,

AD
নববার্তা.কম এর সংবাদ পড়তে লাইক দিন নববার্তা এর ফেসবুক ফান পেজে

শিক্ষায় সর্বোৎকৃষ্ট বিনোয়োগ : খুদেদের চাহিদাকে প্রাধান্য দিন

লাইক এবং শেয়ার করুন

এমদাদুল হক তুহিন # তৈরি পোশাক বাংলাদেশের অহংকার। বৈদেশিক মুদ্রার প্রায় ৮০ ভাগ এখনও তৈরি পোশাকের দখলে। অথচ এই খাতেরই শীর্ষ কর্মকর্তারা বিদেশী। দেশের গার্মেন্টস শিল্পে প্রায় ২৬ হাজার বিদেশী ম্যানেজার রয়েছেন। তারা প্রতিবছরে প্রায় ৭ বিলিয়ন ডলার আয় করে বিদেশে নিয়ে যাচ্ছেন। বিপরীতে আমাদের দেশে এখনও বহু শ্রমিক বেকার। একই সঙ্গে আছে স্বেচ্ছায় বেকারত্ব। এতে স্পষ্টত হয় দেশের শিক্ষা ব্যবস্থা এখনও গার্মেন্টেসের ম্যানেজার তৈরির সক্ষমতা অর্জন করেনি। কথাগুলো অনেকটা এভাবেই বলছিলেন ট্যারিফ কমিশনের সাবেক চেয়ারম্যান ড. মজিবুর রহমান। ট্যারিফ ও বাজেট ভাবনা শীর্ষক সেমিনারে দেশের শিক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে তিনি যে তথ্য দিয়েছেন তা সত্যিই অবিশ্বাস্য। তবে এটাই বাস্তবতা।

দেশের প্রচলিত শিক্ষাব্যবস্থা এখনও গবেষক, টেকনিশিয়ান বা দক্ষ জনবল তৈরির ক্ষমতা রাখে না। প্রকৃত বিজ্ঞানী তৈরি সে লক্ষ্য যোজন দূরের কথা। তবে দেশের বিজ্ঞানীরা এককভাবে নিজেকেই বিজ্ঞানী বলে দাবি করেন। একাধিক সায়েন্টিফিক কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলে আমার এমটিই মনে হয়েছে। যাই হোক- আলোচনার মূখ্য বিষয় শিক্ষা। শিক্ষায় বিনোয়োগ। সমাজ, সংসার ও রাষ্ট্রের শিক্ষায় আসলে কতোটা বিনিয়োগ করা উচিৎ- তা ভাবনার বিষয়। তবে সবাই একবাক্যে এই কথাটি স্বীকার করেন, যে দেশ শিক্ষায় যতোবেশি বিনিয়োগ করেছে; সে দেশ ততো দ্রুত উন্নত হয়েছে। তথ্য বলছে, জিডিপিতে শিক্ষাখাতে বরাদ্দের তালিকায় বাংলাদেশের অবস্থান ১৫৫ তম। ইউনেস্কোর ঘোষণা অনুযায়ী, একটি দেশের জাতীয় বাজেটের ২০ শতাংশ এবং জিডিপির অন্তত ৬ শতাংশ শিক্ষাখাতে ব্যয় করা উচিৎ। অথচ আমাদের দেশে মোট জাতীয় বাজেটের ১০ শতাংশের কিছু উপরে এবং জিডিপির মাত্র ২ দশমিক ২ শতাংশ শিক্ষাখাতে ব্যয় হচ্ছে। এতেই স্পষ্ট দেশে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে শিক্ষাব্যবস্থা এখনও অবহেলিত।

যখন এতোসব কথা বলছি তখন বাস্তবতায় আসা যাক। নিজের বেড়ে উঠা দিয়েই দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার চিত্র তুলে ধরি। যখন আমি ক্লাস ফাইভে পড়ি, তখন আব্বা কুমিল্লায় থাকতেন। আমার লেখাপড়াসহ বাড়ির সমস্ত দায়িত্ব ছিলো আম্মার। তিনি ছোটভাই শাহীনসহ আমাকে খুব আগলে রাখতেন। বাবা যেহেতু চাকুরী করতেন সেই সূত্রে লেখাপড়ার খরচ চালাতে কোন বেগ পোহাতে হতো না পরিবারের। তবে কখনওই উচ্চবিলাসী আভিজাত্য আমাদের পরিবারকে স্পর্শ করতে পারেনি। হয়তো সাধ্য ছিলো না বলেই। এলাকার বড়লোক ঘরের অনেক ছেলে বাটার বুট বা ক্যাটস পড়তো। দারুণ দেখাতো। বাজারে এসে কেউ কেউ জুতো দেখিয়ে আভিজাত্য প্রকাশ করতো বলেও মনে পড়ছে। ইচ্ছে ছিলো ওই রকম জুতো শোভা পাক আমাদের পায়েও। কিন্তু কখনোই মুখফুটে বাবা-মাকে তা বলিনি। ফলে ওই সাধ কখনওই পূরণ হয়নি। ক্লাস সিক্স এবং সেভেনে টাঙ্গাইলের মধুপুর শহীদ স্মৃতিতে পড়া হয়েছে আমার। আমার জীবনের সেই সময়টা যেমন বর্ণিল তেমনি শিক্ষণীয়। পরের ঘরে থেকে পড়ার অভিজ্ঞতা যেমন হয়েছে; তেমনি সেই সময়ে আমাকেও ছুঁয়ে যায় আভিজাত্য। ফাস্ট ক্লাস অফিসারের বাসায় যে থাকে, নিশ্চিতভাবে সেই শিশুটিও প্রথম শ্রেণীর নাগরিকের ঘরের সন্তান। প্রকৃতপক্ষে আমি ছিলাম সমাজের দ্বিতীয় শ্রেণীর, মধ্যবিত্ত। সঙ্গত একাধিক কারণে ওই সমাজে নিজেকে খাপ খাইয়ে চলতে না পেরে সপ্তম শ্রেণীর ফাইনাল পরীক্ষা দিয়েই চলে আসি নিজ গ্রামে। মধুপুর থেকে আমি আমার ফুফা-ফুফুর কাছে শিখেছি ভালোবাসা। মানুষকে কিভাবে ভালোবাসতে হয়, পাঁশে দাঁড়াতে হয়; তা শিখেছি খুব ভালো করে। ক্লাস এইটে এসে ভর্তি হয় কান্দিপাড়া আস্কর অলী উচ্চ বিদ্যালয়ে। ধীরে ধীরে অভাব অনটন আমাদের ছুঁতে থাকে। আব্বার বেতন অনিয়মিত হয়ে পড়ে। তবে এইচএসসি পর্যন্ত লেখাপড়ার খরচ চালাতে কোনদিনই বেগ পোহাতে হয়নি পরিবারকে। লেখাপড়ার খরচই ছিলো পরিবারের প্রধান খরচ। আমার ক্ষেত্রে টাকার জন্যে প্রাইভেট পড়তে পারিনি এমনটি হয়নি। তবে এটা স্পষ্টত মনে আছে ইন্টারমিডিয়েটে থাকার সময়, হঠাৎ করে প্রাইভেটের অনেক টাকা জমে যায়- কী করে জানি! তখন আম্মা বাধ্য হয়ে তার একমাত্র সোনার চেইন বিক্রি করে সেই টাকা শোধ করেন। বিষয়টি এখনও আমাকে যথেষ্ট পীড়া দেয়। এছাড়া পড়ার টাকা নিয়ে কখনই সংকট তৈরি হয়েছে বলে আমার মনে নেই।

এইচএসসি পাস করার পর মামার সিদ্ধান্তে তিতুমীর কলেজে অর্থনীতিতে ভর্তি হই। ভর্তি বিষয়ে সার্বিক সাহায্যের দায়িত্ব ছিলো সালমা আন্টি। তিতুমীর কলেজের ক্যাম্পাসে তিনিই প্রথম নিয়ে যান। গ্রামের একটা ছেলে, শহুরে সভ্যতার সঙ্গে যার বিন্দুমাত্র সখ্য ছিলো না; তাকে এই পরিবেশে মানিয়ে নিতে বেশ সময় নিতে হয়েছে। তেজকুনী পাড়ার যে এলাকাটায় থাকতাম অনার্সের সময় আব্বা তখন স্যালাইন অফিসে এখানেই চাকুরী করেন। সেইসূত্রে অল্প সময়ে অনেকের সঙ্গে পরিচিত হয়ে উঠি। যখন ধীরে ধীরে আর্থিক অবস্থা বুঝতে পেরেছি পরিবারের, তখনই নিজের পড়ালেখা চালিয়ে নেয়ার যুদ্ধে নেমে পড়ি। যে ছাত্রকে প্রথম প্রাইভেট পড়িয়েছিলাম সেই অভিজ্ঞতাটা বেশ খারাপ। তেজকুনীপাড়ায় চায়ের কাপে পরিচয় হয় এক বড় ভাইয়ের সঙ্গে। তিনি নিজেই উদ্যোগী তার ছোট ভাইকে পড়ানোর দায়িত্ব দেন। এসএসসিতে জীব বিজ্ঞান ও রসায়নে ফেল করেছিলো আমার জীবনের প্রথম ছাত্র। তাকে পড়াই। কিন্তু রাতে যখন পড়াতে যেতাম সে কখনও মুখের কাছে এসে শ^াস ছাড়তো। হেসে হেসে বলতো, স্যার কোন গন্ধ পাচ্ছেন? কখনও দামি ফোনের রিংটোন শুনিয়েও মজা নেয়ার চেষ্টা করতো। আমি জানি সেই ছাত্রের কাছ থেকেও শিখেছি অনেক। ছাত্রের হাত থেকে প্রাইভেট পড়ানোর মাত্র ৫০০ টাকা দিয়ে আমার রোজগার শুরু হয় এই শহরে।

রাজনীতির সঙ্গে কিছুটা জড়িয়ে যাচ্ছিলাম। কিন্তু অনার্স ফার্স্ট ইয়ারে ফার্স্ট ক্লাস থেকে ৫৩ মার্ক বেশি পাওয়ার পর কাছের বন্ধুরা আমার ওই স্বপ্নে ধূলোবালি ছুড়ে মারে। ধীরে ধীরে আরও বইয়ের সান্নিধ্যে আসি। প্রাইভেট পড়াতে যাওয়ার সময় লেগুনায় বসে যেমন পড়েছি, তেমনি নাখালপাড় লিচুবাগানের স্টুডেন্টের বাসায় ছাত্রকে অঙ্ক কষতে দিয়ে নিজেও পড়েছি। বিকেল থেকে শুরু হয়ে রাত ১০ বা ১১ টা পর্যন্তও টিউশনি করিয়েছি। একটা কোচিং সেন্টারের খাতা দেখেছি নিয়মিত। প্রতি খাতায় ৫ টাকা করে পেতাম। প্রিয় এক শিক্ষকের সব খাতায় এক সময় আমাকে দেখতে হয়েছে। তিনি আমাকে সন্তানের মতোই ভালোবাসতেন বলে আমি জানি। অর্থাৎ অনার্সের পুরোটা সময় আমি জীবনযুদ্ধে কাটিয়েছি। এই যে ল্যাপটপে বসে লিখছি, এটাও আমার প্রাইভেট পড়ানোর টাকায় কেনা।

যাই হোক, ২০১৩ সালে দিকে খুব সম্ভবত আমার অনার্স ফাইনাল পরীক্ষা শেষ হয়েছে। ফাইনাল পরীক্ষা শেষেই একটা ব্যাংকে মার্কেটিং এর জবে প্রবেশ করি। বন্ধুরা টিপ্পনী কাটতে শুরু করে। এই সময়টিতেই শুরু হয় শাহবাগ আন্দোলন। তখন আমার পিসিতে নেট নেই। সব বন্ধ করে পড়াশোনায় মনযোগ দিয়েছি আবার। ছোটভাই রনিসূত্রে জানতে পারি শাহবাগে আন্দোলনের কথা। ফার্মগেটের সেই পরিচতি সাইবার ক্যাফেতে বসে আবার ব্লগে একটিভ হয়। শাহবাগ নিয়ে ছোট্ট পোস্ট করে শাহবাগ চলে যাই। খুব সম্ভবত ৮ তারিখের ওই রাতটিই আমার জীবনকে ফের ঘুরিয়ে নিয়ে যায় আরেক যুদ্ধে। সবকিছু ভুলে শাহবাগ ধ্যান জ্ঞান হয়ে উঠে। বিসিএস পরীক্ষায় দুইবার বসেছি ঠিকই, তবে আমি জানি তা ছিলো কেবল পরীক্ষা দেয়ার জন্যই পরীক্ষা। কেবলমাত্র উপস্থিতি দেয়াই ছিলো মূখ্য উদ্দেশ্য। শাহবাগ আন্দোলন চলাকালীন সময়ে সিটি ব্যাংকের ওই মার্কেটিং ছেড়ে দিই। পরবর্তী সময়ে আবার আইএফআইসি ব্যাংকে প্রবেশ করি। কিন্তু  এই জবটাই আমার উপযুক্ত মনে হয়নি। এই সময়ে আমি মার্চেন্ডাইজিং কোর্স করি। মরহুম শিল্পপতি আক্তারুজ্জামান দাদা ওই কোর্সের পুরো খরচ দেন। পারিবারিক শর্ত মতে, তার  অফিসেই আমি জব করবো। কিন্তু সেখানেও আমার জব করা হয়ে উঠিনি।

লিখতে লিখতে ফেসবুকে বাংলাদেশ প্রেসের রুমি ভাইয়ের সঙ্গে পরিচয়। তিনি তার ওখানে কাজ দেন। মূলতই আর্টিকেলই লিখছিলাম। কেননা এর আগে থেকেই আমি বাংলা নিউজে আর্টিকেল লিখতাম। রুমি ভাইয়ের অফিসের জব নেয়ার মাধ্যমেই আমার সাংবাদিক হয়ে উঠা। অর্থাৎ বলা চলে রুমি ভাই নিজ হাতে আমাকে সাংবাদিক হিসবে তৈরি করেছেন। যদিও তখন পর্যন্ত সংবাদের অ আ-ই জানা হয়নি। বাংলাদেশ প্রেস ছাড়ার দিনই জনকণ্ঠে জব হওয়ার সংবাদ পাই। তখন বাসে আমার সঙ্গে বন্ধু ফুরকান। ফুরকান জানে ওই মুহূর্তটি কেমন ছিলো।

ছাত্রজীবনে আমার আয় রোজগার খুব ভালো ছিলো। নি:সন্দেহে অনেক ভালো। পরিবারের পাঁশে দাঁড়াতে পেরেছি। আত্মীয়স্বজনের মুখেও হাসি ফুটাতে পেরেছি। কিন্তু অনার্স মাষ্টার্স শেষে দুটি ফার্স্ট ক্লাস পেয়েও যখন পরিবারের পছন্দমতো জব হচ্ছিলো না, কিংবা যেখানে জবের অফার সেখানে যাচ্ছি না, পরীক্ষায় বসছি না- আব্বাকে তা খুব হতাশ করেছিলো। তিনি বলতে শুরু করেন, ‘এতো কষ্ট করে ছেলেকে হুদাই লেখাপড়া করাইলাম!’ ততোদিনে আমি জেনে গেছি বাস্তবতা। এই শহরে রেজাল্ট দিয়ে কখনোই জব হয়না। আদার এক্টিভিটি, স্ট্রং পার্সোনালিটি, হাইয়েস্ট লবিং, গুড রেফারেন্স ও অর্থই জব পাওয়ার প্রধান শর্ত।

আব্বা তার নিকটাত্মীয়দের কাছে আমার জবের জন্য বলতেন। আর আমি বারবার না করতাম। আবার চাকুরীর জন্যে আব্বার কারো কাছে ছোট হোক তা আমি চাইনি। তাই আমি আমার জীবনকে শুরু থেকেই চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিয়েছি। সর্বোচ্চ চ্যালেঞ্জ নিয়ে ফাইট করার চেষ্টা করছি। ক্ষণে ক্ষণে হতাশ হয়ে পড়ছি ঠিকই, তবে আমি আমার লক্ষ্য থেকে বিচ্যুত হয়নি।

শিক্ষায় বিনোয়োগ লিখতে গিয়ে নিজের জীবনকাহিনী লিখে ফেললাম। এই লেখাটির একটি সুনির্দিষ্ট কারণ আছে। আমি চাই পরবর্তী প্রজন্ম জানুক কতোটা কষ্টের মধ্য দিয়েও লেখাপড়া চালিয়ে যেতে হয়। একইসঙ্গে লক্ষ্য স্থির রাখতে হয়। একইসঙ্গে শিক্ষায় বিনোয়োগ সম্পর্কিত লেখাটির মূল কারণ কাছের কিছু মানুষকে কেন্দ্র করে। এসএসসি পরীক্ষায় বেশ ভালো রেজাল্ট করেছে মেয়েটি। বলা চলে, সর্বোচ্চ ফল দেখিয়েছে। গ্রামের মেয়ে। ভর্তি নিয়ে এখন সমস্যা। মেয়েটির ইচ্ছে শহরের কোন ভালো কলেজে পড়ে আরও বড় কোন সুনাম ছিনিয়ে আনবে সে। কিন্তু পারিবারিকভাবে অর্থনৈতিক সঙ্গট প্রবল। কোনভাবেই বাইরে রেখে পড়ানোর সাধ্য নেই। মধ্যবিত্ত পরিবার বলে বিকল্প কোন পন্থাও নেই। কিন্তু মেয়েটির যে ইচ্ছে, মেয়েটির যে স্বপ্ন- সেই স্বপ্ন মার খাচ্ছে শিক্ষায় বিনিয়োগের কাছে। হয়তো এমন শতশত অজস্র গল্প সৃষ্টি হচ্ছে এই দেশে। সর্বোচ্চ চেষ্টা সত্ত্বেও সুনির্দিষ্ট স্থানে পৌঁছাতে পারছে না ছাত্র কিংবা ছাত্রীটি। আমার ছোট ভাইটির কথা দিয়েই বলি, এসএসসি পাস করার পর সে উপজেলা শহরে ভর্তি হলো। কিছুদিন পর দেখলাম সে নিজেই ম্যাস নিয়ে নিলো। সে তখন পর্যন্ত স্বপ্ন দেখেনি ঢাকায় পড়ার। উপজেলা শহরে পড়ছে ঠিকই, তবে বাড়ি থেকে গিয়ে নয়। আমাদের সময় এবং এখনও গ্রাম থেকে অনেকে গিয়ে উপজেলায় পড়ছে। আমি অবশ্যই পাশ্ববর্তী কান্দিপাড়া থেকে এসএসসি এবং এইচএসসি শেষ করেছি। তার মানে আমাকে দিয়ে আমার ছোটটার সঙ্গে তুলনা ঠিক নয়। সে যতোটুকু স্বপ্ন দেখছে, সেই স্বপ্ন যদি সত্য হয়, আমার চেতনার সঙ্গে মিলে যায়; সাধ্য দিয়ে তার স্বপ্ন পূরণে পাঁশে দাঁড়ানো। শিক্ষা একটা বিনিয়োগ। এখানে এক টাকা খরচ করলে, ভবিষ্যতে একশো টাকা প্রফিট আসবে। তাই শিক্ষায় যতো বেশি বিনিয়োগ করা যায়, শিক্ষার্থীর চাহিদাকে যতো বেশি প্রাধান্য দেয়া যায়, তাই সমাজ-সংসার ও রাষ্ট্রের জন্য মঙ্গলজনক।


লাইক এবং শেয়ার করুন
শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

আরও অন্যান্য সংবাদ