আজ শুক্রবার, ৭ই আশ্বিন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, ২২শে সেপ্টেম্বর, ২০১৭ ইং, ১লা মুহাররম, ১৪৩৯ হিজরী, শরৎকাল, সময়ঃ সন্ধ্যা ৭:৫১ মিনিট | Bangla Font Converter | লাইভ ক্রিকেট

ভোগান্তির নাম মহম্মদপুর বাসস্ট্যান্ড

মহম্মদপুর (মাগুরা) প্রতিনিধি: ভোগান্তির আরেক নাম মহম্মদপুর বাসস্ট্যান্ড। উপজেলা সদরের প্রবেশদ্বারের জনগুরুত্বপূর্ণ ওই বাসস্ট্যান্ডে জনভোগান্তি বাড়ছে। দীর্ঘ এক যুগেও গুরুত্বপূর্ণ স্থানটি সংস্কারে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর কোনো উদ্যোগ না থাকায় জনমনে ক্ষোভ বাড়ছে। বর্ষা মৌসুমে সামান্য বৃষ্টি হলেই হাঁটু পানি আর কাদা জমে এক ভয়াবহ অবস্থার সৃষ্টি হয়। ফলে স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থী ও পথচারীদের  চলাচলেও চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়। যানবাহন চলাচলেও ভোগান্তি বেড়ে যায় বহুগুণে।

স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থীসহ সাধারণ মানুষকে বাসস্ট্যান্ডের ওই শোচনীয় জায়গাটুকুর কাদাপানি পার হতে হয় লাফিয়ে লাফিয়ে। এটি অস্থায়ী বাসস্ট্যান্ড এবং উপজেলা সদরের প্রবেশদ্বার। এখান থেকেই মাগুরা ও ঢাকাগামী বাসসহ বিভিন্ন সড়কের ইজিবাইক ছেড়ে যায়। চলাচল করে পণ্যবাহী ট্রাক, পিকআপ ও কাভার্ড ভ্যানও। ঢাকা ও মাগুরা থেকে ছেড়ে আসা বাসও এখানে এসে থামে। যাত্রীদের কাদা পানি ডিঙিয়ে এখান থেকেই বাসে উঠতে হয়। একইভাবে বাস থেকে নেমে কাদা পানি ডিঙিয়ে কাঙ্ক্ষিত গন্তব্যে যেতে হয়।

খোঁজখবর নিয়ে জানাযায়, মহম্মদপুরে কর্মরত বেশকিছু চাকরিজীবী মাগুরা শহরসহ বিভিন্ন এলাকা থেকে প্রতিদিন বাসযোগে আসেন। আবার মাগুরায় কর্মরত মহম্মদপুরের বেশকিছু চাকরিজীবীকে প্রতিদিন বাসযোগে যেতে হয়। প্রতিদিনই তাদের এক দুঃসহ দুর্ভোগ মোকাবিলা করতে হয়।
উপজেলা সদর বাজারে পানি নিষ্কাশনের জন্য ড্রেনেজ ব্যবস্থা না থাকায় সামান্য বৃষ্টিতেই জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। বিশেষ করে জনগুরুত্বপূর্ণ বাসস্ট্যান্ড এলাকায় ময়লা-আবর্জনা ও কাদা পানিতে সয়লাব হয়ে যায়। লাফিয়ে লাফিয়ে পার হতে হয় স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থীসহ সব শ্রেণিপেশার মানুষকে।
দীর্ঘ একযুগ ধরে এ শোচনীয় অবস্থা বিরাজ করলেও দুর্ভোগ লাঘবে সংশ্লিষ্টদের মাথাব্যথা নেই। ফলে বাধ্য হয়েই প্রতিনিয়ত দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে হাজার হাজার মানুষকে।

অফিস দিবসে মাগুরা থেকে বাসযোগে মহম্মদপুরে আসা উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ে কর্মরত অফিস সুপার মো. ফসিয়ার রহমান ক্ষোভের সঙ্গে বলেন, বাসস্ট্যান্ডের এ দুর্দশায় তাকেও রোজ দুর্ভোগ পোহাতে হয়। শুধু ফসিয়ার নন, বিভিন্ন যানবাহনের চালক-শ্রমিক, স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী, পথচারীসহ বাস্ট্যান্ডে দুর্ভোগের শিকার হওয়া সকল মানুষের ক্ষোভ অভিন্ন।

মহম্মদপুর উপজেলা প্রকৌশলী মোহা. রবিউল ইসলাম বলেন, মহম্মদপুর-মাগুরা সড়কটি সড়ক ও জনপদ (সওজ) বিভাগের। বাসস্ট্যান্ড হিসেবে ব্যবহৃত জায়গার আংশিক সওজ বিভাগের এবং আংশিক জেলা পরিষদের। ড্রেনেজ ব্যবস্থার মাধ্যমে পানি নিষ্কাশনের জন্য সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে প্রস্তাবনা পাঠানো হয়েছে বলেও জানিয়েছেন এই প্রকৌশলী।

ফেসবুক থেকে মতামত দিন
Spread the love
  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
উপরে
Social Media Auto Publish Powered By : XYZScripts.com