,

AD
নববার্তা.কম এর সংবাদ পড়তে লাইক দিন নববার্তা এর ফেসবুক ফান পেজে

পাবনার রূপপুরে বাংলাদেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণে রাশিয়ার সঙ্গে চুক্তি সই

লাইক এবং শেয়ার করুন

পাবনার রূপপুরে বাংলাদেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণে রাশিয়ার ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান এটমস্ট্রয় এক্সপোর্টের সঙ্গে চুক্তি সই করেছে সরকার। আজ শুক্রবার সন্ধ্যায় রাজধানীর হোটেলে সোনারগাঁওয়ে সরকারের পক্ষে বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশনের চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মো. মনিরুল ইসলাম এবং এটমস্ট্রয় এক্সপোর্টের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট সুভাসকিং বহুল প্রতিক্ষীত এই চুক্তিপত্রে সই করেন। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক মন্ত্রী ইয়াফেস ওসমানের সভাপতিত্বে চুক্তি সই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত।

এটি রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণের মূল চুক্তি। যেখানে বিদ্যুৎ কেন্দ্রটির নকশা, যন্ত্রাংশ সরবরাহ, কেন্দ্র নির্মাণ, উৎপাদন, নিশ্চয়তা বা গ্যারান্টি, পারমাণবিক জ্বালানি সরবরাহ, বিদ্যুৎ কেন্দ্র পর্যন্ত যন্ত্রাংশ পরিবহন এবং গ্যারান্টি পর্যায় পর্যন্ত বিভিন্ন সেবা প্রদানের কথা উল্লেখ রয়েছে।
চুক্তি বাস্তবায়নের সময়কাল সাত বছর ধরা হয়েছে। প্রকল্পে ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ১২ দশমিক ৬৫ বিলিয়ন ডলার (১ লাখ এক হাজার কোটি টাকা )।
রাশিয়ান ফেডারেশন এবং বাংলাদেশের মধ্যে ১৩ দফা আলোচনার ভিত্তিতে ৪৭টি অনুচ্ছেদ এবং ৫৭৩টি উপ-অনুচ্ছেদে চুক্তিটি চূড়ান্ত করা হয়।ruppur_320718_96029চুক্তি অনুযায়ী রাশিয়া বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি নির্মাণ এবং পরিচালনার জন্য দক্ষ জনবল সৃষ্টি করবে। বিদ্যুৎ কেন্দ্রটির প্রথম পর্যায়ের কাজ ২০১৬ সালের ডিসেম্বরে শেষ হবে। এরপর মূল বিদ্যুৎ কেন্দ্রের নির্মাণ কাজ শুরু হবে। ইতোমধ্যেই বিদ্যুৎ কেন্দ্রের নকশা প্রণয়নের কাজ শেষ করেছে এটমস্ট্রয় এক্সপোর্ট। এর আগে গত ১৫ ডিসেম্বর ঢাকায় রূপপুর প্রকল্প নিয়ে অনুস্বাক্ষর করে বাংলাদেশ ও রাশিয়া । প্রকল্প ব্যয়ের ৯০ শতাংশ অর্থাৎ ১১ দশমকি ৩৮৫ বিলিয়ন ডলার বাংলাদেশকে ঋণ হিসেবে দেবে রাশিয়া। আগামী মার্চ বা এপ্রিলে এই ঋণ চুক্তি স্বাক্ষরিত হবে। বাংলাদেশ সরকারের তহবিল থেকে ব্যয় হবে এক দশমিক ২৬৫ বিলিয়ন ডলার।

ঋণ পরিশোধের সময়কাল ২৮ বছর নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে ১০ বছর গ্রেস পিরিয়ড রয়েছে। ছয় মাসের লাইবরের সঙ্গে এক দশমিক ৭৫ শতাংশ যোগ করে ঋণের সুদ হার নির্ধারণ হয়েছে। তবে সুদের হার কোনোক্রমেই বছরে চার ভাগের বেশি হতে পারবে না। পরিকল্পনা অনুযায়ী, বিদ্যুৎ কেন্দ্রটির প্রথম ইউনিট ২০২৩ সালের অক্টোবরে উৎপাদনে আসার কথা রয়েছে। এর এক বছর পর দ্বিতীয় ইউনিট ২০২৪ সালের অক্টোবরে উৎপাদনে আসবে। বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি ৫০ বছর ধরে বিদ্যুৎ উৎপাদন করবে। এর জন্য রাশিয়ার কাছ থেকে প্রয়োজনীয় জ্বালানি ভাড়া নেয়া হবে। ব্যবহার শেষে ওই জ্বালানি বর্জ্য ফেরত নেবে রাশিয়া। কেন্দ্রের সব যন্ত্র আনা হবে পানি পথে।


লাইক এবং শেয়ার করুন
শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

আরও অন্যান্য সংবাদ