মুশফিক কানাডায়, হাজারী কসবা আখাউড়ায়, কাজি আনোয়ার হুসেনের স্থলাভিক্ত তার ছেলে কাজী নাজমুল

 আদিত্ব্য কামাল #  কসবা আখাউড়ার সাবেক সাংসদ মুশফিকুর রহমান এখন কানাডায়, এ বারের ইউপি এবং পৌর নির্বাচনে ব্যাপক বানিজ্য হয়েছে পাশাপাশি আওয়ামীলীগ কে বিনা চ্যালেঞ্জে নির্বাচনে বিজয়ী করতে ভুমিকা রাখায় এখান থেকে ও মোটা অংকের উপঢৌকন  পেয়েছেন দেশী মালে আর পুষে না। তাই সাধা চামড়ার স্বাধ নেয়ার জন্য কানাডা গিয়েছেন। জেলা বিএনপির ৫ সদস্যের সহ সভাপতি করবে এই প্রতিশ্রুতি দিয়ে জেলা বিএনপি নেতাদের আবু আসিফের সামনে ফোন দিয়ে আর ও নগদ ২,০০,০০০/= নিয়ে গেছে।

দলীয় নেতাকর্মীরা কারাগারে সে দিকে কোন খোঁজ নেই তিনি বেরিয়েছেন প্রমোদ ভ্রমনে। এই বিএনপি করবে আন্দোলন লজ্জা হয় ওদের নাম মুখে নিতে। অপর দিকে কসবা আখাউড়ার মাটি ও মানুষের নেতা নাছির হাজারী এলাকা চষে বেড়াচ্ছেন, কেন্দ্রীয় কর্মসূচির কারনে ঢাকায় ব্যস্ত থাকার কারনে প্রতিটি এলাকায় বিএনপি নেতাকর্মীদের নিয়ে ইফতার পার্টি করিয়ে যাচ্ছেন। এই হচ্ছে মাটি মানুষের নেতা নিজে উপস্থিত না থাকলে ও এলাকায় নিয়মিত তৃণমূল নেতাকর্মীদের নিয়ে ইফতার পার্টি করিয়ে যাচ্ছেন। কিন্তু ইফতার পার্টিতে দলীয় পদ পদবি ধারী নেতাকর্মীরা ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও যোগ দিতে পারছেন রোষানলের ভয়ে।

ইতিমধ্য এ মুশফিকুর রহমানের পিএস সকলকে অবহিত করে রেখেছেন হাজারীর ইফতার পার্টিতে উপস্থিত হলে বিনা নোটিশে বহিষ্কার করা হবে। আখাউড়ায় ইফতার পার্টির জন্য, আবুল মনসুর মিশন, মোঃ হানিফ ও ইয়ার হোসেন বিভিন্ন ব্যক্তির নিকট যেয়ে মুশফিকুর রহমানকে ফোনে ধরিয়ে দিয়ে কম করে হলে ও ৫,০০,০০০/= টাকা চাঁদাবাজি করেছে। বিশ্বস্ত সুত্রের খবর অনুযায়ী কসবার আখাউড়ার মাদক ব্যবসায়ীদের নিকট থেকে নিয়েছে ১,০০,০০০/=। হাজারী এবং মুশফিকুর এর মধ্যে পার্থক্য একজন চাঁদাবাজি করে ইফতার করে অপর জন নিজে চাঁদা দিয়ে গরীব দুঃখীদের পাশে ধারান এই হচ্ছে মুশফিকুর রহমানের সাথে পার্থক্য। তৃণমূল নেতাকর্মী রা সংগঠিত হউন। চাধাবাজ মুশফিকুর রহমান ও তাদের দোষর দের না বলুন।

আরেক জন মুশফিকুর রহমানের সহযোদ্ধা হালের বিএনপি নেতা কাজী আনোয়ার হোসেন তার ছেলে কাজী নাজমুল হোসেনকে স্থলাবিশিক্ত কোঁড়ার জন্য উঠে পড়ে লেগেছেন। ১৯৮৬,৮৮,৯১ ও ২০০১ সালে জাতীয় পার্টির এমপি হয়ে এলাকার কোন উন্নয়ন করেননি উন্নয়ন করেছেন নিজের ব্যবসা বানিজ্যের তাই জন রোষের ভয়ে এখন এলাকায় আসেন হেলিকপ্টারে অবস্য ছেলেকে এবং ছেলের বউকে আনতে বুলেন না। সুন্দরী পুত্র বধূর কারনে যদি দলের নেতাকর্মীরা তার ছেলেকে নেতা হিসেবে মেনে নেন। যে কোন মুল্যে তার ছেলেকে নবীনগরের রাজনীতিতে প্রতিষ্ঠা করতে হবে। শত শত নেতাকর্মী জেলে অর্ধাহারে অনাহারে দিন কাটাচ্ছে।

এক সময় যারা নবীনগর বিএনপি প্রতিষ্ঠা করেছিল তারা আজ দল থেকে নির্বাসিত তারা ব্যক্তিগত উদ্যোগে দলীয় সকল কর্মসূচী পালন করে যান। আরেক কুখ্যাত চাঁদাবাজ আনিছুর রহমান মঞ্জু নবীনগর বিএনপির কলংক। শুধু কাজী আনোয়ারের নাম করে গত ১ বছরে বিদেশ থেকে ২০,০০,০০০/= টাকা চাঁদা তুলেছে। আর ইউপি নির্বাচনে মনোনয়ন বানিজ্য করেছে ১৫,০০,০০০/=।সকল তথ্য উপাত্ত আমার নিকট আছে এর মধ্যে কচি মোল্লাকে দিয়েছে দিয়েছে ২,০০,০০০/= টাকা। আর ইফতার উপলক্ষে ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকে চাঁদা তুলেছে ২,০০,০০০/= । তৃণমূল নেতাকর্মীদের আমার একান্ত অনুরুধ কাজী আনোয়ার ও চাঁদাবাজ মঞ্জু কে না বলুন।

আর মঞ্জু সাহেবকে বলছি হুংকার না দিয়ে নবীনগর বিএনপি অফিস গুলো উদ্ধার করুন। সাধারণ সম্পাদক হিসেবে এটা আপনার দায়িত্ব এমন রাম পেদানি পেদাবে অতীতের সব মার ভুলে যাবেন। তৃণমূল নেতাকর্মীদের মামলা থেকে কি পরিপান টাকা তুলেছেন এগুলো এখন সকলের মুখে মুখে আর আপনার কাজী আনোয়ার কাদের নিকট থেকে মামলার চাঁদা বাবদ কোথা থেকে এনেছে আমরা জানি। আর আপনি ব্রাহ্মণবাড়িয়া কারাগারের পিসি থেকে কত টাকা ফেরত এনেছেন আমার নিকট তার ও প্রমান আছে। যথা সময়ে উপস্থাপন করব। কাজী আনোয়ারের নিকট নিজের চাকুরী বাঁচানোর জন্য তার ছেলেকে মাঠে নামিয়েছেন এতে আপনার শেষ রক্ষা হবে না।

ফেসবুক থেকে মতামত দিন
Spread the love
  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
৪৬ বার পঠিত

আদিত্ব্য কামাল, ব্রাক্ষণবাড়ীয়া প্রতিনিধি #

Adithay Kamal House#412, Alhampara, Bhadughar 3400 Brahmanbaria, Bangladesh Mobile : 01713-209385

Social Media Auto Publish Powered By : XYZScripts.com