ওরা কী এসেছিল আমাদের পৃথিবীতে ?

এই সংবাদ ২৭ বার পঠিত

সালেহীন নির্ভয় # আমাদের মহাবিশ্বটা অনন্ত অসীম। সীমাহীন এই মহাবিশ্বে আমরা কি সত্যই একা ? নাকি আমাদের মতো অন্য কেউ আছে মহাবিশ্বের অন্য কোনো জগতের ভিন্ন কোন গ্রহে ? মহাবিশ্বে আমাদের মত সঙ্গী খোঁজতে ভয়েজার ১মাইলের পর মাইল পাড়ি দিচ্ছে অন্ধকার পথ। বহন করে নিয়ে যাচ্ছে আমাদের বুদ্ধিমত্তার বার্তা। পৃথিবীর বাইরে থেকে আসা বুদ্ধিমান প্রানীর সরল সংকেত উদ্ধারের উদ্দেশ্যে পৃথিবীর বিভিন্ন জায়গায় স্থাপন করা হয়েছে বিশাল আকৃতির সব রেডিও টেলিস্কোপ।

 

মহাবিশ্বে নিজের একাকীত্ব ঘোচাতে ভিন্ন গ্রহবাসীদের খোঁজে মানুষ বিচরণ করছে গ্রহ থেকে গ্রহন্তরে, সৌরজগৎ, নক্ষত্র জগৎ গ্যালাস্কি জগৎ আনাচে-কানচে। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি দেবত্বের যুগে আমাদের পৃথিবীর মানুষেরা যেমন ভিন্ন গ্রহ বাসীদের খোঁজে আজ মরিয়া হয়ে উঠেছে, হয়তো ঠিক এমনই ব্যাকুল হয়েছিল মহাবিশ্বের অন্য কোন গ্রহের বুদ্ধিমান কোন প্রানীরাও। এবং হয়তো খোঁজেও পেয়েছিল পৃথিবী নামক এই সবুজ অরণ্যকে, মহাবিশ্বে ওদের সঙ্গী হিসাবে।

 

যারা পৃথিবী বাইরে ভিন্নগ্রহের বুদ্ধিমান প্রানীর অস্তিত্বে বিশ্বাস করেন মহাকাশ বিজ্ঞানী কার্ল সাগান তাদের অন্যতম। কার্ল সাগান এর মতে আমাদের মিল্কওয়ে গ্যালাক্সিতেই প্রায় ১০ লাখ সুসভ্য উন্নত প্রযুক্তি জ্ঞান সম্পন্ন জাতি রয়েছে। অর্থনীতি জনক মহামতি অ্যাডাম স্মিথ তার ফ্লাইং দ্যা সসার গ্রন্থে স্পষ্টতই বর্ণনা করেছেন কীভাবে দুজন ভিন্ন গ্রহবাসীর সাথে তার পরিচয় হয়েছিল এবং সসারে করে নিয়ে গিয়ে ছিল তাদের সমাজপতির কাছে। অ্যাডাম স্মিথের ফ্লাইং দ্য সসার কাল্পনিক কোন বৈজ্ঞানিক কল্প-কাহিনী নয়। এ কথা তিনিই স্বীকার করে গেছেন। ধারনা করা হয় রাশিয়ার মাইনর অঞ্চলের জটিল জ্যামিতিক প্যাটানগুলো এমন সময়ে অংকিত হয়েছিল যে মানুষের কোন রুপ জ্যামিতিক জ্ঞানই ছিল না।

 

তবে কী সেগুলো ভিন্ন গ্রহের কোন বুদ্ধিমান প্রানীর পৃথিবীতে রেখে যাওয়া বুদ্ধির সংকেত ? ইস্টার দ্বীপের মূর্তিগুলো আজও আধুনিক পৃথিবীর মানুষের কাছে রহস্যাবৃত। ওরাই কী তবে তৈরি করেছিল এগুলো? বিখ্যাত পর্যটক এরিক ফন দানিকেন এমন প্রশ্নগুলোর উত্তর খোঁজতে পৃথিবীর এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্ত পর্যন্ত ছুটেছেন। এবং প্রায় প্রামাণ্য দলিল সহ বের করে এনেছেন পৃথিবীর সেই সত্য,যা আজকের পৃথিবীর মানুষের কাছে কল্পনার মতো। দানিকেনের মতে বিভিন্ন পুরাতন কাহিনী এবং ধর্মীয় গ্রন্থগুলোতে উল্লেখিত দেব দেবী নিছক কল্পনার নয়, হয়তো তারা ভিন গ্রহের সমৃদ্ধ জতি এবং তৎকালীন পৃথিবীর মানুষের চেয়ে সর্বাদিক উন্নত জাতি।

 

আর তাই পৃথিবীর মানুষের কাছে দেবতা বা প্রভু বলে আখ্যায়িত হয়েছিল। ম্যাং এর বনর্ণা ভিন্ন গ্রহবাসিরা তাকে বলেছিল দূরের কোন এক ভিন্ন গ্রহে ৬০ বছরের মতো এক চীনা মানব শিশুর জন্ম হবে এবং ম্যাং তাকে দেখতে পাবে। সেই অপেক্ষা রয়েছে ম্যাং এবং চীনে আবাল-বৃদ্ধি-বণিতা। আমরা বর্তমান পৃথিবীর উন্নত জ্ঞান সম্পন্ন মানুষরা শুধু মাত্র ভিন্ন গ্রহবাসিদের যোগাযোগ বার্তার আশায় অপেক্ষমান নয়। আমরাও মহাবিশ্বে পাঠাছ্ছি আমাদের অস্তিত্বের সংকেত এবং এটাই হবে আধুনিক বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সর্বকালের সেরা আবিস্কার।

ফেসবুক থেকে মতামত দিন
Spread the love
  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
Social Media Auto Publish Powered By : XYZScripts.com