আজ বৃহস্পতিবার, ৬ই আশ্বিন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, ২১শে সেপ্টেম্বর, ২০১৭ ইং, ২৯শে জিলহজ্জ, ১৪৩৮ হিজরী, শরৎকাল, সময়ঃ সকাল ৭:৪০ মিনিট | Bangla Font Converter | লাইভ ক্রিকেট

পল্টন ও মতিঝিল থানার দুই মামলায় বিএনপি নেতা মির্জা আব্বাসের জামিন নামঞ্জুর

সকালে ঢাকা মহানগর দায়রা জজ কামরুল হোসেন মোল্লা জামিন আবেদন শুনানি শেষে এ আদেশ দেন। ২০১৫ সালের জানুয়ারি মাসে বিএনপি’র কর্মসূচি চলাকালে মতিঝিল ও পল্টন এলাকায় গাড়ি ভাংচুর ও পুলিশের কাজে বাধা দেয়ার অভিযোগে এ মামলা করেন পুলিশ। এ মামলায় বেশ কিছুদিন পলাতক ছিলেন বিএনপি নেতা আব্বাস। এ বছরের ৬ জানুয়ারি আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করলে নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

২০১৬ সালের ৬ জানুয়ারি ঢাকা মহানগর হাকিম মাহবুবুর রহমানের আদালতে পল্টন ও মতিঝিলে দায়ের করা দুই মামলায় আত্মসমর্পণ করে আইনজীবী অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন মেজবার মাধ্যমে জামিনের আবেদন করেন মির্জা আব্বাস। আদালত তার জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। জামিনের আবেদনে উল্লেখ করা হয়, মির্জা আব্বাস আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তিনি শারীরিকভাবে খুবই অসুস্থ এবং মামলায় পলাতক ছিলেন না। তাই সবদিক বিবেচনা করে তাকে জামিন দেওয়া হোক। পল্টন ও মতিঝিলের দুই মামলা তদন্তাধীন অবস্থায় রয়েছে। দুই মামলায় মির্জা আব্বাস তিন নম্বর আসামি।

পল্টন থানার মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, ২০১৪ সালের ২৯ ডিসেম্বর বিএনপির ডাকা হরতাল বাস্তবায়ন করার জন্য বিএনপির ও জামায়াতের ২০ থেকে ২৫ জন কর্মী রাজধানীর পল্টন মোড়ে দাঁড়িয়ে থাকা গাড়িতে অগ্নিসংযোগ করেন। অগ্নিসংযোগের এক পর্যায়ে পরপর দুইটি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটায়। এ ঘটনায় পল্টন থানার সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) আব্দুল মালেক হাওলাদার পেনাল কোড ও বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য রফিকুল ইসলাম মিয়া, মির্জা আব্বাসসহ ৪৩ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন।

মতিঝিল থানার মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, ২০১৫ সালের ৫ জানুয়ারি বিএনপির কর্মসূচি বাস্তবায়ন করার জন্য আগের দিন ৪ জানুয়ারি মতিঝিল থানাধীন এজিবি কলোনির বায়তুল মামুর জামে মসজিদের সমনে বিএনপি-জামায়াতে ৩০ থেকে ৩৫ কর্মী একটি প্রাইভেটকারে অগ্নিসংযোগ ও পরপর দুটি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটায়। এ ঘটনায় মতিঝিল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) সুমন চন্দ্র নাথ বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য রফিকুল ইসলাম মিয়া ও মির্জা আব্বাসসহ ৮১ জনের বিরুদ্ধে পেনাল কোড ও বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে মতিঝিল থানায় মামলা করেন।

ফেসবুক থেকে মতামত দিন
Spread the love
  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
উপরে
Social Media Auto Publish Powered By : XYZScripts.com