খেলতে খেলতে পড়া : ভালুকায় শিশুদের প্রারম্ভিক বিকাশে আনন্দ স্কুল

সফিউল্লাহ আনসারী, ময়মনসিংহ: খেলা-ধুলা,নাচ-গান,ছড়া গান,দোলনা,মই-সবই শিক্ষার মাধ্যম। ৫ বছরের কম বয়সী শিশুদের স্কুল এটি। ভালুকা সদর থেকে প্রায় ২০ কি:মি: দুরে ময়মনসিংহ জেলার সীমান্ত আর গাজীপুর জেলার সীমানা ঘেষে কাচিনা দ: পাড়া রাজ্জাক মাস্টারবাড়ী ইসিসিডি সেন্টার। ওয়ার্ল্ডভিশন ভালুকা এডিভির শিক্ষা প্রকল্পের আওতায় পরিচালিত এই খেলতে খেলতে পড়া,দরিদ্র শ্রেণীর শিশুদের প্রারম্ভিক বিকাশে আনন্দ স্কুল। ২০জন শিক্ষার্থীর এ স্কুলে রয়েছে দু‘জন প্রতিবন্ধিও। শিক্ষিকা সামছুন্নাহার সিদ্দিকার তত্বাবধানে সকাল ০৯টা থেকে সাড়ে ১১টা পর্যন্ত শিশুদের হাতে কলমে-খেলতে খেলতে শেখানো হয়। তাদের মানসিক বিকাশের জন্য বন্ধু সুলভ স¤পর্ক গঠনে সহায়ক করা যাতে ৬ বছর বয়সে প্রাইমারি স্কুলে ভর্তি হতে সহজ হয়।

বিনামুল্যে শিক্ষা উপকরণ যেমন বইপত্র স্কুল থেকে দেয়া হয়। শিক্ষার্থীদের বাবা-মাকে তাদের পরিচর্যার জন্য সেশন নেওয়া হয়।এই প্রোগ্রামে শিশুদের অভিভাবকদেরকে সচেতন করে তোলা হয়। একজন শিক্ষিকা যিনি সকাল থেকে জাতীয় সংগীতের মাধ্যমে স্কুল শুরু করে শরীর চর্চা,বর্ণের মাধ্যমে শিক্ষা,অভিনয়ের মাধ্যমে এবং স্কুল ঘরের চারটি কর্ণারের আলাদা উপায়ে ছবি,অংকন,তৈরী ফল,প্রাণী ও অক্ষর দিয়ে দোলনায় দুলিয়ে শিক্ষা দান কার্যক্রম যাতে শিশুরা সহজেই আনন্দের মাধ্যমে খেলার ছলে শিখছে।যেহেতু শিশুর বিকাশের জন্য স্কুল তাই নেই পরীক্ষার কোনই ঝামেলা,তবে প্রাইমারিতে যাওয়ার আগে নেওয়া হয় মৌখিত মূল্যায়ণ।

কথা হয় প্রজেক্ট অফিসার প্রদীপ কুমার মাঝি ও সুপার ভাইজার আসাদুজ্জামানের সাথে,জানালেন ভালুকায় এরকম স্কুল রয়ছে ১৪টি,কাচিনা ইউনিয়নে চারটি। শিশুদের প্রাথমিক স্কুলে ভর্তির উপযুক্ত করে গড়ে তোলতে এবং তাদের মানসিক বিকাশের জন্য এই প্রোগ্রাম বেশ সাড়া জাগিয়েছে। øানীয়ভাবে ৭ সদস্যের কমিটি স্কুল পরিচালনায় ভুমিকা রাখছেন এমন অনেকেই রোববার (২০নভেম্বর) স্কুল পরিদর্শনের সময় উপস্থিত ছিলেন। স্কুলে গিয়ে দেখা যায় ক্ষুদে শিক্ষাথীদের উচ্ছাসে মুখরিত আনন্দঘন পরিবেশ ।

ফেসবুক থেকে মতামত দিন
Spread the love
  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
৩৫ বার পঠিত

সফিউল্লাহ আনসারী নববার্তা ষ্টাফ রিপোর্টার

আজো চেনা হরোনা নিজেকেই ...! 01715-787772

Social Media Auto Publish Powered By : XYZScripts.com