আখেরি অফারে জমে উঠছে বাণিজ্য মেলা

এই সংবাদ ১৯ বার পঠিত

শেষমুহূর্তে নগদ ছাড় আর উপহারে জমে উঠেছে ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্যমেলা। মেলার শেষ শুক্রবার ছুটিরদিন হওয়ায় পরিবার-পরিজন নিয়ে মেলামাঠে এসেছেন ক্রেতা-দর্শনার্থীরা। এ সুযোগে স্টলমালিকরা আখেরি অফারসহ দিচ্ছে নানা অফার। ফলে স্টল-পেভিলিয়নে বেড়েছে বেচাবিক্রি। সেই সঙ্গে হাসি ফুঠেছে বিক্রেতাদের মুখে।

ব্যবসায়ীরা জানান, মেলার সময় শেষ হতে মাত্র ২/৩ দিন বাকি। অবিক্রিত পণ্য ফেরত নিতে গাড়ি ভাড়াসহ যাবতীয় খরচ কমিয়ে আনতে শেষদিকে বেশি ছাড় দেওয়া হয়। আর ক্রেতারাও সেই আসায় এই সময় মেলায় আসেন। তাই বিক্রিও বেশি হয়।

এদিন সকাল থেকে রাত পর্যন্ত মেলার মাঠ ঘুরে এবং প্যাভিলিয়ন ও স্টল মালিকদের সাথে কথা বলে মেলার এমন চিত্র পাওয়া গেছে।

মেলামাঠ ঘুরে দেখা গেছে, বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে প্রবেশগেটগুলোতে প্রচুর ভিড় জমিয়েছেন দর্শনার্থীরা। লাইন ধরে প্রবেশ করছেন মেলামাঠে। সন্ধ্যা না গড়াতে তাদের পদচারণায় মুখরিত হয়ে উঠে পুরো মাঠ।

স্টল ও পেভিলিয়নগুলোতে দেখা গেছে ক্রেতা-দর্শনার্থীর উপচেপড়া ভিড়। অন্যান্য দিনের চেয়ে তুলনামূলক বেড়েছে বেচাবিক্রিও।

মেলায় অংশগ্রহণকারীরা জানান, ২০ দলীয় জোটের টানা অবরোধ আর বিচ্ছিন্ন হরতালের কারণে এ বছর মেলা জমে উঠেনি। তবে বিভিন্ন পণ্যে নগদ ছাড়ের পাশাপাশি উপহারের ব্যবস্থা থাকায় শেষ মুহূর্তে ক্রেতা বেড়েছে।

এ বিষয়ে স্মার্টেক্সের মেলাইনচার্জ মোহাম্মদ রুবেল রানা বলেন, প্রতিবছরই শেষেরদিকে মেলা জমজমাট হয়। কারণ এসময় মালামাল দ্রুত শেষ করতে পণ্যে নগদ ছাড়সহ বিভিন্ন উপহার দিয়ে থাকে। স্মার্টেক্সের পোশাকে ১০ থেকে ৬০ শতাংশ পর্যন্ত ছাড় দেওয়া হচ্ছে। ফলে ক্রেতা তুলনামূলক বাড়ছে।

রাবেয়া ফ্যাশনের স্টলে ব্লেজারের দেওয়া হচ্ছে আখেরি অফার। মেলার শুরুতে এখানে প্রতিটি ব্লেজারের দাম এক হাজার ৮০০ টাকা বিক্রি করতে দেখা গেলেও ৪০০ টাকা কমিয়ে এখন বিক্রি এক হাজার ৪০০ টাকা। ২ হাজার টাকার ব্লেজারের দাম কমিয়ে রাখা হচ্ছে ১ হাজার ৬০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

৩৪ ও ১৭৩ নং স্টলে সী স্কাইতে ২০ শতাংশ ছাড়ে বিক্রি হচ্ছে ভালমানের ব্লেজার। সী স্কাইর স্টল ইনচার্জ আল জিয়াদ অর্থসূচকহূকে বলেন, এখানে ব্লেজারসহ কমপ্লিট স্যুট একসাথে পাওয়া যাচ্ছে। মান ভেদে ১৫ থেকে ২০ শতাংশ ছাড় দেওয়া হচ্ছে।

এছাড়া প্লাস্টিক জাতীয় পণ্যের স্টলেও চলছে ছাড়ের অফার। এসব পণ্যে ১০ থেকে ২০ শতাংশ পর্যন্ত ছাড় দেওয়া হচ্ছে।

রায়েরবাগ থেকে মেলায় আসা রানা বলেন, শেষেরদিকে মেলায় ছাড় দেওয়া হয়। তাই এসময় মেলায় আসি। একটা ব্লেজার কিনেছি। কিছু বিস্কুট আইটেম কিনবো।

হাতিরপুল থেকে আসা হাফিজা বলেন, প্রতিবছর শেষ সময়ে মেলায় আসি। কারণ এ সময় কিছু জিনিসের দাম কম থাকে। প্লাস্টিকের কিছু জিনিস কিনেছি। আর কিছু কসমেটিক্স আইটেম কিনবো।

ফেসবুক থেকে মতামত দিন
Spread the love
  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

সুব্রত দেব নাথ

সিনিয়র নিউজরুম এডিটর

Social Media Auto Publish Powered By : XYZScripts.com