AD
নববার্তা.কম এর সংবাদ পড়তে লাইক দিন নববার্তা এর ফেসবুক ফান পেজে

ঝালকাঠির কীর্ত্তিপাশায় পোশাক কর্মী ধর্ষিত, আটক-১

লাইক এবং শেয়ার করুন

ঝালকাঠি সংবাদদাতাঃ- ঝালকাঠির কীর্ত্তিপাশায় এক পোষাক কর্মীকে ধর্ষনের ঘটনা ঘটেছে। ধর্ষনের শিকার সংখ্যালঘু হিন্দু সম্প্রদায়ের ওই যুবতী ঝালকাঠি সদর থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। পুলিশ ধর্ষক জয়নাল আবেদীন ওরফে জয়নাল(৩২) নামে এক অটো চালককে গ্রেপ্তার করেছে। আজ সকালে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য ওই যুবতীকে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

পুলিশ জানায়, স্থানীয় কীর্ত্তিপাশা গ্রামের পোষাক কর্মীকে জন্মনিবন্ধন সনদ তৈরি করার কথা বলে কৌশলে জিম্মি করে অটোচালক জয়নাল। এরপর গত ২৭ নভেম্বর রাত আটটায় নিবন্ধনের কাগজ নেয়ার কথা বলে ফোনে ডেকে এনে একটি জঙ্গলে নিয়ে জয়নাল তাকে ধর্ষন করে। ধর্ষনের কথোপোকথন ফোনে রেকর্ডিং করে তা ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেয়ার কথা বলে পুনরায় ধর্ষনের প্রস্তাব দেয় জয়নাল। নিরুপায় হয়ে ধর্ষিতা বৃহস্পতিবার দুপুরে কীর্ত্তিপাশা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে অভিযোগ করলে পুলিশ জয়নালকে আটক করে। পরে তাকে ঝালকাঠি সদর থানায় হস্তান্তর করা হলে রাতে যুবতী বাদী হয়ে থানায় একটি ধর্ষন মামলা দায়ের করেন।

ঝালকাঠির অন্যান্য সংবাদ

ঝালকাঠি শহর থেকে প্রিন্স হারিয়ে গেছে

মঞ্জুর মোর্শেদ প্রিন্স নামের এক যুবক ঝালকাঠি শহর থেকে হারিয়ে গেছে। তার পিতার নাম  মোঃ মুজিবুল হক নাসির। বাসা ৪৯ কাঠপট্টিতে (বাকলাই সড়ক)। এ ব্যাপারে শুক্রবার ঝালকাঠি থানায় সাধারণ ডায়েরি করা হয়। পরিবারের পক্ষ থেকে বলা হয়, গত ২ ডিসেম্বর বিকালে বাসা থেকে বের হয়ে সে আর ফিরে আসেনি। সম্ভাব্য স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও সন্ধ্যান মেলেনি। ছেলেটির বয়স ২২ বছর, উচ্চতা ৫ ফুট ৬ ইঞ্চি, গায়ের রং ফর্সা, মুখমন্ডল গোলাকার। কোন সহৃয়বান তার খোঁজ পেলে নিচের ফোন নম্বরে জানানোর জন্য অনুরোধ করা হয়েছে। ফোন নম্বর : ০১৭২৮৬৮১৪২৭/ ০১৭২৪৮৫১১৭৪/ ০১৯১৭৮৫৮২৪৪

ঝালকাঠিতে সুলতান হোসেন খাঁন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের ব্যতিক্রমী পদক্ষেপ

ঝালকাঠি সদরের সুলতান হোসেন খান মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ২০১৬ সালের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের অভিভাবক, ম্যানেজিং কমিটির সদস্য ও বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সহ সকল শিক্ষকদের নিয়ে গত ২৫ নভেম্বর থেকে নতুন উদ্দ্যেগে পাঠদান কর্মসূচি গ্রহন করা হয়েছে। এ কর্মসূচির মাধ্যমে প্রতিদিন সকাল ৯ টা থেকে বিকেল ৫ টা পর্যন্ত এ বিদ্যালয়ের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের পাঠ দান করানো হবে।

 

এ বিষয় বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রাজা আবুল কালাম আজাদ জানান, প্রতিবছর আমাদের বিদ্যালয়ের জেএসসি ও এসএসসি পরীক্ষার ফলাফলে শতভাগ পাশ থাকলেও এবার এ+ প্রত্যাশী ছাত্র-ছাত্রী বেশি থাকায় আমাদের পরিশ্রম হলেও শিক্ষার্থীদের ভালো ফলাফলের আশায় অভিভাবক, ম্যানেজিং কমিটির সদস্য ও সকল শিক্ষকরা এ নতুন উদ্দ্যেগে গ্রহন করেছে। তাই গত ১ ডিসেম্বর থেকে সকল পরীক্ষার্থীদের উপস্থিতিতে পাঠদান শুরু করা হয়েছে।

এ বিষয় বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি সেলিনা আক্তার জানায়, এ বছর আমাদের বিদ্যালয়ের পরীক্ষার্থীর বেশির ভাগ ছাত্র-ছাত্রীই গরীব পরিবারের সন্তান হওয়ায় ও কয়েকজন শিক্ষার্থী শ্রমজীবী হওয়ায় আমাদের কমিটির পক্ষ থেকে তাদেরকে আর্থিক সহযোগিতা করা হয়েছে। শিক্ষার্থীরা যেন এসএসসি পরীক্ষায় ভালো ফলাফল করতে পারে তার জন্য আমরা এ ব্যবস্থা গ্রহন করেছি। এ বিষয় বিজ্ঞান বিভাগের ছাত্রী অর্পিতা মজুমদার জানায়, আমাদের ভালো ফলাফলের জন্য বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ও শিক্ষকদের আন্তরিক প্রচেষ্টায় আমরা কৃতজ্ঞ এবং প্রতিদিন তারা আমাদের পাঠদান শেষে অভিভাবকরা বাড়ীতে নেয়ার জন্য বিদ্যালয়ে চলে আসে। আমরা আমাদের শিক্ষকদের এ প্রচেষ্টার কারনে আন্তরিক ভাবে লেখাপড়া করতে পারছি। তাদের এ নিস্বার্থ সহযোগীতার কারনে আমরা আগামী পরীক্ষায় ভালো ফলাফল করার ব্যাপারে আশাবাদি।


লাইক এবং শেয়ার করুন
শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

আরও অন্যান্য সংবাদ