রমজান শুরুর সঙ্গে সঙ্গে কাঁচা বাজারে আগুন

২১ বার পঠিত

রমজান শুরুর সঙ্গে সঙ্গে বেগুনের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে কয়েক গুণ। রমজানের চতুর্থ দিনে রাজধানীর কারওয়ান বাজার ঘুরে দেখা যায় প্রতি কেজি বেগুন বিক্রি হচ্ছে ৭০ থেকে ৭৫ টাকা। গত সপ্তাহে প্রতি কেজিতে এর দাম ছিল ৪৫ থেকে ৫০ টাকা। ক্রেতাদের বলছেন, প্রথম ও দ্বিতীয় রোজার থেকে শুক্রবার বেগুনের দাম কম। তবুও এ দাম ক্রয় ক্ষমতার বাইরে। এর দাম আরো কমানো দরকার। তবে বিক্রেতারা বলছেন,  রমজানে রেস্টুরেন্ট ও হোটেল ব্যবসায়ীরা এক সঙ্গে ১৫ থেকে ২০ কেজি বেগুন কিনে নিয়ে যান। একারণে বাজারে বেগুনের চাহিদা বাড়ে এবং দাম বৃদ্ধি পায়।

বাজার ঘুরে দেখা যায়, রমজানের আগে দেশি মুরগির দাম বাড়লেও রমজানের প্রথম সপ্তাহে মুরগির দাম আবারও বেড়েছে। গত সপ্তাহে তুলনায় এ সপ্তাহে দাম ৩০ থেকে ৪০ টাকা বৃদ্ধি পেয়ে বিক্রি হচ্ছে ৩৬০ থেকে ৩৭০ টাকা কেজি। বাজারে দেশী মুরগির চাহিদা কম হওয়ায় দাম বৃদ্ধি পেয়েছে বলে জানান ব্যবসায়ীরা। ব্রয়লার মুরগি প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ১৯০ টাকায়, পাকিস্তানি মুরগির পিস ২৭০ টাকা থেকে ২৮০ টাকা, খাসির মাংস বিক্রি হচ্ছে৬৫০ টাকায়, গরুর মাংস ৪২০ টাকা। 

এছাড়া নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্য পেঁয়াজ, রসুন, ডাল, ছোলা, কাঁচা মরিচ, সবজি, সয়াবিন তেলসহ অন্যান্য পণ্য গত সপ্তাহের দামে বিক্রি হচ্ছে। পেঁয়াজ প্রতি কেজি ৪০ থেকে ৪৫ টাকা, কাঁচামরিচ ৬০ থেকে ৭০ টাকা, খোলা বাজারে সয়াবিন ৮০ টাকা, ছোলা ৯০ থেকে ১১০ টাকা, মসুরের ডাল ১২০ থেকে ১৫০ টাকা, আমদানি করা বড় দানার মসুর ডাল ১০০ টাকাথেকে ১১৫ টাকা, দেশী রসুন ১২০ থেকে ১৩০ টাকা। গত সপ্তাহের তুলনায় এ সপ্তাহেও সবজির দাম বাড়েনি। 

ঢেঁড়স ৩০  টাকা,   ঝিঙা  ৩০  টাকা,  পটল  ৩০ টাকা,  সব ধরনের শাক ২০ থেকে ৩০ টাকা, মিষ্টি  কুমড়া (ফালি) ৩০ টাকা, ধনে পাতা  ১২০ টাকা,  পেঁপে  ৪০ টাকা,  শসা  জাতভেদে  ৩০  থেকে  ৪০ টাকা, করলা ৪০  থেকে  ৬০  টাকা  কেজিতে  বিক্রি  হচ্ছে  কাঁকরোল  ৭০  থেকে  ৮০  টাকায়  বিক্রি  হয়।  খুচরা বাজারে  প্রতিটি কপি ২৫ থেকে  ৩০ টাকায়  এবং  ছোট  লাউ  ৪০  টাকায় বিক্রি  হচ্ছে।   

গত সপ্তাহের দামেই বিক্রি হচ্ছে মাছ। ইলিশ জোড়া প্রতি ২ হাজার টাকা,  শিং ৬০০ টাকা, বোয়াল (বড়) ৭০০,  রুই  মাছ  (ছোট)  ২৫০ টাকা,  রুই  (বড়)  ৩২০ টাকা  কেজি।  ছোট  কাতলা ৩০০ টাকা  ও  বড়  ৩৫০  টাকা  কেজি। চিংড়ি  (ছোট)  ৫০০  টাকা  কেজি। তেলাপিয়া  ২২০  থেকে  ২৪০ টাকা  কেজি।

বাজার করতে আসা পেশাজীবী আব্দুল হালিম বলেন, রমজানে এক শ্রেণির ব্যবসায়ীরা সিন্ডিকেট করে বিভিন্ন পণ্যের দাম বাড়াচ্ছে। বিশেষ করে ইফতারিতে বেগুন বেশি দরকার পড়ে। এজন্য ব্যবসায়ীরা বেগুনের দাম বাড়িয়ে দিচ্ছে। তিনি বলেন, রমজানের আগে সরকার পেঁয়াজ মজুদ করে রেখেছিলো। এ জন্য ব্যবসায়ীরা এর দাম বাড়াতে পারে নি। তাই তারা এখন বেগুনকে টার্গেট করেছে। পণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণে সিটি কর্পোরেশনের বাজার মনিটরিংয়ের দাবি জানান তিনি।

ফেসবুক থেকে মতামত দিন
Spread the love
  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
Social Media Auto Publish Powered By : XYZScripts.com