,

AD
নববার্তা.কম এর সংবাদ পড়তে লাইক দিন নববার্তা এর ফেসবুক ফান পেজে

নাইকো দুর্নীতি মামলায় বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার জামিন আবেদন মঞ্জু

লাইক এবং শেয়ার করুন

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দায়ের করা নাইকো দুর্নীতি মামলায় বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার জামিন আবেদন মঞ্জুর করেছে আদালত। সেই সঙ্গে আগামী ২৮ ডিসেম্বর অভিযোগ গঠনের শুনানির জন্য দিন নির্ধারণ করা হয়েছে। ঢাকার ৯ নম্বর বিশেষ জজ আদালতের বিচারক আমিনুল ইসলাম আজ (সোমবার) দুপুরে এ সংক্রান্ত আদেশ দেন। এর আগে দুপুর ১২টা ২০ মিনিটের দিকে অ্যাডভোকেট সানাউল্লাহ মিয়া ও জয়নুল আবেদীন মেজবাহর মাধ্যমে আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেন খালেদা জিয়া। সোমবার সকাল সোয়া ১১টার সময় গুলশান বাসা থেকে তিনি আদালতের উদ্দেশে রওনা হন।

গত ১৮ জুন খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দায়ের করা নাইকো দুর্নীতি মামলার কার্যক্রম বিচারিক আদালতে চলবে বলে রায় দেন বিচারপতি মো. নূরুজ্জামান ও বিচারপতি জাফর আহমেদের হাইকোর্ট বেঞ্চ। মামলাটি বাতিলে খালেদা জিয়ার রিট আবেদন ও এ-সংক্রান্ত রুল খারিজ এবং বিচারিক কার্যক্রমের ওপর স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার করে তাঁকে দুই মাসের মধ্যে বিচারিক আদালতে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দেন হাইকোর্ট। তবে তার জামিনের বিষয়টি বিবেচনায় নিতে নিম্ন আদালতকে বলেছেন উচ্চ আদালত।

 

২০০৭ সালের ৯ ডিসেম্বর তেজগাঁও থানায় কানাডার কোম্পানি নাইকোর সঙ্গে অস্বচ্ছ চুক্তির মাধ্যমে রাষ্ট্রের বিপুল পরিমাণ আর্থিক ক্ষতিসাধন ও দুর্নীতির অভিযোগে খালেদা জিয়াসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে দুদকের সহকারী পরিচালক মুহাম্মদ মাহবুবুল আলম নাইকো দুর্নীতি মামলাটি করেন। পরে ২০০৮ সালের ৫ মে এ মামলায় খালেদা জিয়াসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিমের আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন দুর্নীতি দমন কমিশনের সহকারী পরিচালক এস এম সাহেদুর রহমান।

 

অভিযোগপত্রে প্রায় ১৩ হাজার ৭৭৭ কোটি টাকার রাষ্ট্রীয় ক্ষতির অভিযোগ আনা হয়। এ মামলার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে আবেদন করেন খালেদা জিয়া। ২০০৮ সালের ১৫ জুলাই নাইকো দুর্নীতির মামলার কার্যক্রম দুই মাসের জন্য স্থগিত ও রুল জারি করেন আদালত। পরে স্থগিতাদেশের মেয়াদ কয়েক দফা বাড়ানো হয়। এদিকে, নাশকতার তিন মামলায় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে দেয়া হাইকোর্টের জামিন বহাল রেখেছে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ। আজ সোমবার সকালে প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার নেতৃত্বে চার সদস্যের বেঞ্চ এ আদেশ দেন। বেঞ্চের অপর সদস্যরা হলেন বিচারপতি নাজমুন আরা সুলতানা, বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন ও বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী।

 

গত ২৬ নভেম্বর চেম্বার বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে শুনানির জন্য আজকের দিন নির্ধারণ করেছিলেন। আসামিপক্ষে শুনানিতে ছিলেন অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন, রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম। শুনানি শেষে মির্জা ফখরুলের প্যানেল আইনজীবী ব্যারিস্টার এহসানুর রহমান জামিন বহাল থাকার বিষয়টি জানিয়েছেন।

 

গত ২৪ নভেম্বর বিচারপতি মো. রেজাউল হক ও বিচারপতি মো. খসরুজ্জামানের সমন্বয়ে হাইকোর্ট বেঞ্চ এ-সংক্রান্ত এক রুলের নিষ্পত্তি করে মির্জা ফখরুলকে তিন মাসের জামিন দেয়। গত ১৬ নভেম্বর রায়ের জন্য দিন ধার্য থাকলেও বিচারপতিরা মির্জা ফখরুলের চিকিৎসার বিষয়ে একটি প্রতিবেদন দেখতে চান। এরই পরিপ্রেক্ষিতে রাষ্ট্রপক্ষ মেডিকেল রিপোর্ট জমা দেয়। গত ২ নভেম্বর মির্জা ফখরুলকে আত্মসমর্পণ করার নির্দেশ দেন আপিল বিভাগ। পরদিন ফখরুল বিচারিক আদালতে আত্মসমর্পণ করতে গেলে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেয় আদালত।


লাইক এবং শেয়ার করুন
শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

আরও অন্যান্য সংবাদ