,

AD
নববার্তা.কম এর সংবাদ পড়তে লাইক দিন নববার্তা এর ফেসবুক ফান পেজে

পানি উন্নয়ন বোর্ডের স্লুইসগেট নির্মাণ প্রকল্পে অনিয়ম কাঁঠালিয়ায় স্লইসগেট নির্মাণকাজ ফেলে রাখায় জনদূর্ভোগ চরমে ৫ গ্রাম পানি সংকট, বোরো চাষ ব্যাহত

লাইক এবং শেয়ার করুন

আমিনুল ইসলাম, কাঠালিয়া (ঝালকাঠি) প্রতিনিধি #  ঝালকাঠির কাঠালিয়ার বীণাপাণি-দোগনা-বিষখালী নদীর সংযোগ খালে বীণাপানি বাজার সংলগ্ন হাওলাদার বাড়ির সামনে পানি উন্নয়ন বোর্ডের এককোটি বিষ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মাণাধীন স্লইসগেট দু‘বছর ধরে ফেলে রাখায় স্থানীয়রা চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। সুইজগেইট নির্মাণে অনিয়ম ও দূর্র্নীতির কারণে এলাকাবাসীর এটি এখন মরন ফাঁদে পরিণত হয়েছে। খালের দু‘প্রাপন্তে বিশাল এলাকাজুড়ে বাঁধ দিয়ে রাখা হয়েছে। এলজিইডি‘র পাকা রাস্তাসহ দু‘পাড়ের মাটি কেটে বিশালস্তুপ করে রাখায় পথচারীরেদ যাতায়তে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি, নৌ চলাচল বন্ধ ও চরম পানি সংকটে ভূগছেন ওইসব গ্রামের বাসিন্দারা।

 

সংবাদকর্মীদের মাধ্যমে এলাকাবাসির এ ভোগান্তির কথা শুনে গত সপ্তাহে ঝালকাঠি জেলা প্রশাসক রবীন্দশ্র্রী বড়ুয়া ঘটনাস্থল সরেজমিনে পরির্দশনে যান এবং কর্তৃপক্ষকে দ্রুত কাজ করার নির্দেশ দেন। মধ্য কৈখালী গ্রামের বাসিন্দা হাজী আব্দুল আউয়াল জানান, দুই বছর ধরে খালটিতে বাঁধ দিয়ে রাখায় বীণাপণি,বলতলা, কৈখালী, পশ্চিম শৌজালিয়া, দোগনা ও চড়াইল গ্রামের শতশত পরিবার পানি সমস্যায় ভূগছে। বর্তমানে পুকুর ও নালা-খালা পানি নষ্ট হয়ে পোকা সৃষ্টি হওয়ায় ওজু-গোসল করা যাচেছ না। গবাদিপশু হাসা-মুররি ও গরু ছাগলসহ নিত্য প্রয়োজনীয় ব্যবহার্য কাজেও অনুপযোগি হয়ে পড়েছে। এমনকি এক-দেড় মাইল দূরে গিয়ে অনেককে গোসল বা গোসলের পানি সংগ্রহ করতে হ্েচছ। একই গ্রামের কৃষক মহারাজ হাওলাদার জানান, এ খালে পানি না থাকায় বিগত আউশ ও আমন মৌসুমে শতশত একর জমি চাষে ব্যাঘাত ঘটেছে। এখন বোরো মৌসৃম চললেও কোন কৃষকই পানির জন্য আদৌ বোরো চাষ করতে পারবে না।

 

শৌলজালিয়া ইউপি চেয়ারম্যান মো. মাহমুদ হোসেন রিপন জানান, দ্রুত কাজ উঠিয়ে নেয়ার জন্য ঠিকাদারকে (মের্সাস শামীম আহসান এন্টারপ্রাইজ) বহুবার অনুরোধ করা হয়েছে। কিন্তু পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারের উদাসিনতা ও স্থানীয় লেবার সর্দার বির্তকিত কাকলী বেগমের স্বেচ্ছাচারতার চরম মাশুল দিতে হচ্ছে ৪-৫টি গ্রামবাসিকে। গত দু‘বছর ধরে কাজটি ফেলে রাখায় শুধু জনভোগান্তিই নয়, কৃষি ক্ষেত্রেও ব্যাপক ক্ষতি সাধিত হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন জেলার শ্রেষ্ঠ চেয়ারম্যান হিসেবে একাধিকার পুরস্কারপ্রাপ্ত এ জনপ্রতিনিধি। ঝালকাঠি পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-সহকারি প্রকৌশলী মো. মহসিন হোসেন এ স্লুূইসগেট টি নির্মানে অনেকটা বিলম্বিত হয়েছে স্বীকার করে বলেন, সুলিজগেটের কাজ দ্রুত শুরু করা হচ্ছে এবং ২/৩ মাসের মধ্যে শেষ করা সম্ভব হবে।


লাইক এবং শেয়ার করুন
শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

আরও অন্যান্য সংবাদ