,

AD
নববার্তা.কম এর সংবাদ পড়তে লাইক দিন নববার্তা এর ফেসবুক ফান পেজে

সজীব ওয়াজেদ জয়কে অপহরণ ষড়যন্ত্রের কথা জানতেন শফিক : তালেয়া

লাইক এবং শেয়ার করুন

প্রধানমন্ত্রী পুত্র সজীব ওয়াজেদ জয়কে অপহরণ ষড়যন্ত্রের বিষয়টি সাংবাদিক শফিক রেহমান অবহিত ছিলেন—বলে স্বীকার করেছেন তার স্ত্রী তালেয়া রেহমান। সোমবার দুপুরে রাজধানীতে নিজ বাসভবনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন। ষড়যন্ত্রের কথা জানলেও অর্থ লেনদেন করার মতো সামর্থ শফিক রেহমানের ছিল না বলেও জানান তিনি। তালেয়া বলেন, ‘লেনদেন যে হয়েছে সেই খবর তিনি জানতেন। কিন্তু অর্থ লেনদেন তিনি করেন নি।’ প্রথম ধাপ রিমান্ডে শফিক রেহমানকে শারীরিক নির্যাতন করা হয়েছে—এ অভিযোগ তুলে তালেয়া বলেন, দ্বিতীয় ধাপে ৫ দিন রিমান্ডে নিয়ে নির্যাতন চালিয়ে ন্যায় বিচার থেকে বঞ্চিত করবে সরকার।

বয়স ও অসুস্থতা বিবেচনা করে শফিক রেহমানের রিমান্ড বাতিল ও নিঃশর্ত মুক্তির জন্য প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপও কামনা করেন তিনি। এপ্রিল এর আগে শুক্রবার জয়কে অপহরণ পরিকল্পনায় বিএনপির অন্য কোনো নেতা জড়িত কি-না? তা জানতে আরো জিজ্ঞাসাবাদের প্রয়োজন দেখিয়ে প্রথমধাপে ৫ দিনের রিমান্ড শেষে নতুন করে ৭ দিনের রিমান্ড আবেদন করে পুলিশ। দ্বিতীয়ধাপে তার ৫ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে আদালত।

প্রসঙ্গত, জয় সম্পর্কিত তথ্য পাওয়ার জন্য এক এফবিআই এজেন্টকে ঘুষ দেয়ার অপরাধে ২০১৫ সালে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবাসী জাসাস নেতা মোহাম্মদ উল্লাহ মামুনের ছেলে রিজভী আহমেদ সিজারের কারাদণ্ড হয়। মার্কিন আদালতে প্রসিকিউশনের নথিতে বলা হয়, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর ছেলেকে অপহরণ, ভয় দেখানো ও ক্ষতি করাই ছিল তথ্য সংগ্রহের উদ্দেশ্য। সিজার কিছু তথ্য একজন সাংবাদিককে সরবরাহ করেছিলেন এবং বিনিময়ে প্রায় ৩০ হাজার ডলারও পেয়েছিলেন বলে উল্লেখ রয়েছে।

আর জয় সম্পর্কে মার্কিন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে সংরক্ষিত তথ্য পেতে ঘুষ লেনদেনের ঘটনায় দণ্ডিতদের সঙ্গে একাধিক বৈঠকের কথা শফিক রেহমান স্বীকার করেছেন বলে গোয়েন্দা পুলিশ দাবি করেছে। গত ১৬ এপ্রিল নিজ বাসা ইস্কাটন থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে ডিবি পুলিশ। তিনি বিএনপির নীতি নির্ধারক পর্যায়ের একজন বুদ্ধিজীবী হিসেবে পরিচিত। উল্লেখ্য, ২০১৫ সালে পল্টন থানায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছেলে ও তথ্য-প্রযুক্তি উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়কে অপহরণ এবং হত্যা পরিকল্পনা গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।


লাইক এবং শেয়ার করুন
শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Leave a Reply

আরও অন্যান্য সংবাদ