গণিতের নতুন সূত্র: বিশ্বকে চমকে দিলেন গাজীপুরের মকবুল হোসেন রানা

২৯,৪৯১ বার পঠিত

মাহবুবুর রহমান, গাজীপুর প্রতিনিধিঃ যুগ যুগ ধরে অনেক বিজ্ঞানী, উদ্ভাবক নতুন কিছু বিশ্বকে উপহার দিয়ে যাচ্ছেন।তেমনি একজন জ্ঞানী ও গুনী ব্যক্তি বাংলাদেশের কৃতি সন্তান মকবুল হোসেন রানা দীর্ঘ সাধনা ও গবেষণার পর তিনি তাঁর গাণিতিক সূত্রটি “ ইন্টারন্যাশনাল অরগানাইজেশন অব সায়েন্টিফিক রিসার্স(আইওএসআর)” এর জারনাল অব ম্যাথমেটিকস এ পাঠান ২০০৮ সালে।পরে রিসার্স করে এক দল দক্ষ ও অভিজ্ঞ গণিতবিদ তাঁর উদ্ভাবিত “ ত্রৈ-রাশিক বর্গীয় সূত্র ও রানা’স কন্সটেন্ট ” সূত্রটিকে স্বীকৃতি দিয়েছেন।যা পরবর্তীতে বিজ্ঞান তথা গণিত বিজ্ঞানের শিক্ষার্থীদের জন্য অগ্রনি ভূমিকা রাখবে।

মকবুল হোসেন রানার সংক্ষিপ্ত জীবনী ও উ্দ্যমের কিছু কথা লিপিবদ্ধ করা হলোঃ গাজীপুর জেলার শ্রীপুর উপজেলার ২ নং গাজীপুর ইউনিয়নের ধনুয়া (দঃ) গ্রামের সম্ভ্রান্ত এক মুললিম পরিবারে জন্ম গহন করেন। জন্ম ২ রা ফেব্রুয়ারী ঊনিশ শত তিহাত্তর। পিতার নাম আবেদ আলী, মাতা নূরজাহান বেগম। দাদা মুহাম্মদ আলী মুন্সী। পরদাদা সাদেক আলী সরকার।যার নামানুসারে ঐতিহ্যবাহী মুন্সী বাড়ী নাম হয়ে থাকে। মকবুল হোসেন রানা সাত ভাই ও চার বোনের মধ্যে চতুর্থ। কঠোর শ্রমের মাধ্যমে তিনি আজ সমাজে একজন সুপ্রতিষ্ঠিত বক্তি। তিনি ১৯৮৮ সালে মাওনা বহুমুখী উচ্চ বিদালয় থেকে প্রথম বিভাগে মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট(বিজ্ঞান), ১৯৯০ সালে ভাওয়াল বদরে আলম সরকারি কলেজ থেকে উচ্চ মাধমিক সার্টিফিকেট (বিজ্ঞান), ১৯৯৩ সালে একই কলেজ থেকে ব্যাচেলর অব সায়েন্স (গণিতসহ বিজ্ঞান) ও ১৯৯৪ সালে ঢাকার সরকারি তিতুমির কলেজ থেকে ব্যাচেলর অব আর্টস ডিগী লাভ করেন। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদালয় থেকে পোস্ট গ্রাজুয়েট ডিপ্লোমা ইন কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইনফরমেশন টেকনোলজী, প্রাইম এশিয়া ইউনিভার্সিটি থেকে মাস্টার্স অব বিজনেজ এডমিনিসট্রেশন ডিগী অর্জন করেন। বর্তমানে তিনি জাহাঙ্গীর বিশ্ববিদালয়ে প্রফেশনাল মাস্টার্স অব ইনফরমেশন এন্ড টেকনোলজীতে অধ্যয়নরত আছেন।

স্কুল জীবন থেকেই তিনি মেধাবী। বিভিন্ন সময় স্কুল-কলেজসহ সরকারী ভাবে বিজ্ঞান মেলায় নতুন কিছু সৃষ্টি করে সকলের দৃষ্টি কাড়তে সক্ষম হন। দশম শ্রেণীতে থাকা অবস্থায় ১৯৮৭ সালে মাওনা হাই স্কুলের সহকারী প্রধান শিক্ষক শ্রদ্ধেয় আব্দুল মতিন কর্তৃক “ জীন অব ম্যাথমেটিকস ” উপাধী পান। ১৯৮৯ সালে ভাওয়াল কলেজ থেকে অধ্যাপক আবুল হাশেম ও প্রভাষক আফজাল হোসেন কর্তৃক ক্ষুদে বিজ্ঞানীর স্বীকৃতি সনদ অর্জন করেন। ১৯৯০ সালে ভাওয়াল কলেজের অধ্যক্ষ এম.এ রাকিব কর্তৃক যুব বিজ্ঞানীর স্বীকৃতি সনদ অর্জন করেন। ১৯৯৩ সালে গাজীপুর জেলা বিজ্ঞান মেলায় অংশ নিয়ে “ অংকের সহজে সংখের খেলা ”–র জন্য যুব বিজ্ঞানীর স্বীকৃতি সনদ অর্জন করেন। ২০০৮ সালে তিনি তাঁর গবেষণালব্ধ “ ত্রৈ-রাশিক বর্গীয় সূত্র এবং রানা’স কন্সটেন্ট ” আইওএসআর এ পাঠান।

২০১৫ সালে অর্থাৎ দীর্ঘ ৭ বছর যাচাই বাছাই এর পর ২০১৫ সালে স্বীকৃতি সনদ পেয়েছেন। যা ২০১৬ সালের নভেম্বর সংখ্যায় প্রকাশিত হয়েছে। ভোল ১২ ইস্যু৬ ভার২ নভে/ডিসে।তাঁর সহর্ধমীনি ডাঃ মরিয়ম আক্তার স্বপ্না(এমবিবিএস)। তিনি আদিব মাহদী ঈশা নামের এক মাত্র পুত্র সন্তানের জনক। বর্তমানে তিনি টেক্সটাইল সেক্টরের সাথে জড়িত। তিনি দেশের খ্যাতিমান শিল্প প্রতিষ্ঠান আফতাব গ্রুপের স্পিনিং ডিভিশনের প্রধান পরার্মশকের দায়িত্ব পালন করছেন। তাঁর অন্যান্য রিসার্সের মধ্যে রয়েছে অরগানিক কটন, ন্যাচারাল কালার কটন, অব্যবহৃত তুলা থেকে গো-খাদ্য, ন্যাচারাল ফারটিলাইজার ফ্রম র-কটন, স্লাইভার টু ফেব্রিক্স সিস্টেম ডেভেলপমেন্ট।তিনি কর্ম সাধনার জন্য সকলের নিকট দোয়া প্রার্থী।

ফেসবুক থেকে মতামত দিন
Spread the love
  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
Social Media Auto Publish Powered By : XYZScripts.com