আজ বৃহস্পতিবার, ৬ই আশ্বিন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, ২১শে সেপ্টেম্বর, ২০১৭ ইং, ২৮শে জিলহজ্জ, ১৪৩৮ হিজরী, শরৎকাল, সময়ঃ রাত ২:২১ মিনিট | Bangla Font Converter | লাইভ ক্রিকেট

স্বাধীনতার ৪৫ বছর পর আগৈলঝাড়ায় প্রশাসনের উদ্যোগে ৫৩ যুদ্ধাপরাধীর নাম তালিকাভুক্ত

বিশেষ প্রতিনিধি, আগৈলঝাড়া (বরিশাল) : স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে ’৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে বেতন ও অস্ত্রপ্রাপ্ত রাজাকার, আল বদর, আল শামস এর তালিকার চাহিত তথ্যে উপজেলা ভিত্তিক তালিকা সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে প্রেরণ করেছে আগৈলঝাড়া উপজেলা প্রশাসন। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব মাকসুদা ইয়াসমিন এর (২০-১০-১৫ তারিখ) স্বাক্ষরিত স্মারক নং- স্বঃ মঃ (রাজ-৪)/সিদ্ধান্ত-২৩(১) / ১০১০/ ১০১২ মোতাবেক বরিশাল জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের ১২-১১-১৫ তারিখের স্মারক নং-০৫.১০.০৬০০.১১০.৪৯.০০১.১৫-৮৭৯ মোতাবেক আগৈলঝাড়া উপজেলা তৎকালীন নির্বাহী অফিসার দেবী চন্দ কর্তৃক ২১.১.১৬ তারিখ স্বাক্ষরিত স্মারক নং-০৫.১০.০৬০২.০০১.০৫.০০২.১৫-১৫ অনুযায়ী আগৈলঝাড়া উপজেলায় ১৪ জন জীবিত ও ২৬ জন মৃত রাজাকারসহ মোট ৪০ জন রাজাকারের তালিকা অত্যান্ত গোপনীয়তার মধ্যে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে প্রেরণ করা হয়েছে।

প্রেরিত ওই পত্রে আরও বলা হয়, ১৮.১১.২০১৫ খ্রিঃ ২৫৩ (৬) নং স্মারকে সকল চেয়ারম্যান ও কমান্ডার, মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কাছে রাজাকারদের তালিকা প্রস্তুত করে ইউএনও কার্যালয়ে প্রেরণের অনুরোধ করা হয়। উপজেলার কোন ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানদের কাছ থেকে রাজাকারদের কোন তালিকা পাওয়া যায়নি। তারা অধিক যাচাই-বাছাই করে স্ব স্ব ইউনিয়নের রাজাকারদের তালিকা দাখিল করবেন বলে জানান।

উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের প্রণীত তালিকানুসারে ১৪ জন জীবিত যুদ্ধাপরাধীরা হলো- বরিশাল জেলা আল বদর বাহিনীর প্রতিষ্ঠাতা ও জেলা জামাত আমীর গৈলা ইউনিয়নের কালুপাড়া গ্রামের মৃত হাশেম আলী খানের ছেলে মাওলানা শিহাব উদ্দিন খান, শিহাব উদ্দিন খানের ছেলে বদর বাহিনীর অন্যতম সদস্য মো. ইসফাকুর রহমান তোতা। রাজাকার বাহিনীর অন্যতম সদস্যরা হল গৈলা ইউনিয়নের উত্তর শিহিপাশা গ্রামের মৃত বলাই সিকদারের ছেলে এসকেন্দার আলী সিকদার, পূর্ব সুজনকাঠি গ্রামের মৃত আফাজউদ্দিন সরদারের ছেলে মোহাম্মদ সরদার, গৈলা ইউনিয়নের গৈলা গ্রামের মৃত আমজেদ আলী মৃধার ছেলে সাদবিম রাব্বি মুকুল, তার আপন ভাই আবুল হোসেন বাচ্চু, গৈলা ইউনিয়নের পতিহার গ্রামের মৃত জালাই সরদারের ছেলে সিরাজ উদ্দিন সিরু, বাকাল ইউনিয়নের ফুল্লশ্রী গ্রামের মৃত আজাহার উদ্দিন পাইকের ছেলে রেজাউল পাইক, ওই গ্রামের মৃত আকুব আলী ফকিরের ছেলে বশির ফকির।

বাকাল ইউনিয়নের বাকাল গ্রামের মৃত শফিজ উদ্দিনের ছেলে আমিনুল ইসলাম ওরফে দাদন আলী, ওই ইউনিয়নের যবসেন গ্রামের মৃত আনু পাইকের ছেলে মোসলেম পাইক, ফুল্লশ্রী গ্রামের মৃত নওয়াব আলী ফকিরের ছেলে বজলুর রহমান ফকির। পিচ কমিটির অন্যতম সদস্যরা হলেন বাকাল গ্রামের মৃত রজ্জব আলী সরদারের ছেলে আ. রশিদ সরদার, বাগধা ইউনিয়য়নের আমবৌলা গ্রামের মৃত আজাহার হাওলাদারের ছেলে মো. জয়নাল হাওলাদার।
প্রেরিত ওই তালিকাভুক্ত ২৬জন মৃত যুদ্ধাপরাধীরা হলো-তৎকালীন গৌরনদী থানার পিচ কমিটির সভাপতি বর্তমান আগৈলঝাড়া উপজেলার গৈলা ইউনিয়নের মধ্য শিহিপাশা গ্রামের মৃত মুন্সী আফতাব উদ্দিন ভাট্টি।

পিচ কমিটির সাধারণ সম্পাদক কালুপাড়া গ্রামের মৃত তমিজ উদ্দিন মোল্লার ছেলে মুন্সী নজিবর রহমান মোল্লা, রাজাকার বাহিনীতে নাম লেখান পিচ কমিটির সভাপতি মৃত মুন্সী আফতাব উদ্দিন ভাট্টির ছেলে সাহেব আলী মুন্সী ওরফে ভাট্টি, ওই ইউনিয়নের পূর্ব সুজনকাঠী গ্রামের মৃত ইসলাম দাড়িয়ার ছেলে হালিম দাড়িয়া, ওই গ্রামের ওমর আলী সরদার, গৈলা ইউনিয়নের উত্তর শিহিপাশা গ্রামের মৃত আরজান সরদারের ছেলে মতিউর রহমান সরদার, ওই গ্রামের তুফান হাওলাদারের ছেলে সৈয়দ আলী হাওলাদার, মৃত আহম্মদ আলী হাওলাদারের ছেলে আ. কাদের হাওলাদার, মৃত ওয়াজেদ আলী ভূইয়ার ছেলে মহম্মদ আলী ভুঁইয়া, মৃত জৈনদ্দিন সরদারের ছেলে পিচ কমিটির সদস্য ডা. সিরাজ উদ্দিন সরদার, একই গ্রামের মৃত বলাই সিকদারের ছেলে রাজাকার এসকেন্দার আলী, মধ্য শিহিপাশা গ্রামের পিচ কমিটির সদস্য জয়নাল ভাট্টি, জয়নাল ভাট্টির দুই ছেলে রাজাকার আ. খালেক ভাট্টি ও আ. ছত্তার ভাট্টি, বাকাল ইউনিয়নের জবসেন গ্রামের মৃত জৈনদ্দিন পাইকের ছেলে আ. মান্নান পাইক, মৃত আ. গফুর পাইকের ছেলে আ. ছত্তার পাইক, বাকাল ইউনিয়নের ফুল্লশ্রী গ্রামের মৃত বেলায়েত হোসেন পাইকের ছেলে আ. রব পাইক, মৃত এব্রাহিম মোল্লার ছেলে মোক্তার মোল্লা, একই ইউনিয়নের বাকাল গ্রামের মৃত লেহাজ উদ্দিন সরদারের ছেলে সলেমান সরদার, মৃত আইজদ্দিন সরদারের ছেলে মফিজ উদ্দিন সরদার, বাকাল ইউনিয়নের ফুল্লশ্রী গ্রামের মৃত হাচেন উদ্দিন ফকিরের ছেলে মকবুল ফকির, মৃত বেলায়েত খলিফার দুই ছেলে সোনামদ্দিন খলিফা ও মোহন খলিফা, মৃত সোনামদ্দিন ফকিরের ছেলে নজর আলী ফকির, মৃত ধলু মোল্লার ছেলে সুলতান মোল্লা, বাকাল ইউনিয়নের জবসেন গ্রামের মৃত সোমেদ ফকিরের ছেলে আঃ হক ফকির।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, এর আগে ২০১০ সালের ৫ আগস্ট সিটিএসবি স্মারক নং- ৯৭৯/৭২ (২২/০৭/১০ইং), জেলা বিশেষ শাখার পুলিশের সুপারের বার্তা নং-৩০২৭/৮৭-৪৯ (২৭/০৭/১০ইং) নং স্মারকে মুক্তিযোদ্ধাদের সমন্বয়ে স্থানীয় প্রশাসন অত্যন্ত গোপনীয়তার মধ্য যুদ্ধাপরাধীর প্রথম তালিকা তৈরী করেন।

যুদ্ধাপরাধীদের প্রকাশিত প্রথম তালিকায় উপজেলায় ১৩ জনের নাম স্থান পায়। এর মধ্যে বর্তমানে ৪ জন জীবিত ও ৯ জন মৃত। প্রথম তালিকায় ৭ জন রাজাকার, ৩ জন পিচ কমিটি, ২ জন জামায়াত ও ১ জন আল বদর নেতার নাম রয়েছে। প্রথম তালিকাভুক্তরা হলো- উপজেলার মধ্য শিহিপাশা গ্রামের বাবুজান মুন্সীর ছেলে আফতাব উদ্দিন মুন্সী, পিচ কমিটির চেয়ারম্যান গৈলা গ্রামের তমিজ উদ্দিন মুন্সীর ছেলে নজিবুর রহমান মোল্ল¬া ওরফে নাজেম মুন্সী (মৃত), পিচ কমিটির সেক্রেটারী উত্তর শিহিপাশা গ্রামের আরজান আলী সরদারের ছেলে মতি সরদার রাজাকার (মৃত), কালুপাড়া গ্রামের মৃত হাশেম আলী খানের ছেলে মাওলানা শিহাব উদ্দিন খানের ছেলে ইসফাকুর রহমান তোতা, আলবদর (জীবিত), তোতার বাবা মাওলানা শিহাবুদ্দিন খান জামায়াত নেতা (জীবিত), উত্তর শিহিপাশা গ্রামের বলাই শিকদারের ছেলে এসকেন্দার আলী শিকদার রাজাকার (জীবিত)।

ফুল্ল¬শ্রী গ্রামের সোনামদ্দিন ফকিরের ছেলে নজর আলী ফকির রাজাকার (মৃত), মধ্য শিহিপাশা গ্রামের ইসমাইল দাড়িয়ার ছেলে হালিম দাড়িয়া রাজাকার (মৃত), উত্তর শিহিপাশা গ্রামের তুফান হাওলাদারের ছেলে সৈয়দ আলী হাওলাদার জামাত (মৃত), একই গ্রামের জৈনদ্দিন সরদারের ছেলে ডা. সিরাজ উদ্দিন সরদার রাজাকার (মৃত), মধ্য শিহিপাশা গ্রামের আফতাব উদ্দিন মুন্সীর ছেলে সাহেব আলী মুন্সী ওরফে ভাট্টি পিচ কমিটির সভাপতি (মৃত), উত্তর শিহিপাশা গ্রামের আব্দুল সরদারের ছেলে ইদ্রিস সরদার রাজাকার (জীবিত), একই গ্রামের আহমেদ হাওলাদারের ছেলে কাদের হাওলাদার রাজাকার (মৃত)।

বহু হত্যাযজ্ঞের হোতা ইসফাকুর রহমান তোতা উজিরপুরে সোনালী ব্যাংকের স্বনির্ভর বাংলাদেশ-এ কর্মরত রয়েছেন। মাওলানা শাহাবুদ্দিন খান দীর্ঘদিন জেলা জামাতের সেক্রেটারী জেনারেলের পদে আঁকড়ে থেকে বর্তমানে বার্ধক্যের কারণে ন্যুব্জ দেহে নিজ গৃহে অবস্থানরত। এসকেন্দার আলী শিকদারকে মুক্তিযোদ্ধারা গুলি করলে এক পা হারিয়ে অন্য পায়ে ভর করে স্বাধীনতা পরবর্তী দীর্ঘ সময়ে কুমারভাঙ্গা নামক স্থানে ডাকাতি ও ছিনতাইয়ের সঙ্গে নিজেকে জড়িত রেখেছিল। তিনি ওই এলাকার স্থানীয় বিএনপি তালিকাভুক্ত নেতা।

দু’টি তালিকা প্রণয়নের পরেও সকল যুদ্ধাপরাধীদের তালিকা সম্পন্ন হয়নি বলে নিশ্চিত করেছেন প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধারা। উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড, ইউনিয়ন কমান্ডারগণ, এলাকার প্রবীণ ব্যাক্তি ও ভুক্তভোগী পরিবার সদস্যরা জানান, রাজিহার ইউনিয়নে রাজাকারদের প্রধান ছিলেন আব্দুর রহমান ফকিরের ছেলে মৃত আদেল উদ্দিন ফকির। তার সহযোগী ও লুটেরা হিসেবে গ্রামে লুটতরাজ চালায় বসুন্ডা গ্রামের লেহাজ উদ্দিন মোল্লার দুই ছেলে আব্দুল আজিজ মোল্লা ও জালাল মোল্লা। এই লুটেরা আজিজ মোল্লা চাকুরী শেষে অর্থের বিনিময়ে কাগজপত্র সংগ্রহ করে এখন মুক্তিযোদ্ধা হয়ে রাষ্ট্রীয় ভাতা ও সুযোগ সুবিধাও গ্রহণ করছেন বলে সূত্র নিশ্চিত করেছে।

গৈলা ইউনিয়নের রাজাকার অধ্যুষিত উত্তর শিহিপাশা গ্রামে মৃত সোনামুদ্দিন হাওলাদারের ছেলে মৃত হানিফ হাওলাদার ও তার ভাই মৃত এনায়েত হাওলাদার ১৯৭১ সালের ১ জ্যৈষ্ঠ রোববার পাল পাড়ার মৃত অক্ষয় পালের মা সনাতন পালের স্ত্রী সাবিত্রী রানীকে দিনদুপুরে ঘরের মধ্যে গুলি করে হত্যা করে ঘরের সমস্ত মালামাল লুট করে সাবিত্রী রানীকে ঘরে আটকে আগুন দিয়ে ঘর পুড়িয়ে দেয়।

রাজাকারদের মধ্যে আরেক ভয়ঙ্কর নাম ওই গ্রামের মৃত হানিফ উদ্দিন হাওদারের ছেলে শামসুল হক হাওলাদার। তার স্থানীয় নেতৃত্বে শিহিপাশাসহ আশপাশের কয়েকটি গ্রামে চলে লুটপাট, ধর্ষণ আর হিন্দুবাড়িতে অগ্নিসংযোগ। স্বাধীনতার পর শামসুল হক চাকুরী নেয় সেনাবাহিনীতে। বর্তমানে অবসরে গিয়ে সানলাইফ ইনসুরেন্স কোম্পানীতে গৈলায় কর্মরত।

উপজেলার বাগধা ইউনিয়নের আমবৌলা গ্রামের মৃত লেহাজ উদ্দিন তালুকদারের ছেলে মৃত সাহেব আলী তালুকদার ছিলেন ওই ইউনিয়নের ’৭১ সালে পিচ কমিটির সভাপতি। এলাকায় একাধিক গণহত্যার সাথে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। পরবর্তীতে সাহেব আলী রিলিফ কমিটির চেয়ারম্যান হন। সাহেব আলীর ছেলে মরহুম শহিদুল্লাহ তালুকদার উপজেলা বিএনপির সভাপতির দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি ওই ইউনিয়নের চেয়ারম্যানও নির্বাচিত হয়েছিলেন।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বাগধা গ্রামের সৈজদ্দিন হাওলাদারের ছেলে মৃত কাশেম হাওলাদার ও কালাম হাওলাদার পিচ কমিটির অন্যতম সদস্য হিসেবে এলাকায় গণহত্যা লুটপাট ও অগ্নিসংযোগে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন। সাহেব, কাশেম, কালাম পয়সা নদীর পশ্চিমপাড়ে ১১ জনকে গণহত্যায় অংশ নেয়। যাদের মধ্যে ৯ জনের বাড়ি ছিল খাজুরিয়া গ্রামে, ১ জনের বাড়ি ছিল কোটালীপাড়ার পিঞ্জুরী গ্রামে। অন্য ১ জনের পরিচয় পাওয়া যায়নি। হাশেম গংদের সাথে নিরীহ লোকজনকে গণহত্যায় অংশ নেয় পশ্চিম বাগধা গ্রামের খালেক খান (জীবিত)। বাগধা গ্রামের দেবেন চ্যাটার্জিকে হত্যা করে তার পুরো বাড়ি ও জায়গা সম্পত্তি দখল করে এরা। বাধ্য হয়ে ওই পরিবারের লোকজন ভারত চলে যায়। ওই গ্রামের কালীপদ সমদ্দারকে নির্মমভাবে হত্যা করে তারা। কালীপদ সমদ্দারের স্ত্রী এখনও সেদিনের সেই ভয়ঙ্কর স্মৃতি বুকে নিয়ে অন্যের বাড়িতে আশ্রয় নিয়ে বেঁচে রয়েছেন। তার সকল সম্পত্তি এখন শত্রুদের দখলে। মেয়ে বিয়ের পর একমাত্র ছেলে বর্তমানে ঢাকায় কর্মরত। রতœপুর ইউনিয়নে বারপাইকা গ্রামে যুদ্ধাপরাধী হিসেবে যার নাম সর্বাগ্রে তিনি হলেন আজিজ মোল্লা (মৃত)। স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে ইউপি নির্বাচন করে এলাকায় সমাজসেবী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হতে চেয়েছিলেন।

ফেসবুক থেকে মতামত দিন
Spread the love
  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
উপরে
Social Media Auto Publish Powered By : XYZScripts.com