প্রসঙ্গ কোটিপতি রেজাউলের যততথ্য? রাজাপুরে শের-ই বাংলার নাম ভাঙ্গিয়ে রেজাউলের ব্যাপক চাঁদাবাজি!

এই সংবাদ ৩৭ বার পঠিত

রাজাপুর (ঝালকাঠি) প্রতিনিধিঃ যিনি ছিলেন বাংলার বাঘ, শের-ই বাংলা এ.কে ফজলুল হক। তার জন্ম হয়েছিল ১৮৭৩ সালের ২৬ অক্টোবর ঝালকাঠি জেলার রাজাপুর উপজেলার সাতুরিয়ার মিঞা বাড়িতে। তার জীবদ্দশায় তিনি শিক্ষা, রাজনীতি ও সমাজসেবায় আনেক অবদান রেখে গেছেন। কিন্তু আজ আন্তর্জাতিক মানের টাউট সাতুরিয়ার রেজাউল করিম শের-ই বাংলার নামকে পুজিঁ করে হাতিয়ে নিচ্ছে প্রশাসন ও দেশ-বিদেশ থেকে কোটি কোটি টাকা। শের-ই বাংলা রিসার্চ সেন্টার নামে রেজাউল প্রতিষ্ঠা করেছেন একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। যার সাইন বোর্ড দেখিয়ে টাকা উপার্জন করছে দেশ-বিদেশ থেকে। খোজ নিয়ে জানা যায়, এই রিসার্চ সেন্টারের নামে বিভিন্ন দপ্তর, দেশ-বিদেশের বিভিন্ন ব্যক্তিবর্গের থেকেও বাগিয়ে নিতে সক্ষম হয়েছে বিপুল অর্থ। এই সেন্টার পরিচালনার জন্য রয়েছে তার বেতন ভুক্ত স্থানীয় ও জেলা উপজেলার বিশাল সন্ত্রাসী বাহিনী। আবার এই সেন্টার প্রশাসনের হাত থেকে বিপদমুক্ত রাখার জন্য রয়েছে এক ঝাক বেতন ভুক্ত সাংবাদিক ও আইনজীবি। আশ্চর্যের বিষয়, এই রিসার্চ সেন্টারের সাথে শের-ই বাংলার আতœীয় স্বজন কেউই জড়িত নয়। সাতুরিয়ায় নির্মিত এই সেন্টারটি রেজাউলের একটি ব্যক্তিগত ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। ইঞ্জিনিয়ার ও সাংবাদিক তকমা লাগিয়ে এই রেজাউল করিম এসব অপকর্ম শুরু থেকে চালিয়ে আসছে। রিসার্চ সেন্টারের নামে বহিরাষ্ট্রে চাঁদাবাজি বাংলাদেশের ও শের-ই বাংলার ভাবমুর্তি ক্ষুন্ন করে বলে মনে করেন রাজাপুরের সুধীজন। একটি বিশ্বস্ত সূত্র জানায়, গত ২৭ এপ্রিল সেন্টারের উদ্যোগে শের-ই বাংলার মৃত্যু বার্ষিকী উদযাপনকে কেন্দ্র করে রেজাউলের আয় হয়েছে লক্ষ লক্ষ টাকা। প্রতি বছর এসব অনুষ্ঠানকে ফোকাস করার জন্য সরকারের উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তা ও সরকারি দলের প্রভাবশালি নেতাদের অতিথি করা হয়।  এলাকাবাসি জানায়, রিসার্চ সেন্টার বলতে যা বুঝায়, তা কোনদিনই এই সেন্টারে পরিচালনা করা হয়নি। এটি একটি নাম সর্বস্ব সংগঠন যেখানে নাম মাত্র কয়েক খানা বই রেখে গণপাঠাগার পরিচালিত হচ্ছে। এই পাঠাগারের নামেও রয়েছে ব্যাপক চাঁদাবাজির অভিযোগ। এলাবাসীর মন্তব্য এই রিসার্চ সেন্টারে শের-ই বাংলাকে নিয়ে নয়, রিসার্স করা হয় রেজাউল ও তার পরিবারকে নিয়ে। শের-ই বাংলার নাম ভাঙ্গিয়ে চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে ব্যাবস্থা গ্রহন এবং রেজাউলের অর্থের উৎসের ব্যাপারে তদন্তের জন্য সরকারের কাছে জোড় দাবি রাজাপুর বাসির।Rajapur Photo 30.04.16

ফেসবুক থেকে মতামত দিন
Spread the love
  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

মিজানুর রহমান পনা (মিজানপনা)

Meezanur rahman Pana SAMOBAD PROJUKTI CENTER. RAJAPUR,JHALAKATHI Contact no:01715657840,01833411222, E-mail:meezanpana@gmail.com Excepted Post: Jhalakathi Correspondent.

Social Media Auto Publish Powered By : XYZScripts.com