে হেয় হয়েছি। সবার প্রতি আমার একটাই চাওয়া আমাদের পরিবার ও সামাজিক একটা অবস্থান রয়েছে। তাই কোনো গুজব ছড়ানোর আগে বিষয়টি সবার খেয়াল করা দরকার।

এদিকে ওই ঘটনার ৩ আসামি সাফাত আহমেদ, নাঈম আশরাফ ও সাদমান সাকিফ এখন রিমান্ডে আছেন। ধর্ষক সাফাত এরই মধ্যে বেশ ক’জন মডেল ও নায়িকার সঙ্গে তাদের অবৈধ সম্পর্কের কথা স্বীকার করেছেন। তবে তাদের নাম জানায়নি কর্মকর্তারা।

সাফাত আহমেদের সঙ্গে বাংলাদেশের সিনেমা জগতের ৪ জন নায়িকার সঙ্গে নিয়মিত অবৈধ সম্পর্ক রয়েছে। যাদের সঙ্গে অর্থের বিনিময়ে তিনি অনৈতিকভাবে মেলামেশা করতেন। এছাড়া প্রায় এক ডজন বান্ধবীর নাম ফাঁস করেছেন, যাদের সঙ্গে তার শারীরিক সম্পর্কের কথাও খোলামেলা স্বীকার করেছেন। এ সব বান্ধবীদের মধ্যে উঠতি কয়েকজন মডেলও রয়েছেন।

রিমান্ডের প্রথম দিনেই গোয়েন্দাদের জিজ্ঞাসাবাদে এমন তথ্য জানিয়েছেন সাফাত। তিনি বলেন, প্রতি রাতেই তিনি ও তার বন্ধুরা পার্টি করতেন। পাঁচ তারকাসহ রাজধানীর বিভিন্ন অভিজাত হোটেলে আয়োজিত এসব পার্টিতে বন্ধু-বান্ধবীরা হাজির থাকতেন।

জিজ্ঞাসাবাদে সাফাত আহমেদ আরো জানান, তাদের ২০ থেকে ২২ জন বন্ধুর একটি গ্রুপ আছে। এ গ্রুপে তাদের বন্ধুদের মধ্যে দেশের বেশ কয়েকজন শিল্পপতি, রাজনৈতিক নেতা ও সমাজের প্রভাবশালীদের সন্তান রয়েছে। তারা রাত হলেই একটি স্থানে জড়ো হন। প্রতিরাতেই তারা পাঁচ তারকা হোটেলে বিভিন্ন পার্টি ছাড়াও রেসিং কার নিয়ে লং ড্রাইভে যেতেন। মাঝে মধ্যে ভারত, সিঙ্গাপুর, থাইল্যান্ডসহ আশপাশের দেশে দল বেঁধে বান্ধবীদের নিয়ে ঘুরতে যেতেন।


লাইক এবং শেয়ার করুন
শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Leave a Reply

আরও অন্যান্য সংবাদ