,

AD
নববার্তা.কম এর সংবাদ পড়তে লাইক দিন নববার্তা এর ফেসবুক ফান পেজে

শীতের পিঠার দোকানে বাড়ছে ভীড় !

লাইক এবং শেয়ার করুন

সফিউল্লাহ আনসারী, ময়মনসিংহ প্রতিনিধি: শীতের আগমনে চলে নানান প্রস্তুতি আর উৎসবের আমেজ। পিঠা বাঙালীর জীবনে সংস্কৃতির অংশ। গাছের পাতায় ঘরের চালায় টুপ টাপ কুয়াশা বৃষ্টি। শীত মৌসুমে নানা জাত ও স্বাদের পিঠা পুলি আর মান্ডা মিঠায় শীতের কদর বাড়ায় আবহমান বাংলার ঐতিহ্যে। শীতের সকালে কিংবা রাতে শীতের প্রকোপ থেকে রক্ষা পেতে চলে উষ্ণতার আয়োজন। উষ্ণতার এ আয়োজনের পছন্দের তালিকায় শীর্ষে শীতের রকমারী পিঠা ।

শীতকে বরণ করতে আবহমান কাল থেকেই রেওয়াজে পরিণত হয়েছে গ্রামের ঘরে ঘরে পিঠা পুলির উৎসব। গ্রামের এই রেওয়াজে উৎসবকে বাঁচাতে শহরেও বসে মৌসুমী পিঠার দোকান। এসব দোকান গুলোতে হরেক রকমের পিঠা না পাওয়া গেলেও মিলে শীত মৌসুমে সবচেয়ে জনপ্রিয় ও স্বাদের পিঠা ভাপা ও চিতই পিঠা,মুঠে পিঠা। স্বাদ ও সাধ্যের সমন্নয় থাকায় সকলেই স্বাদ নিতে চান এ সকল পিঠার। সকলের চাহিদা থাকায় ছোট দোকানিরা এ সময় ব্যস্ত হয়ে উঠেন চাহিদা অনুযায়ী সরবরাহ করতে। তৈরী হচ্ছে পিঠা, পাশে বসেই ক্রেতারা গরম গরম স্বাদ নেন পিঠার।%e0%a6%aa%e0%a6%bf%e0%a6%a0%e0%a6%be123শীতের বিকাল থেকেই মধ্য রাত পর্যন্ত জমজমাট পিঠার ব্যবসা। পিঠার দোকানে চারপাশ ঘিরে চলে পিঠা খাওয়ার উৎসব। ভালুকার পৌর শহরের ব্যস্ততম জায়গা বাসট্যান্ড, পাঁচ রাস্তার মোড়,জামিরদিয়া-মাষ্টারবাড়ী, সিডষ্টোর বাজার মসজিদ মার্কেট, মল্লিকবাড়ী ও ছোট বড় বাজারগুলোতে বসছে পিঠার এসব দোকান। পিঠা ব্যাবসায়ীরা মুলত মৌসুমী ব্যবসার পসরা সাজিয়ে বসে হাট-বাজার ও পাড়ার মোড়ে।

সিডষ্টোর বাজারের পিঠা ব্যাসায়ীরা জানালেন এই ব্যবসাই তার সারা বছরের পরিবারের রুটি রুজির মূল ভরসা । যদিও এটা মৌসুমী ব্যবসা তারপরও এটাই তাদের সব।তবে মৌসুমি ব্যাবসা হলেও কোন কোন বাজারে সার বছর চলে পিঠার ব্যাবসা। প্রতিদিন বিকাল থেকে মধ্য রাত পর্যন্ত একটানা চলা এসব দোকানে প্রতি পিস চিতই পিঠা বিক্রি করেন ৫টাকা,ভাপা পিঠা আকার ভেদে ৫/১০ টাকা। বিক্রিও হয় ভালো বলে জানা যায়। প্রতিদিনই তিনি দুই হাজার থেকে তিন হাজার টাকার পিঠা বিক্রি হয়। নারিকেল, গুড় আর চালের গুড়া এই হলো মূলধন। কম পুজিতে লাভ বেশী কিন্তু পরিশ্রম শক্ত। তিনি জানালেন, এখনো পুরোপুরি শীত আসেনি তারপরও তিনি আগাম এই ব্যবসায় নেমেছেন।%e0%a6%aa%e0%a6%bf%e0%a6%a0%e0%a6%be122আজ থেকে বিগত ১৫দিন আগেই শুরু করেছেন এ ব্যবসা। চলছে ভালো হাসিমুখে তিনি জানালেন। লোকজন শীতের পিঠার আগাম স্বাধ নিতে ভিড় জমাচ্ছেন তার দোকানে। যুবক বয়সের লোকজন, কলেজ ছাত্র সবাই তার ক্রেতা। গরম গরম শীতের পিঠা সন্ধ্যায় চায়ের সঙ্গে বেশ মানায়। তাই স্বাধে ভিন্নতা আনতে বাসা-বাড়িতেও নেন গৃহিণীরা। বিশ্লেষন করলে দেখা যাবে এসব দোকানিরাই শহরেও ধরে রাখেন গ্রামীণ ঐতিহ্যের সেই শেঁকড়ের সংস্কৃতি। ময়মনসিংহের ভালুকার হাট-বাজাওে পিঠার আয়োজন জানান দিচ্ছে শীত এসছে। আবহমান বাংলার ঐতিহ্যকে লালন বা আয় রোজগারের মাধ্যম,যা বলা হোক না কেন পিঠার ব্যাবসা কিন্তু জমজমাট ।


লাইক এবং শেয়ার করুন
শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

আরও অন্যান্য সংবাদ