টাঙ্গাইলে সরিষা ক্ষেতে মৌচাষে লাভবান হচ্ছেন মৌচাষিরা

৪৩ বার পঠিত

টাঙ্গাইল, প্রতিনিধিঃ টাঙ্গাইলে সরিষা ক্ষেতে বাণিজ্যিকভাবে মৌমাছির খামার করে লাভবান হচ্ছেন মৌচাষিরা। খামার থেকে সংগৃহীত মধু বিক্রি করে আর্থিক সচ্ছলতা পাওয়ায় অনেকেই এ চাষে আগ্রহী হয়ে উঠেছেন। সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা পেলে এখানকার মধু বিদেশে রফতানি করে, বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন সম্ভব বলে জানালেন মধুপুরের মৌচাষ উন্নয়ন সংস্থার নির্বাহী পরিচালক। তবে টাঙ্গাইল বিসিক শিল্প নগরীর ভারপ্রাপ্ত সহকারী মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারিভাবে মধু সংগ্রহের লক্ষ্যে মধু প্রসেসিং সেন্টার নির্মাণের কাজ শুরু হয়েছে।

টাঙ্গাইলের গোপালপুরের মোহনপুর গ্রামের দিগন্ত জোড়া সরিষার ক্ষেতে এভাবেই ভোঁ ভোঁ করে উড়ে বেড়াচ্ছে অসংখ্য মৌমাছি। শুধু গোপালপুরেই নয়, জেলার ১২টি উপজেলাতে বাণিজ্যিকভাবে গড়ে উঠেছে ছোটবড় ১’শ ৬০টি মৌমাছির খামার। সরিষা ক্ষেতের পাশেই এসব খামারে সারিবদ্ধভাবে বসানো হয়েছে শত শত বাক্স। হাজার হাজার মৌমাছি ফুল থেকে মধু সংগ্রহ করে বাক্সে জমা করছে। আর ৭/৮ দিন পর পর বিশেষ উপায়ে এসব বাক্স থেকে মধু সংগ্রহ করে, বাজারে বিক্রি করে লাভবান হচ্ছেন মৌ-চাষিরা।

পাশাপাশি ক্ষেতে মৌমাছি বিচরণের কারণে সরিষার ফলন ৩০ থেকে ৩৫ শতাংশ বেড়ে যাওয়ায় খুশি কৃষকরাও। এ অবস্থায়, সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা পেলে, এখানকার মধু স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে বিদেশে রপ্তানি করা সম্ভব বলে জানালেন মধুপুর টাঙ্গাইল মৌচাষ উন্নয়ন সংস্থা নির্বাহী পরিচালক মো. আবুল হোসেন। টাঙ্গাইল বিসিক শিল্প নগরী সহকারী মহাব্যবস্থাপক মো. মিরাজ উদ্দিন জানালেন, ইতোমধ্যে সরকারিভাবে মধু প্রসেসিং সেন্টার নির্মাণের কাজ শুরু হয়েছে। গত বছর এ জেলায় ১’শ ২০ মেট্রিক টন মধু উৎপাদন হলেও, এ বছর লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৭’শ ৫০ মেট্রিক টন।

ফেসবুক থেকে মতামত দিন
Spread the love
  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

মোঃ নাজমুল হাসান টাঙ্গাইল প্রতিনিধি #

স্থায়ী ঠিকানা : গ্রাম-জগতলা, ডাকঘর-লাউহাটী, উপজেলা-নাগরপুর, জেলা-টাঙ্গাইল। বর্তমান ঠিকানা : গ্রাম-জগতলা, ডাকঘর-লাউহাটী, উপজেলা-নাগরপুর, জেলা-টাঙ্গাইল। জন্ম তারিখ : ০৩/০৮/১৯৯৯ইং জাতীয়তা : বাংলাদেশী। ধর্ম : ইসলাম। মোবাইল : ০১৭১০-৬৭৩৩৪৪, ০১৫৫৮-৯৯৬০৭৪

Social Media Auto Publish Powered By : XYZScripts.com