Enter subtitle here

কুষ্টিয়া জেলায় আবহাওয়ার বিরূপ প্রভাব : তাপমাত্রা বৃদ্ধি

মোঃ রাজন আমান,কুষ্টিয়া জেলা প্রতিনিধি # বসন্তের আগমনে বিদায় নিয়েছে শীত। কুষ্টিয়ায় ভ্যাপসা গরম। কখনো কখনো মেঘলা আকাশ, আবার কখনো খাঁ খাঁ রোদ। এ যেন আকাশে মেঘ আর রোদের লুকোচুরি খেলা। বেলা বাড়ার সাথে সাথে বাড়ছে গরম। মাঠে ময়দানে, রাস্তা-ঘাটে ফাল্গুনেই যেন চৈত্রের দাবদাহ চোখে পড়ছে। দিনের মাঝামাঝি সময় রাস্তা ঘাটে লোকজন কমে যাচ্ছে। রোদের তেজ প্রতিদিনই বাড়ছে। শহরের অনেকেই রাতে পাখা চালিয়ে ঘুমাচ্ছেন। করপোরেট অফিসগুলোতে শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্র পুরোদমে সচল হয়েছে।শেষ রাতে গ্রামে এখনও শীত রয়ে গেছে। তবে সেখানেও দিনের বেলা বেশ উষ্ণ থাকছে। ভ্যাপসা এ গরমে বৃষ্টির আশা করছেন অনেকে। বিশেষ করে কৃষকদের প্রার্থনা, বৃষ্টি নামুক।তাদের সে প্রত্যাশা আজ রাতে পূরণ হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস।

চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, আবহাওয়া পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে কিছু কিছু জীবাণু সক্রিয় হয়ে থাকে। হঠাৎ করে গরম শুরু হওয়ায় তাই বাড়ছে নানা রোগ-ব্যাধিও। সব বয়সীর সর্দি, কাশি, জ্বর বাড়লেও এসব উপসর্গে শিশুরা একটু বেশি ভুগছে। ডায়রিয়া হওয়ারও খবর পাওয়া যাচ্ছে। বৃষ্টি নেই বলে বাতাসে ধুলার পরিমাণ বেড়েছে। ধুলা-বালিতে বাড়ছে শ্বাসকষ্ট।

মাঘের পর ফাল্গুনে কিছুটা তাপমাত্রা বাড়লেও এতোটা গরম অনুভূত হয় না বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস।বাতাসে আর্দ্রতার পরিমাণ বেশি হওয়ায় এমনটা হচ্ছে বলে জানান খুলনা আবহাওয়া অফিসের সিনিয়র আবহাওয়াবিদ আমিরুল আজাদ।তিনি ভ্রাম্যমান সাংবাদিক মোঃ রাজন আমান-কে বলেন, “আকাশে মেঘের আনা-গোনার কারণে ভ্যাপসা গরম অনুভূত হচ্ছে। সাগর থেকে মেঘ ভেসে এসেছে। খুলনা বিভাগে আজ রাতে বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।”

ফেসবুক থেকে মতামত দিন
Spread the love
  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
১৩০ বার পঠিত

মোঃ রাজন আমান, কুষ্টিয়া জেলা প্রতিনিধি

১। নাম : মোঃ রাজন আমান (সাংবাদিক)। ২। পিতার নাম : মোহাম্মদ রাহাদ রাজা (সাংবাদিক)। ৩। মাতার নাম : মিসেস্ আমেনা রাহাদ (সাংবাদিক)। ৪। স্থায়ী/বর্তমান ঠিকানা (সকল প্রকার যোগযোগ) : মোঃ রাজন আমান (সাংবাদিক) এম,চাঁদ আলী শাহ্ রোড ভেড়ামারা, কুষ্টিয়া। মোবাইল : ০১৭২৪-৮৮৮১২৫। ৫। বয়স : ২৪ বৎসর। ৬। ধর্ম : ইসলাম (সুন্নী)। ৭। জাতীয়তা : বাংলাদেশী। ৮। শিক্ষাগত যোগ্যতা : বি,এ (পাশ)। ৯। সাংবাদিকতা পেশায় বাস্তব অভিজ্ঞতা : জাতীয় দৈনিক, সাপ্তাহিক, পাক্ষিক, মাসিক পত্রিকায় বাস্তব অভিজ্ঞতা ০৭ বৎসর।

Social Media Auto Publish Powered By : XYZScripts.com