,

AD
নববার্তা.কম এর সংবাদ পড়তে লাইক দিন নববার্তা এর ফেসবুক ফান পেজে

ভারতে নকল পেট লাগিয়ে ‘গর্ভবতী’ হচ্ছেন নারীরা!

লাইক এবং শেয়ার করুন

ভারতের ‘চোরি চোরি চুপকে চুপকে’ ছবির রানি মুখোপাধ্যায় চিরকালের জন্য সন্তান ধারণ ক্ষমতা হারান। ছবিতে শ্বশুরবাড়ির লোকের সামনে পেটে বালিশ বেঁধে ঘুরতেন রানি। তবে বাস্তবে এখন বালিশ বাঁধার দরকার হচ্ছে না। ‘সিলিকন প্রেগন্যান্সি বেলি’ বা সিলিকনের পেট শরীরে বেঁধে নেওয়া যাচ্ছে। এক থেকে আট মাস পর্যন্ত গর্ভাবস্থার বিভিন্ন মাপের সিলিকন-পেট পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতের বাজারে মেলে। হাত দিলেও আসল-নকল বোঝার সাধ্য নেই।

শারীরিক বিভিন্ন সমস্যার দরুণ যারা নিজের গর্ভে সন্তান ধারণ করতে পারেন না, সারোগেসি বা গর্ভদাত্রী মায়ের মাধ্যমে সন্তান পাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন, তাদের অনেককে এ নকল পেট বা লাগাতে হচ্ছে সামাজিক আতঙ্কে আর পারিবারিক গোঁড়ামিকে পাশ কাটাতে। পশ্চিমবঙ্গের শীর্ষস্থানীয় প্রস্থেটিস্ট সুমিত্রা অগ্রবাল জানাচ্ছেন, যেদিন থেকে সারোগেট বা গর্ভদাত্রী মা সন্তান ধারণ শুরু করেন সেই সময় থেকে প্রকৃত মা সিলিকনের পেট নিজের শরীরে লাগিয়ে নেন। শুধু ২০১৬ সালেই সুমিত্রা দেশে-বিদেশে এমন ৫৫ জনকে নকল পেট সরবরাহ করেছেন। দাম ১২ হাজার টাকা থেকে শুরু। তার খদ্দেরদের মধ্যে অবাঙালি বেশি, তবে বাঙালিও আছেন। অধিকাংশই ব্যবসায়ী পরিবারের। আছেন ডাক্তার, শিক্ষক, আমলা, ব্যাংককর্মীও।

যেমন সম্প্রতি সাত-আট মাস গর্ভাবস্থার মতো ‘পেট’ চেয়েছেন চন্দননগরের বছর বত্রিশের এক শিক্ষিকা। তার চার-পাঁচ মাসের পেট খুলে এই নতুন পেট লাগানো হবে! সল্টলেকের এক ডাক্তারের স্ত্রী বললেন, ‘প্রতি তিন মাস অন্তর পেট বদলানোর সময়ে দিন দশেকের জন্য কোথাও ঘুরে আসতাম। যাতে বাড়ির লোকের মনে না হয় যে, পেটটা হঠাৎ বেশি উঁচু হয়ে গিয়েছে।’

নাইজেরিয়ায় প্রবাসী এক নারীর আবার দরকার এক মাসের পেট। সেই পেট লাগিয়ে স্কাইপে তিনি দিল্লিতে থাকা শাশুড়িকে দেখাবেন। বালিগঞ্জের এক গৃহবধূর কথায়, ‘আমি আর আমার বাচ্চার সারোগেট মা একই সময়ে একই হাসপাতালে ভর্তি হই। ওর ডেলিভারি হলো, আর আমি পেটটা এমনি কাটিয়ে সেলাই করে নিলাম।’


লাইক এবং শেয়ার করুন
শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

আরও অন্যান্য সংবাদ