AD
নববার্তা.কম এর সংবাদ পড়তে লাইক দিন নববার্তা এর ফেসবুক ফান পেজে

দীপন হত্যা, টুটুলকে হত্যাচেষ্টার মূলহোতা সবুর রিমান্ডে

লাইক এবং শেয়ার করুন

জাগৃতি প্রকাশনীর স্বত্বাধিকারী ফয়সল আরেফিন দীপন হত্যা এবং শুদ্ধস্বরের স্বত্বাধিকারী আহমেদুর রশীদ চৌধুরী টুটুল হত্যাচেষ্টার মূলহোতা আবদুস সবুরকে ৬ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছে আদালত। রোববার ঢাকার মহানগর হাকিম কায়সারুল ইসলাম এ আদেশ দেন। এ মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ডিবির পরিদর্শক মোহাম্মদ বাহাউদ্দিন আসামি সবুরকে আদালতে হাজির করে ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন। আবেদনে বলা হয়, প্রকাশক আহমেদুর রশীদ টুটুলকে হত্যাচেষ্টায় এই আসামির জড়িত থাকার প্রাথমিক প্রমাণ পাওয়া গেছে। এ ঘটনার সঙ্গে আর কেউ জড়িত কি না, তা জানতে তাঁকে রিমান্ডে নেওয়া প্রয়োজন।

সকালে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কাউন্টার টেররিজম ইউনিটের প্রধান মনিরুল ইসলাম সাংবাদিকদের জানান, শনিবার রাতে টঙ্গীর রেলস্টেশন থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। রাজু, সাজু ও সামাদ নামেও পরিচিত ছিল সবুর তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য এরইমধ্যে ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করে পুলিশ বলে জানান তিনি। সংবাদ সম্মেলনে মনিরুল ইসলাম বলেন, আবদুস সবুর আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের সদস্য ও পুরস্কার ঘোষিত আসামি— এর আগে তার ছবি প্রকাশ করে দুই লাখ টাকা পুরস্কার ঘোষণা করা হয়।

তিনি বলেন, সবুর এবিটির সদস্যদের উদ্বুদ্ধ করার কাজ করত— জঙ্গি গোষ্ঠীগুলো তরুণদের নিশানা করে এবং অপেক্ষাকৃত কম বুদ্ধিসম্পন্নদের হত্যাকাণ্ডে ব্যবহার করে। সবুর ঘটনাস্থলে উপস্থিত না থাকলেও মুক্তমনা ব্লগের প্রতিষ্ঠাতা ও বিজ্ঞান লেখক অভিজিৎ রায় হত্যাকাণ্ড, জাগৃতি প্রকাশনীর দীপন হত্যাকাণ্ড ও শুদ্ধস্বর প্রকাশনীর টুটুল হত্যার পরিকল্পনা করা থেকে বাস্তবায়ন পর্যন্ত সব পর্যায়েই তার সম্পৃক্ততা পেয়েছে পুলিশ। সবুরের গ্রামের বাড়ি কুমিল্লায়। তিনি যাত্রাবাড়ীর ফরিদাবাদ মাদ্রাসার ছাত্র ছিলেন।

গত বছরের ৩১ অক্টোবর রাজধানীর আজিজ সুপার মার্কেটে জাগৃতি প্রকাশনীর অফিসে দীপনকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। একই দিন শুদ্ধস্বরের টুটুলসহ তিনজনের ওপর হামলা চালায় জঙ্গিরা। জানা গেছে, মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা শাখা (ডিবি-দক্ষিণ) গতকাল শনিবার রাতে টঙ্গী রেলওয়ে স্টেশন থেকে সবুরকে গ্রেপ্তার করে। ডিএমপি জানিয়েছে, গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তি রাজু, সাদ, সামাদ, সাজু নামেও পরিচিত। ডিএমপির উপকমিশনার (জনসংযোগ) মাসুদুর রহমান বলেন, দীপন হত্যা ও টুটুল হত্যাচেষ্টার অন্যতম হোতা ছিলেন সবুর।

গতবছর ৩১ অক্টোবর রাজধানীর আজিজ সুপার মার্কেটে জাগৃতি প্রকাশনীর অফিসে দীপনকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। একই দিন শুদ্ধস্বরের টুটুলসহ তিন জনের ওপর হামলা চালায় জঙ্গিরা। দীপন হত্যার মূল আসামিকে গ্রেপ্তারের দাবি করেছে পুলিশ। তার নাম মইনুল হাসান শামীম। তাকে গত ২৩ আগস্ট সন্ধ্যায় টঙ্গীর চেরাগ আলী মার্কেটের সামনে থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশ জানিয়েছে, জিজ্ঞাসাবাদে দীপনকে হত্যার কথা শামীম স্বীকার করেছে। টুটুলকে হত্যাচেষ্টার ঘটনায় সুমন পাটোয়ারি নামের সন্দেহভাজন এক ব্যক্তিকে গত ১৫ জুন বিমানবন্দর এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছে সে।


লাইক এবং শেয়ার করুন
শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

আরও অন্যান্য সংবাদ