,

AD
নববার্তা.কম এর সংবাদ পড়তে লাইক দিন নববার্তা এর ফেসবুক ফান পেজে

রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা : মির্জা ফখরুল ইসলাম

লাইক এবং শেয়ার করুন

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা করা হয়েছে। এটা পরিহাস ছাড়া আর কিছু নয়। যে মন্তব্যের রেশ ধরে এই মামলা করা হয়েছে তাতে রাষ্ট্রদ্রোহিতার লেশমাত্র ছিল না বলে দাবি করেন তিনি।

 

আজ (সোমবার) রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ারিং ইনস্টিটিউশনের সেমিনার হলে জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। এর আগে মুক্তিযুদ্ধে শহীদের সংখ্যা নিয়ে খালেদা জিয়ার এক বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে তাঁর বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগে করা নালিশি মামলা আমলে নিয়ে সমন জারি করে ঢাকার সিএমএম আদালত। আগামী ৩ মার্চ তাকে সশরীরে আদালতে হাজির হতে বলা হয়েছে। মামলার ঘটনার নিন্দা জানিয়ে মির্জা ফখরুল দাবি করেন, মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের সংখ্যা নিয়ে খালেদা জিয়া যে বক্তব্য দিয়েছেন, সেখানে রাষ্ট্রদ্রোহিতার চিহ্নমাত্র ছিল না। অথচ ওই বক্তব্যকে কেন্দ্র করে শুধুমাত্র রাজনৈতিক প্রতিহিংসার বশবর্তী হয়ে তাঁর বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে।

 

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব বলেন, শুধু রাজনৈতিক উদ্দেশ্যেই খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে একের পর এক মামলা দায়েরর করা হচ্ছে। খালেদা জিয়া রাজনীতির মাঠে থাকলে ক্ষমতাসীনদের টনক নড়ে যায়। আর তাই তাঁকে রাজনীতি থেকে সরাতেই এসব মিথ্যা মামলা দায়ের করা হচ্ছে। সরকার দেশকে দুই ভাগে বিভক্ত করে ফেলেছে বলে দাবি করে ফখরুল বলেন, গ্রাম পর্যায়েও এই বিভক্তি নিয়ে গেছে। এখন চায়ের দোকানেও দল বিবেচনায় ক্রেতার আগমন ঘটে। গ্রাম্য সালিসেও দল বিবেচনায় বিচার হয়। সরকার সচেতনভাবে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য হাসিলের জন্য এটা করেছে।

 

পাকিস্তান আমলে আইয়ুবের শাসনের সময়ের চেয়ে দুঃসময় চলছে মন্তব্য করে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব বলেন, এখন কথা বললে, মতামত দিলেই অপরাধ। কেউ এখন আর নিরাপদে নেই। সবকিছু চলছে স্বৈরাচারের ইচ্ছানুযায়ী। তারা যা চাইবে, তাই হবে। ফলে গণতান্ত্রিক সকল প্রতিষ্ঠান ধ্বংস হয়ে গেছে। এ অবস্থায় নেতা-কর্মীদের সংগঠিত হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

 

এদিকে, বেগম খালেদা জিয়ার আইনজীবী ও সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি খন্দকার মাহবুব হোসেন বলেছেন, “মুক্তিযুদ্ধে শহীদের সংখ্যা নিয়ে খালেদা জিয়ার বক্তব্যে রাষ্ট্রদ্রোহের কিছু নেই। দণ্ডবিধির ১২৪-এ ধারায় রাষ্ট্রদ্রোহের যে সংজ্ঞা দেয়া হয়েছে, খালেদা জিয়ার বক্তব্য এ সংজ্ঞার মধ্যে পড়ে না। রাষ্ট্রদ্রোহ হয় যদি কেউ সরকার উৎখাতের চেষ্টা করে। যদি কেউ সরকারের প্রতি জনগণকে উসকে দেয়ার জন্য বক্তৃতা দেয়, তাহলে সেটা রাষ্ট্রদ্রোহ। এখানে খালেদা জিয়া কোনো রাষ্ট্রদ্রোহ করেননি।”


লাইক এবং শেয়ার করুন
শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

আরও অন্যান্য সংবাদ