,

AD
নববার্তা.কম এর সংবাদ পড়তে লাইক দিন নববার্তা এর ফেসবুক ফান পেজে

ঝালকাঠির নলছিটি সুগন্ধা নদীর ভাঙ্গনের মুখে পৌরসভার বাজার মসজিদ মাদ্রাসা ॥ ১টি বাজার,মসজিদ,মাদ্রাসাসহ ৫শ বাড়ী হুমকীর মুখে

লাইক এবং শেয়ার করুন

ঝালকাঠির নলছিটি পৌরসভা সুগন্ধা নদীর করাল গ্রাসে বিলীন হতে চলছে। প্রায় এক যুগ ধরে সুগন্ধার এই ভাঙ্গন অব্যাহত থাকলেও ভাঙ্গন প্রতিরোধে নেয়া হয়নি কোন কার্যকরী ব্যাবস্থা। ইতিপূর্বে অনেক প্রতিশ্রুতী দেয়া হলেও এ কোন প্রতিফলন ঘটেনি। তাই ভাঙ্গন কবলিত এলাকার পৌরবাসী এবার আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে বিষয়টিকে প্রাধন্য দিয়েই মেয়র নির্বাচনের কথা জানিয়েছেন। বিগত দিনে ভারপ্রাপ্ত মেয়র কোটি কোটি টাকা পৌরসভার উন্নয়নে বরাদ্দ পেলেও এ বিষয়ে কোন পদক্ষেপ না নেয়ায় তার বিরুদ্ধে লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে। নলছিটি পৌরসভার ৫ নং ওয়ার্ডের সিকদার পাড়া সুগন্ধা নদীর ভাঙ্গন কবলিত এলাকার ১টি বাজার, ৫ টি মসজিদ ও মাদ্রাসাসহ প্রায় ৫শ পরিবারের বসত বাড়ী হুমকীর মুখে। এসব পরিবারের বসত বাড়ীতে প্রবেশ পথ নদীতে ভেঙ্গে যাওয়ায় নিজেরাই চাঁদা তুলে কাঠের সাঁকো তৈরী করে যাতায়াত করছে। এয়ড়াও নিজ খরচে সামান্য কিছু বালির বস্তা ফেলে ভাঙ্গন প্রতিরোধের ব্যার্থ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। ভাঙ্গনের ভয়ে রাতে এলাকাবসীর ঘুম হারাম হয়ে গেছে।
এব্যাপারে পৌর এলাকার সিকদার পাড়ার বাসীন্দা মোহাম্মদআলী, আল-আমীন, শহিদুল ইসলাম জানা, গত ২১ বছর থেকে ভাঙ্গন তীব্র থেকে তীব্রতর হয়েছে। বিশেষ করে ২০০৭ সনে সিডরের পর থেকে সুগন্ধার এই ভাঙ্গন ভয়ঙ্কর রুপ ধারন করেছে। তবে গত ১ যুগ ধরে কম বেশী এই ভাঙ্গন অব্যাহত আছে। এখন এই ভাঙ্গনের মুখে আমাদের পরিবার বসত বাড়ীসহ বাজার মসজিদ মাদ্রাসা এমনকি মাত্র দেড়’শ মিটার দূরে নলছিটি উপজেলা পরিষদ ভবন। এই এলাকার যুবলীগ নেতা ও আসন্ন পৌর নির্বাচনে কাউন্সিলর প্রার্থী মামুন মাহ্মুদ জানান, সরকারী ভাবে অথবা পৌর মেয়রের পক্ষ থেকে আজ পর্যন্ত এই ভাঙ্গন প্রতিরোধে কোন কার্যকরী ব্যাবস্থা নেয়া হয়নি। ইতিপূর্বে এই এলাকা পরিদর্শনে এসে অনেক মন্ত্রী, এমপি, ভারপ্রাপ্ত মেয়র ভাঙ্গন প্রতিরোধের আশ্বাস দিলেও কার্যত কিছুই হয়নি। তাই এবার আমরা বুঝে শুনে মেয়র নির্বাচিত করতে চাই। যিনি প্রতিশ্রুতী দিয়ে নির্বাচনের পর মেয়র নির্বাচিত হয়ে এ ব্যাপারে এগিয়ে আসবেন তেমন ব্যাক্তিকেই আমরা নির্বাচিত করব। এব্যাপারে নলছিটি উপজেলা চেয়ারম্যান এ্যাডভোকেট ইউনুছ লস্কর জানান, শুধু সিকদার পাড়াই নয়। বহরমপূর গ্রামটিও নদীর ভাঙ্গনে বিলীন হয়ে গেছে। এছাড়াও কাঠিপাড়াসহ আমাদের বাড়ীও সুগন্ধার ভাঙ্গনের মুখে। এব্যাপারে শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে ভাঙ্গন প্রতিরোধে ব্যাবস্থা নেয়ার জন্য। ইতিপূর্বে শিল্পমন্ত্রী পনিসম্পদ মন্ত্রীর কাছেও এই ভাঙ্গন প্রতিরোধে একটি প্রকল্প নেয়ার জন্য সুপারিশ করেছেন। কিন্তু এখন পর্যন্ত কোন উদ্যোগ লক্ষ করা যাচ্ছেনা।
#


লাইক এবং শেয়ার করুন
শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Leave a Reply

আরও অন্যান্য সংবাদ