নন্দীগ্রামে জাতীয় পার্টির নেতাকর্মী এলাকাছাড়া : অস্তিত্ব সংকটে জাপা

৩৭ বার পঠিত

নন্দীগ্রাম (বগুড়া) সংবাদদাতা: বগুড়ার নন্দীগ্রামে পুলিশ কে সহযোগীতা করায় পুলিশের ভূলে সন্ত্রাসীদের উৎপাতে জাতীয় পার্টির নেতাকমীর্রা প্রায় পাঁচমাস ধরে এলাকাছাড়া। এঘটনায় বগুড়া র‌্যাব ১২তে পৃথক দুটি লিখিত অভিযোগ ও থানায় সাধারন ডায়েরী (জিডি নং ৭০২/১৬) করা হয়েছে। গত পাঁচমাস ধরে নেতৃত্ব সংকটে পড়ে অস্তিত্ব হ্রাাতে বসেছে নন্দীগ্রামের জাতীয় পার্টি। বিষয়টি প্রশাসনের বিভিন্ন মহলে লিখিত ও মৌখিভাবে অবহিত করা হলে কোনো সুফল মেলেনি। জানা গেছে, পুলিশের কাজে সহযোগীতা করায় গত রমজান মাসে থানার মধ্যে পুলিশের সামনে জাতীয় পার্টির নেতাকর্মীদের উপর হামলা করে স্থানীয় জাসদ এমপির ভাগিনা মিলনসহ একদল সন্ত্রাসী।

ওই ঘটনায় নন্দীগ্রাম শহর জাতীয় পার্টির সাধারন সম্পাদক নজরুল ইসলাম বাদী হয়ে পাচজনকে আসামী করে থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলার দীর্ঘ তদন্ত শেষে এমপি ভাগিনা মিলনসহ পাচজন আসামীকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেছে পুলিশ। এরপর থেকেই শুরু হয় সন্ত্রাসীদের উৎপাত। জাসদ এমপির ভাগিনা মিলন আদালত থেকে জামিনে বেড়িয়ে এসে মামলার বাদীসহ স্বাক্ষীদের উপর বারবার হামলা করে। বিষয়টি স্থানীয় থানা পুলিশকে জানালেও তারা আমলে নেয়নি। পরে থানার ওসি আব্দুর রাজ্জাক স্থানীয় সাংবাদিকদের উপস্থিততিতে জাতীয় পার্টিসহ অঙ্গসহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের থানায় ডেকে হুমকি দিয়ে বলেন, গৃহপালিত দলের কেউ থানায় ঢুঁকবে না। জাতীয় পার্টি পরিচয় দিলেই গ্রেফতার।

একসাথে একাধিক নেতাকর্মীদের দেখামাত্র মিথ্যা সন্ত্রাস দমন আইনে ফাঁসানোর জড়ালো হুমকি দেন। তারপর থেকেই এমপি ভাগিনা মিলন, যুবলীগ নেতা লেংড়া হানিফ, মাদক সম্রাট মান্নানের নেতৃত্বে বারবার সন্ত্রাসী হামলা ও হত্যা চেষ্টা করা হয়। পরে পুলিশের সহায়তায় সন্ত্রাসীদের উৎপাতে শহর জাপা সাধারন সম্পাদক সম্পাদক নজরুল  ইসলাম ও উপজেলা যুবসংহতির আহবায়ক মোস্তফা কামালসহ নেতাকর্মীদের এলাকা ছাড়া করা হয়। গত পাঁচমাস ধরে এলাকা ছাড়া থাকার পরেও তারা এলাকায় ফিরতে পারছে না। এতে নেতৃত্বে সংকটে পড়েছে জাপা।

বগুড়া জেলা জাতীয় পার্টির সহ-সভাপতি ও নন্দীগ্রাম উপজেলা জাপা সভাপতি হাজী নুরুল আমি বাচ্চু জানান, থানার একজন ওসি জাপাকে গৃহপালিত দল আখ্যা দিয়ে কয়েকজন নেতাকর্মীদের এলাকাছাড়া করা হয়েছে। এপ্রসেঙ্গ জাতীয় পার্টির যুগ্ম-মহাসচিব নুরুল ইসলাম ওমর এমপি বলেন, বিষয়টি আমি জেনেছি। তবে কোনো ভাবেই এটা মেনে নেয়ারমত নয়। প্রশাসনের উর্ধতন কর্মকর্তাদের সাথে বিষয়টি নিয়ে আমরা কথা বলবো।
একই প্রসঙ্গে বগুড়া জেলা পুলিশ সুপার মো. আসাদুজ্জামান বলেন, বিষয়টি আমি শুনেছি। এবিষয়ে আইনগত সকল ধরনের সহায়তা প্রদান করা হবে।

ফেসবুক থেকে মতামত দিন
Spread the love
  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

স্টাফ রিপোর্টার

Bogra Offce

Social Media Auto Publish Powered By : XYZScripts.com