সংসদীয় ককাস ও জাতীয় আদিবাসী পরিষদের ভুগরইল গ্রামের আদিবাসীদের সার্বিক অবস্থা পরিদর্শন

সূভাষ চন্দ্র হেমব্রম, রাজশাহী # আদিবাসী বিষয়ক সংসদীয় ককাস ও জাতীয় আদিবাসী পরিষদের প্রতিনিধি দল ২৭ নভেম্বর ২০১৫ শুক্রবার বেলা ১২.০০ টায় রাজশাহী জেলার পবা উপজেলার শাহমখদুম থানার ভুগরইল গ্রামের আদিবাসীদের সার্বিক অবস্থা পরিদর্শন করেন। সেখানে গ্রামবাসীর সাথে প্রতিনিধি দল কথা বলে ঘটনার বিস্তারিত শুনেন।  Adibashi 01প্রতিনিধি দলে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় আদিবাসী পরিষদের প্রধান উপদেষ্টা ও আদিবাসী বিষয়ক সংসদীয় ককাসের আহ্বায়ক জননেতা ফজলে হোসেন বাদশা, এমপি, জাতীয় আদিবাসী পরিষদের উপদেষ্টা রফিকুল ইসলাম পিয়ারুল, কেন্দ্রীয় সভাপতি রবীন্দ্রনাথ সরেন, সাধারণ সম্পাদক সবিন চন্দ্র মুন্ডা, সাংগঠনিক সম্পাদক বিমল চন্দ্র রাজোয়াড়, কেন্দ্রীয় দপ্তর সম্পাদক সূভাষ চন্দ্র হেমব্রম, রাজশাহী জেলা সাধারণ সম্পাদক সুশেন কুমার শ্যামদুয়ার, রাজশাহী মহানগর শাখার সাধারণ সম্পাদক আন্দ্রিয়াস বিশ্বাস, আদিবাসী যুব পরিষদের কেন্দ্রীয় সভাপতি হরেন্দ্রনাথ সিং, সাধারণ সম্পাদক নরেন পাহান, আদিবাসী ছাত্র পরিষদের কেন্দ্রীয় সভাপতি বিভূতী ভূষণ মাহাতো, বাংলাদেশ ছাত্র মৈত্রী কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি ও রাজশাহী মহানগর শাখার সভাপতি লুৎফর রহমান তারেক, আদিবাসী ছাত্র পরিষদের কেন্দ্রীয় তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক দেবতা হেমব্রম প্রমূখ।Adibashi 03আদিবাসী বিষয়ক সংসদীয় ককাসের আহ্বায়ক ফজলে হোসেন বাদশা বলেন, আদিবাসীরা এদেশের নাগরিক। তাদের ভোটাধিকার আছে। প্রত্যেক নাগরিকের অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দায়িত্ব রাষ্ট্রের। ভুমিদস্যু সন্ত্রাসীদের হুশিয়ারি করে বলেন অপরাধী যেই হোক না কেন তার পরিনাম খারাপ আছে। অপরাধ করে কেউ পার পাবে না। পুলিশ প্রশাসনকে আদিবাসীদের পক্ষে থেকে কাজ করার আহ্বান জানান। পুলিশ যদি আদিবাসীদের ন্যায়ের পক্ষে কাজ না করে তবে তিনি ওসি, এসপি, কমিশনার থেকে শুরু করে প্রধানমন্ত্রী পর্যন্ত জানাবেন। প্রয়োজনে তিনি আদিবাসীদের জন্য তিনি প্রধানমন্ত্রীকে বলবেন। জাতীয় আদিবাসী পরিষদের সভাপতি রবীন্দ্রনাথ সরেন বলেন, পহাড়ীয়া সম্প্রদায়ের উপর হামলা, নির্যাতন, বাড়িতে অগ্নিসংযোগ অবশ্যই আইনের আওতায় এনে শাস্তির ব্যবস্থা প্রশাসনকে করতে হবে। অন্যথায় এখানকার আদিবাসীরা শান্তিতে বসবাস করতে পারবে না। এর সুরাহা হওয়া দরকার।

ফেসবুক থেকে মতামত দিন
Spread the love
  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
২৬ বার পঠিত

Leave a Reply