,

AD
নববার্তা.কম এর সংবাদ পড়তে লাইক দিন নববার্তা এর ফেসবুক ফান পেজে

চেয়ারম্যানের ছেলে ও শ্যালকদের নেতৃত্বে পুলিশের উপর হামলায় এসআইসহ ৪ জন আহত

লাইক এবং শেয়ার করুন

বরিশালের আগৈলঝাড়ায় আওয়ামীলীগ নেতা উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যানের ছেলে ও শ্যালকদের নেতৃত্বে পুলিশের উপর হামলা চালিয়ে এক এসআইসহ ৪ জনকে আহত করেছে। পুলিশের উপর হামলা ও চাঁদাবাজির মামলায় ৩ শ্যালক গ্রেফতার। আহত পুলিশ সদস্যদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। হামলার ঘটনায় মামলা রুজু হয়েছে। আহত পুলিশ, থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শীসূত্রে জানা গেছে, উপজেলার নগড়বাড়ি গ্রামের ঠিকাদার ও ব্যবসায়ী গিয়াস উদ্দিন হাওলাদার ওরফে উমেদ আলী গিয়াসের মেয়ে সাথীর সাথে একই উপজেলার নিমারপাড় গ্রামের ঠিকাদার ব্যবসায়ী সেকেন্দার আলী মিয়ার ছেলে শফিকুল ইসলামের সাথে পারিবারিকভাবে বিয়ের দিন ধার্য হয়।

 

ওই বিয়েতে প্রতিবন্ধকতা তৈরী করে উপজেলার নগড়বাড়ি গ্রামের মোবাচ্ছের হাওলাদার ওরফে মফছের ডলারের ছেলে ও উপজেলা চেয়ারম্যান গোলাম মোর্তুজা খানের শ্যালক আমিন আহম্মেদ। আমিনকে চাঁদা না দিয়ে মেয়ের বিয়ে দিতে পারবেনা বলে গিয়াস হাওলাদারকে হুমকি দেয়। একইভাবে ছেলের বাবা সেকেন্দারের পরিবারের কাছেও চাঁদা দাবি করে সে। উভয় পরিবারকে চাঁদা আদায়ের জন্য অব্যাহত হুমকির মুখে রাখে আমিন। এঘটনায় আমিনকে আসামী করে গিয়াস হাওলাদার ও সেকেন্দার মিয়া সোমবার আগৈলঝাড়া থানায় চাঁদাবাজির অভিযোগে পৃথক দু’টি মামলা দায়ের করেন। যার নং- ১ এবং ২ (০১-০২-১৬)।

 

পুলিশ অভিযুক্ত আমিনকে সোমবার রাতেই গ্রেফতার করে। গ্রেফতারকৃত আমিন গৌরনদী রাসেল হত্যা মামলার অন্যতম আসামী। বর্তমানে সে উচ্চাদালত থেকে জামিনে রয়েছে। আমিন গ্রেফতারের পর তার ভাগ্নে উপজেলা চেয়ারম্যান গোলাম মোর্তুজা খানের ছেলে শাহবাজ খান ও আটক আমিনের ভাই নুরুল হোসেন ও কাওছারসহ তাদের সহযোগীরা গতকাল মঙ্গলবার সকালে মামলার বাদী উমেদ আলীকে মামলা প্রত্যাহারের জন্য তার বাড়িতে খুঁজতে থাকে। গিয়াসের পরিবার বিষয়টি ওসি মনিরুল ইসলামকে জানালে তিনি এসআই আ. হক, এএসআই মিজানুর রহমান ও কনস্টবল মজিদকে ঘটনাস্থলে পাঠান। তারা ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে চাইলে শাহবাজ খানের নেতৃত্বে তারা পুলিশের উপর হামলা চালায়।

 

হামলায় এসআই আ. হক, এএআই মিজানুর রহমান, কনস্টবল মজিদ ও কিবরিয়া আহত হয়। খবর পেয়ে থানা পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে নুরুল হোসেন ও কাওছারকে আটক করে থানায় নিয়ে আসেন। এসময় পুলিশ গুরুতর আহত এএসআই মিজানকে উদ্ধার করে আগৈলঝাড়া হাসপাতালে ভর্তি করে। অন্য পুলিশ সদস্যদের প্রাথমিক চিকিৎসা প্রদান করা হয়েছে। থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মনিরুল ইসলাম জানান, এ ঘটনায় পুলিশের উপর হামলাকারী প্রধান হোতা শাহবাজ খানকে গ্রেফতারে জোর প্রচেষ্টা চলছে। আটককৃতসহ অন্যদের বিরুদ্ধে পুলিশ বাদী হয়ে মামলার প্রস্তুতি চলছে।  


লাইক এবং শেয়ার করুন
শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Leave a Reply

আরও অন্যান্য সংবাদ