,

AD
নববার্তা.কম এর সংবাদ পড়তে লাইক দিন নববার্তা এর ফেসবুক ফান পেজে

এবার টানা ৭ দিন ১৭ ঘন্টার কর্মসূচী ঘোষণা ‘আসল বিএনপি’র !

লাইক এবং শেয়ার করুন

আগামী মার্চে বিএনপির কাউন্সিল প্রসঙ্গে নিজের অবস্থান এবং  মতামত জানিয়ে গনমাধ্যমে বিবৃতি দিয়েছেন বিএনপি পুনর্গঠনের উদ্যোক্তা কামরুল হাসান নাসিম। বিএনপি’র পক্ষ থেকে কাউন্সিলের সিদ্ধান্ত নেয়াকে ‘ ভালো লক্ষণ’ উল্লেখ করে টানা ৭ দিন ১৭ ঘন্টার নয়া কর্মসূচীর ঘোষণা দিয়েছেন তিনি । বুধবার ‘বিএনপি’র সংকটকালীন সদস্য’ শামসুল ইসলাম সম্পাদিত বিবৃতিতে কামরুল হাসান নাসিম বলেন, ‘গেল কয়েকদিনে লক্ষ্য করা যাচ্ছে আমাদের দলের পক্ষ থেকে একাংশ বলছেন, আগামী মার্চে দলের কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হবে। যা দলের জন্য ভাল লক্ষণ।

 

কিন্তু এই উদ্যোগে আবারো দলীয় ক্ষমতা নিজের করে নেয়ার বাস্তবতা পরিলক্ষিত হচ্ছে। আমাদের কে মেনে নিতে হবে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের সঙ্গে রাজনৈতিক লড়াই করতে গেলে কিংবা তাঁদেরকে স্বৈরাচার আমরা তখনই বলতে পারবো- যখন আমাদের দলের মধ্যকার দলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করা সম্ভবপর হবে। কিন্তু যে ধূসর আদলে দল পুনর্গঠনের উদয়োগ নেয়া হচ্ছে তাতে করে আমরা গণতন্ত্রকে বিজয়ী করতে পারছি না। সঙ্গত কারনেই দলের ৫টি অসুখ সারানোর জন্য দলীয় বিপ্লব হবে এবং নয়া পল্টন কার্যালয়ের সামনে বসবে জাতীয়তাবাদী জনতার উচ্চ আদালত।

 

যথারীতি এখানে দলের পক্ষ থেকে আমি বাদীর ভুমিকায় থাকবো। বিচারক হিসাবে থাকবেন গেল ২০ বছরের কাউন্সিলরেরা। তারাই দল কে পুনর্গঠন করবেন। দলীয় বিপ্লব কে সফল করতে ওই আদালতের পরিক্রমা চলবে ৭ দিন ১৭ ঘন্টা। এরপরে যদি বিচারকেরা(জনতা-কাউন্সিলর) দলের গঠনতন্ত্র স্থগিত করার নিম্ন আদালতের রায় বহাল রাখে তবে নির্বাচন কমিশন কর্তৃক ঘোষিত দলের গঠনতন্ত্র স্থগিত করার পর পরবর্তী ৯০ দিনের মধ্যে অর্থবহ কাউন্সিল করা হবে।’

সারাদেশের নেতা কর্মীদের বিভ্রান্তি দূর করতে কামরুল হাসান নাসিম বিবৃতিতে আরও জানান, ‘ বিএনপির কাউন্সিল নিয়ে যা বলা হচ্ছে তা ব্যক্তি বিশেষের ডাকা কাউন্সিল। দলের পক্ষ থেকে আগামী ৭ ফেব্রুয়ারীর মধ্যে সারাদেশের কাউন্সিলরদের( গেল ২০ বছরের) কাছে চিঠি যাবে। দলের পক্ষ থেকে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে যখন উচ্চ আদালত বসবে তখন ৭ দিনের মধ্যে সকল কাউন্সিলর ঢাকায় আসবেন।’

 

তিনি বলেন, আমাদের অসুখগুলো হলো- জনস্বার্থ সংরক্ষণের রাজনীতি করা হচ্ছে না, নাশকতাকে রাজনীতির হাতিয়ার করা হচ্ছে, বিদেশি শক্তির ওপর নির্ভরশীলতা, জাতীয়তাবাদী থেকে জামায়াতীবাদী হয়ে যাওয়া এবং দল পরিচালনায় দলের শীর্ষ দুই জন নেতা ব্যর্থ। আমি দলের পক্ষ থেকে বলতে চাই, বিএনপির ‘প্রধান নেতৃত্ব’ নির্ধারিত থাকার সুযোগ নেই। দলে বিদগ্ধ রাজনীতিক জনাব তরিকুল ইসলাম, সাহসী নেতা জনাব হান্নান শাহ, সজ্জন চরিত্রের লেঃ জেঃ মাহবুবুর রহমান সহ অনেকেই রয়েছেন বিএনপিকে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেয়ার। মুখ ফুটে তা তারা বলতে না পারলেও এই প্রজন্মকে সে রকম কিছু করেই গনতান্ত্রিক উপায়ে শীর্ষ নেতৃত্ব বের করে নিয়ে আসতে হবে।

 

এছাড়াও দেশের ন্যাশ্নালিশট সুশীল প্রতিনিধিরাও পুরোদস্তুর রাজনীতিতে এলে বিএনপি লাভবান হবে বলে মনে করি। তবে সব কিছুই হতে হবে গণতান্ত্রিক উপায়ে। কাজেই কেও বিভ্রান্ত হবেন না। তাড়াহুড়া করে কাউন্সিল ডেকে দলীয় বিপ্লবকে বাঁধাগ্রস্ত করা যাবে না। আমরা এমন দৃষ্টান্ত চাই যে- নেতৃত্ব গুনে থানা বিএনপির কোনো নেতাও আমাদের দলের মহাসচিব হতে পারেন! অর্থাৎ ৭১’র চেতনায় থেকে জাতীয়িতাবাদ ধারণ করে যোগ্য নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠা করা এবং দেশ সেবায় গেলে ৭ বছরের মধ্যে বাংলাদেশকে উচ্চ আয়ের দেশ করাই বিএনপির আপাত লক্ষ্য।


লাইক এবং শেয়ার করুন
শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Leave a Reply

আরও অন্যান্য সংবাদ