বিএনপির দুঃসময়ের কান্ডারী

বগুড়া-৪ : বিএনপি নেতাকর্মী ও জনগনের মনে ঠাঁই করে নিলেন আলহাজ্ব মোশারফ

১০৩ বার পঠিত

নিজস্ব প্রতিবেদক: দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর বগুড়া-৪, কাহালু-নন্দীগ্রাম আসনের বিএনপির সকলে হাল ছাড়লেও হাল ছাড়েননি কেন্দ্রীয় জিয়া শিশু কিশোর সংগঠনের সহ-সভাপতি, কেন্দ্রীয় কোকো স্মৃতি পরিষদের যুগ্ন আহবায়ক, বগুড়া জেলা বিএনপির সদস্য বিএনপির দুঃসময়ের কান্ডারী শিল্পপতি আলহাজ্ব মোশারফ হোসেন।

দশম সংসদ নির্বাচনের পরও তিনি কাহালু-নন্দীগ্রাম এলাকার বিএনপির তৃর্ণমূল পর্যায়ের সমর্থক, নেতাকর্মীদের সাথে কুশল বিনিময় এবং আবাল বৃদ্ধ, কিশোর-কিশোরী, যুবক-যুবতী, রিক্রা, ভ্যান চালক সহ সর্ব জনসাধারনের কাছে জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) এর পতাকাতলে আনার জন্য দিনরাত দাওয়াত দিয়ে যাচ্ছেন।

তিনি অতিঅল্প সময়ে বিএনপির সমর্থক, নেতাকর্মী ও জনসাধারণের কাছে জনপ্রিয় এবং প্রসংশিত হয়ে উঠচ্ছেন। যার ফলে কাহালু-নন্দীগ্রাম এলাকার জাতীয়তাবাদী চেতনার ধারক শহীদ জিয়ার আর্দশ বাস্তবায়নকারী তথা বিএনপির নেতাকর্মী সমর্থকবৃন্দ আগামীতে সংসদ নির্বাচনে কাহালু-নন্দীগ্রাম আসনে আলহাজ্ব মোশারফ হোসেন মনোনয়ন পাবেন বলে তারা আশাবাদী। প্রথম দিকে কাহালু-নন্দীগ্রাম বিএনপি ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ কেউ তাকে কাহালু-নন্দীগ্রাম রাজনৈতিক অঙ্গনে উৎসাহিত বা সহযোগীতা করেননি।

তথাপি তিনি হাল ছাড়েননি। দু-চারজন বিএনপি সমর্থকদের নিয়ে দুই উপজেলার তৃর্ণমুল পর্যায়ের মানুষদের মাঝে শহীদ জিয়ার আদর্শ বাস্তবায়ন এবং বেগম খালেদা জিয়া ও তারেক জিয়ার নেতৃত্বে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহবান জানান। দুই উপজেলার প্রত্যন্ত এলাকায় নিজস্ব অর্থায়নে স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা, মসজিদ, মক্তব ও মন্দিরে দেওয়াল ঘড়ি, ফ্যান, কোম্বল বিতরন এবং বিভিন্ন প্রয়োজনীয় উপকরণ সহ আর্থিক সহযোগীতা প্রদান করে আসছেন তিনি।

দুই উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের অনেক কর্মকান্ডে তার পদবি থাকা সত্বেও তিনি দর্শকের সাড়িতে থেকেছেন। দর্শকের সাড়িতে থেকেও কর্মকান্ড করেও তিনি কোখানো হতাশ হননি। তিনি ক্ষুব্ধ হননি বরং তীক্ষè মেধা দিয়ে মার্জিত ও ভদ্র আচারনের মাধ্যমে নেতৃবৃন্দ, কর্মী সমর্থকদের সব সময় আকৃস্ট করার চেস্টা করেন। বিশেষ করে তৃর্ণমূল মানুষদের সাথে মতবিনিময়ে বেশীর ভাগ সময় দেন তিনি।

৫ জানুয়ারী-২০১৪ দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর পাল্টে গেল কাহালু-নন্দীগ্রাম বিএনপির প্রেক্ষাপট। এমপি ইঞ্জিঃ জেড আই এম মোস্তফা আলী মুকুল সাবেক হয়ে যাওয়ার পর কয়েকটা ছোট খাট কর্মসূচী পালন করেন। নির্বাচন হওয়ার পরও ঘরে বসে না থেকে দিনে-রাতে আলহাজ্ব মোশারফ হোসেন দুই উপজেলার বিএনপি ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দের সাথে যোগাযোগ এমনকি বিভিন্ন কর্মসূচীতে তিনি অংশগ্রহন করে আসছেন। কাহালু-নন্দীগ্রাম এলাকার বিএনপির তৃর্ণমূল পর্যায়ের ৫ শতাধিক ব্যক্তির সাথে কথা বলা হলে তারা জানান, সংগঠনকে শক্তিশালী করার জন্য বিশিষ্ট শিল্পপতি আলহাজ্ব মোশারফ হোসেনের মত নেতা দরকার।

ফেসবুক থেকে মতামত দিন
Spread the love
  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

স্টাফ রিপোর্টার

Bogra Offce

Social Media Auto Publish Powered By : XYZScripts.com