গোলাপগঞ্জে কালবৈশাখী ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্থদের খোঁজ নেয়ার কেউ নেই!

এই সংবাদ ২৫ বার পঠিত

নোমান মাহফুজ,গোলাপগঞ্জ: গোলাপগঞ্জ উপজেলায় কালবৈশাখী ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত অধিকাংশ গ্রামের মনুষের বিদ্ধস্থ ক্ষত এখনো কাটছে না। অর্ধ সপ্তাহ অতিবাহিত হয়ে গেলেও স্বাভাবিক হয়নি এসব গ্রামের ক্ষয়ক্ষতি। বিভিন্ন রাস্তা ও বাড়ীর আঙ্গিনায় এখনো ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে উপড়ে পড়া শত শত গাছ-পালা। মাটির মধ্যে এলোমেলো অবস্থায় পড়ে রয়েছে বিদ্যুৎ ও ডিস লাইনের তার। বিধ্বস্ত হওয়া শত শত বসত ঘরগুলো এখনো মেরামত করতে পারেনি ক্ষতিগ্রস্ত মানুষগুলো।

গত শনিবার হঠাৎ করে ১৫/২০ মিনিটের কালবৈশাখী ঝড়ে লন্ডভন্ড হয়ে যায় উপজেলার অধিকাংশ এলাকা। প্রচন্ড এ ঝড়ে উপজেলার সদরসহ দাঁড়িপাতন পূর্ব ফাজিলপুর, টিকরবাড়ী, সরস্বতী, কামারগাঁও, ঘোষগাঁও, রণকেলী, আমনিয়া বাজার, চান্দের দোকান, বইটিকর, ফুলবাড়ী, রাঙ্গাডহর বাজার,ঢাকাদক্ষিণ বাজার, কানিশাইল, রায়গড়, নগর, ভাদেশ্বর, বাঘার আগলছপুর, লালনগর, বাঘাবাজারসহ ৫/৬টি ইউনিয়নের বেশ কয়েকটি গ্রাম লন্ডভন্ড হয়ে যায়। ঝড়ের কারণে উপড়ে পড়া গাছপালা এখনো রাস্তা ও বাড়ীতে যত্রতত্র ভাবে পড়ে রয়েছে। মাটির সাথে মিশে যাওয়া শত শত কাঁচা ঘর-বাড়ী এখনো পুনরায় মেরাত করতে পারছে না অসহায় মানুষা।

উপড়ে পড়া বিদ্যুৎ এর খুঁটি রাস্তা ও বাড়ীতো টানা ৬/৭দিনে স্বাভাবিক হয়নি বিদ্যুৎ ব্যবস্থা। বিদ্যুৎ এর অনেক খুঁটি এখনো মাটিতে পড়ে রয়েছে। রাস্তা ও বাড়ীতে কয়েকটি এলাকা বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন থাকার ফলে অন্ধকারে রয়েছে রানাপিং, বইটিকর, ফুলবাড়ী, লক্ষণান্দ এলাকাবাসী। তারা বিদ্যুৎ এর দাবিতে সম্প্রতি রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছেন বিদ্যুৎ এর দাবিতে। আমুড়া, আমনিয়া, রণকেলী, সিলেট-জকিগঞ্জ রোডের পাশে দাড়িপাতন এলাকায় এখনো ঝুঁকির মধ্যে মাটিতে পড়ে আছে বিদ্যুৎ ও ডিস লাইনের তার। ঝড়ের কবলে পড়ে একদিকে অন্ধকার, অন্যদিকে লন্ডভন্ড বাড়ীঘর নিয়ে চরম বিপাকে ক্ষতিগ্রস্ত গ্রামের অসহায় মানুষগুলো। ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের মধ্যে প্রথমে পৌর মেয়র ও উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সহযোগিতা প্রদান করলেও এখন আর কেউ তাদের খোঁজ নিচ্ছেন না। আর কেউ তাদের খোঁজ নেয়নি।

ফেসবুক থেকে মতামত দিন
Spread the love
  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
Social Media Auto Publish Powered By : XYZScripts.com